সুন্দরবনের বাসিন্দাদের পাশে 'শের'

সুন্দরবন লাগোয়া গ্রামবাসীদের পাশে ব্যঘ্র সংরক্ষণ সংস্থা ‘শের’, বাসিন্দাদের দিল খাবার-ওষুধ

আমফানে জলমগ্ন এলাকাগুলোয় রোগের প্রাদুর্ভাব রুখতে দেওয়া হল ORS, সাবানও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২০, ২২:৩২

options
link
সুন্দরবন লাগোয়া গ্রামবাসীদের পাশে ব্যঘ্র সংরক্ষণ সংস্থা ‘শের’, বাসিন্দাদের দিল খাবার-ওষুধ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপার সাইক্লোন আমফান এক অনন্ত বিপদের মুখে ফেলেছে সুন্দরবন এলাকার মানুষজনকে। নদীবাঁধ ভেঙে, ঘরের চাল উড়ে কার্যত খোলা আকাশের নিচে তাঁরা। এদিকে, সুন্দরবনের ব্যঘ্র সংরক্ষিত অঞ্চলেও বিপদ বেড়েছে। ঝড়খালিতে ব্যঘ্র প্রকল্পের বেড়া ভেঙে লোকালয়ে বাঘ ঢুকে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। ফলে বিপদে মানুষ-বন্যপ্রাণ উভয়েই। এই পরিস্থিতিতে সুন্দরবন এলাকার মানুষজনের পাশে দাঁড়াল ব্যঘ্র সংরক্ষণ সংস্থা ‘শের’। জল, শুকনো খাবার, ওষুধ, ত্রিপল দিয়ে প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হল। এরপর দফায় দফায় আরও অনেক মানুষের কাছেই তাঁরা পৌঁছে যাবেন। মানুষ-বন্যপ্রাণীর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের এও এক অঙ্গ বলে মনে করেন ‘শের’-এর সদস্যরা।

Advertisement

SHER-helps1

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ব্যঘ্র সংরক্ষণ সংস্থা ‘শের’ এমনিতেও নানা সমাজকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। বিপর্যয়ের সময়ে তারা আরও এগিয়ে আসেন। আমফান পরবর্তী সময়ে সুন্দরবনের চিত্র দেখে ব্যথিত এখানকার সদস্যরা। তাঁদের বিশ্বাস, সুন্দরবনে বাঘ এবং সামগ্রিক পরিবেশ বাঁচিয়ে রাখার জন্য সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদেরই অবদান সবচেয়ে বেশি। তাই তাঁরা ভাল থাকলেই বন্যপ্রাণ বাঁচবে, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আমফানের দাপটে ভেঙেছে পা-ডানা, রক্তাক্ত পাখিদের শুশ্রূষায় মগ্ন হাওড়ার পরিবেশপ্রেমীরা]

আমফান পরবর্তী সময়ে তাই সুন্দরবনের সর্বহারা মানুষজনের পাশে দাঁড়াতে সেখানে ছুটে গিয়েছেন ‘শের’-এর কর্ণধার জয়দীপ কুণ্ডু এবং তাঁর সহযোদ্ধারা। প্রথম ধাপে বনাঞ্চলের আশেপাশের গ্রামের মানুষজনের হাতে তাঁরা তুলে দিয়েছেন খাবার, জল, ত্রিপল। তবে এর পাশাপাশি তাঁদের এই মুহূর্তে যা প্রয়োজন, যে কোনওরকম জলবাহিত রোগ থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে ওষুধ, তার কথাও ভুলে যায়নি ‘শের’। তাই ORS থেকে ওষুধ, সাবান সবই সরবরাহ করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: গাছ বাঁচানোর জালই মরণফাঁদ, বাগানের ধারালো নেটে মৃত্যু হনুমান শাবকের]

দানসামগ্রীর তালিকায় আরও আছে। কমিউনিটি কিচেনে রান্নার জন্য সবজিও দেওয়া হয়েছে ‘শের’-এর তরফে। তাঁদের এই কাজে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কলকাতা ও হাওড়া পুলিশ, সংস্থার মুখ্য উপদেষ্টা অরিন্দম শীল, তাদের সুহৃদ পরিচালক রাজ চক্রবর্তীরাও। সকলে হাতে হাত মিলিয়ে দীর্ঘ সময়ে ধরে এসবের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া বনদপ্তরের বেশ কয়েকজন আধিকারিকও শামিল হয়েছিলেন তাঁদের কাজে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ। ধাপে ধাপে বাকি পর্যায়গুলিতেও এভাবে দুস্থ মানুষজনকে ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে ব্যঘ্র সংরক্ষণ সংস্থা ‘শের’-এর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

SHER-helps2

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন