Churchill Brothers

মাঝপথে চার্চিলকে ঢোকানোর চেষ্টা, গোয়ার ক্লাবকে আইএসএলে নিতে ১২ ক্লাবের মতামত চাইল ফেডারেশন

আইএসএল শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক ক্লাবের দু'টো করে ম্যাচও হয়ে গিয়েছে। তারপরেও চার্চিল ব্রাদার্সকে পিছনের দরজা দিয়ে আইএসএলে ঢোকানোর চেষ্টা চলছেই। কার নির্দেশে, কার অঙ্গুলিহেলনে এরকমটা হচ্ছে এটাই বুঝতে পারছেন না কেউ।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১১:৫২

options
link
মাঝপথে চার্চিলকে ঢোকানোর চেষ্টা, গোয়ার ক্লাবকে আইএসএলে নিতে ১২ ক্লাবের মতামত চাইল ফেডারেশন

আইএসএল শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক ক্লাবের দু’টো করে ম্যাচও হয়ে গিয়েছে। তারপরেও চার্চিল ব্রাদার্সকে পিছনের দরজা দিয়ে আইএসএলে ঢোকানোর চেষ্টা চলছেই। কার নির্দেশে, কার অঙ্গুলিহেলনে এরকমটা হচ্ছে এটাই বুঝতে পারছেন না কেউ। কিন্তু সবাইকে অবাক করে বুধবার এফসি গোয়া এবং এসসি দিল্লিকে বাদ দিয়ে আইএসএলের বাকি সব ক্লাবকে চিঠি পাঠালেন ফেডারেশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল সত্যনারায়ণ। জানতে চাইলেন, চার্চিল ব্রাদার্সের আইএসএলে যোগদান করা নিয়ে অন্য ক্লাবগুলির মতামত। দু’টো করে ম্যাচ হয়ে যাওয়ার পরেও ফেডারেশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেলের এরূপ চিঠি দেখে সত্যিই অবাক হয়ে গিয়েছে ভারতীয় ফুটবলমহল। কোনও পেশাদার লিগে এরকমটা হতে পারে?

Advertisement

ক্যাসের নির্দেশে ইন্টার কাশীকে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করার পর থেকে কীভাবে চার্চিলকে আইএসএলে ঢোকানো যায়, তা নিয়ে ক্রমাগত চেষ্টা চলে আসছে। প্রতিযোগিতা শুরুর এক সপ্তাহ আগে আইএসএল খেলার জন্য প্রথমে আবেদন করে চার্চিল। এরপরই এই ইস্যুতে কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিং ডাকে ফেডারেশন। সেখানে দু-একজন চার্চিলের স্বপক্ষে বক্তব্য রাখলেও কার্যনির্বাহী কমিটির বেশিরভাগ সদস্যই পুরো প্রস্তাবটা খারিজ করে দেন। কিন্তু এখানেই দমে যাননি চার্চিল কর্তা আলেমাও চার্চিল। কিছুদিনের মধ্যে দেখা যায়, এমন সব জায়গা থেকে চার্চিল কর্তা চাপ তৈরি করেছেন যে, আগের দিন যেখানে আইএসএলের ১৪টি ক্লাব একযোগে চিঠি দিয়ে ফেডারেশনকে জানিয়েছিল, পিছনের দরজা দিয়ে চার্চিল ব্রাদার্সকে আইএসএলে নিলে, তারা এই মরশুমের আইএসএল খেলবে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু হঠাৎই দেখা গেল, কোনও এক অজানা চাপে আইএসএলের দু’টি ক্লাব– এফসি গোয়ার রবি পুষ্কর এবং এসসি দিল্লির ধ্রুবস ফেডারেশনকে চিঠি দিয়ে জানান, চার্চিলকে এই মরশুমের আইএসএলে নেওয়ার জন্য তাঁরা ক্লাবের তরফে ফেডারেশনকে অনুরাধ করছেন। যে ক্লাবগুলি একসঙ্গে জানিয়েছিল, চার্চিলকে নেওয়া হলে তারা খেলবে না, সেখানে হঠাৎ করে ক্লাব জোটে এরকম ভাঙন দেখে সবাই বুঝে যান, ভারতীয় ফুটবলে ‘কুছ ভি হো সাকতা হ্যায়’। কিন্তু রবি পুষ্কর এবং ধ্রুবস যে নিজেদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির চাপে পড়ে চার্চিলকে নেওয়ার জন্য এই চিঠি দিয়েছেন, তা বোঝানোর জন্য আইএসএল চালানোর তিন সদস্যর ম্যানেজিং কমিটি থেকে দুজন পদত্যাগ করেন।

Advertisement

তারপর সবকিছু কিছু দিন ধামাচাপ পড়ে যায়। কিন্তু হঠাৎই ফের এফসি গোয়া এবং এসসি দিল্লির চিঠির কথা উল্লেখ করে তাদের আইএসএলে নেওয়ার জন্য ফেডারেশনকে চিঠি পাঠান আলেমাও চার্চিল। তারপর এমন জায়গা থেকে চাপ তৈরি হয় যে, তড়িঘড়ি করে ফেডারেশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল সত্যনারায়ণ, এফসি গোয়া এবং এসসি দিল্লির বাইরে অন্য ক্লাবগুলিকে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছেন, এফসি গোয়া এবং এসসি দিল্লি ইতিমধ্যে চার্চিলকে আইএসএলে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে। বাকি ক্লাবগুলি এই ইস্যুতে কী বলছে, ফেডারেশেন জানতে চাইছে।

প্রতিযোগিতার মাঝপথে যেভাবে চার্চিলকে ঢোকানোর জন্য চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, অবাক হবেন না, যদি দেখেন, লিগ শেষ হওয়ার পাঁচটা ম্যাচ আগেও তারা আইএসএলে ঢুকে যায়। আগেই বললাম না, ‘ভারতীয় ফুটবলে কুছ ভি হো সাকতা হ্যায়’।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন