অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

ইস্টবেঙ্গল না মোহনবাগান, কোন ক্লাবকে সমর্থন করেন নোবেলজয়ী অভিজিৎ?

অভিজিৎবাবুকে সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান দুই ক্লাবই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০১৯, ১৫:৫৬

options
link
ইস্টবেঙ্গল না মোহনবাগান, কোন ক্লাবকে সমর্থন করেন নোবেলজয়ী অভিজিৎ?

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নোবেল পাওয়ার খবর ঘোষণা হওয়ার পরই তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতার দুই প্রধান ক্লাব। মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল দুই ক্লাবের তরফেই তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। মোহনবাগান তাঁকে আজীবন সদস্যপদ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছে। সবুজ মেরুনের আজীবন সদস‌্যপদ দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করলেন নোবেলজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ‌্যায়। ইস্টবেঙ্গলের সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করবেন কিনা, তা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠতে পারেননি।

Advertisement

তার মানে কি তিনি সবুজ-মেরুন সমর্থক? মহানির্বাণ মঠ রোডের বাঁড়ুজ্যে পরিবার, যাকে বলে আদ‌্যন্ত মোহনবাগানি। সেই পরিবারের লোক হয়েও একসময় তিনি গায়ে তুলে নিয়েছিলেন লাল-হলুদ জার্সি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড কিনতে রেকর্ড অঙ্কের প্রস্তাব দিলেন সৌদির রাজা ]

অভিজিৎবাবুর এক পিসতুতো দাদা ছিলেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। প্রায় পিঠোপিঠি। তাঁর থেকে মাত্র বছর দু’য়েকের বড়। ছোট থেকেই দু’জনের মধ্যে দারুণ দোস্তি। সেই দাদার পাল্লায় পড়ে নিজের অজান্তেই ইস্টবেঙ্গলের প্রতি ভালবাসা তৈরি হয়ে যায়। অভিজিৎবাবু বলছিলেন, “দাদা এখন মারা গিয়েছেন। আমরা ছোট থেকে একসঙ্গে খেলাধুলো করতাম। ওই-ই ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের নানা গল্প বলত। সেই থেকে কীভাবে যেন ভুলিয়ে ভালিয়ে আমায় ইস্টবেঙ্গল সমর্থক করে দিয়েছিল। গ‌্যালারিতে গিয়ে লাল-হলুদের হয়ে গলাও ফাটিয়েছি। সত্যি কথা বলতে কী যখন মোহনবাগান থেকে সদস‌্য হওয়ার ই-মেলটা পাই, তখন এই কারণেই উত্তর দিতে সাহস পাইনি। মোহনবাগানের মতো একটা ঐতিহ‌্যবাহী ক্লাব। তাদের সদস‌্যপদ নেব! অথচ আমি কিনা ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। কিন্তু পরে ভাবলাম, এই দুই ক্লাব তো বাঙালির সম্পদ। এত বড় একটা সম্মান দিচ্ছে ওরা। সেটা তো সবাই পায় না। একে না বলা মানে অপমান করা। তাই ঠিক করলাম এই সম্মান আমি নেব। এই সন্মান পেয়ে আমি সত্যিই আপ্লুত। গর্বিতও বলতে পারেন। এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না, ওরা এভাবে এগিয়ে এসে আমাকে এমন সন্মান দেবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: আইএসএল অভিযানের শুরুতেই ধাক্কা, কেরলের কাছে পরাস্ত হাবাসের এটিকে]

গড়ের মাঠ ছাড়াও নিয়মিত বিদেশি ফুটবলও দেখেন অভিজিৎবাবু। গান, নাচ, রান্নার সঙ্গে ফুটবলও তাঁর নেশা। দেখতে ভালবাসেন ইংলিশ ফুটবল। প্রিয় ক্লাব? ম‌্যাঞ্চেস্টার ইউনাটেড।শতবর্ষে তাঁকে বিশেষ সম্মান দিতে চায় ইস্টবেঙ্গলও। যদিও কাজের চাপে তা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠতে পারেননি। তবে যে ক্লাবের হয়ে গলা ফাটিয়েছেন একটা সময়, সেই ক্লাবের দেওয়া সম্মানও মাথা পেতে নেবেন, তা বলাই যায়। তবে আগে মোহনবাগান হোক। তারপর না হয় ইস্টবেঙ্গল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.