Diego Maradona

‘মারাদোনার চিকিৎসা করতে পেরে আমি গর্বিত’, অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ ওড়ালেন ডাক্তার

রবিবার ডা. লিওপোলডো লুকে’‌র বাড়ি এবং ক্লিনিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২০, ১৪:১৮

options
link
‘মারাদোনার চিকিৎসা করতে পেরে আমি গর্বিত’, অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ ওড়ালেন ডাক্তার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিকিৎসার গাফিলতির কারণেই চলে গেলেন দিয়েগো মারাদোনা। এমনই বিস্ফোরক দাবি তোলেন ফুটবলের রাজপুত্রের পরিবার। চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগও করা হয়। যার ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে পুলিশ। সত্যিই কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে চিকিৎসক মারাদোনার অস্ত্রোপচার করেছিলেন, রবিবার সেই লিওপোলডো লুকে’‌র বাড়ি এবং ক্লিনিকে তল্লাশিও চালায় পুলিশ। কিন্তু চিকিৎসক সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন, যেভাবে তিনি মারাদোনার চিকিৎসা করেছেন, তার জন্য তিনি গর্বিত।

Advertisement

গত ২৫ নভেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিরবিদায় নেন মারাদোনা (Diego Maradona)। নিঃস্ব হয়ে পড়ে ফুটবল জগৎ। তার আগে চলতি মাসেই বড়সড় অস্ত্রোপচার হয়েছিল কিংবদন্তির। তাঁর মস্তিষ্কে জমাট বাঁধা রক্ত অপারেশন করে বের করেছিলেন ডা. লুকে। তারপর থেকে বাড়িতেই ছিলেন মারাদোনা। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, সেই অস্ত্রোপচারের সময়ই হয়তো কোনও গাফিলতি ছিল। তাই অনিচ্ছাকৃতই খুন করা হয়েছে তিনি। তবে সব অভিযোগ নস্যাৎ করে লুকে বলেন, মদ ও মাদকের নেশা ছাড়াতে তিনি ও চিকিৎসকের দল আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। তবে বাড়িতে রিহ্যাবের সিদ্ধান্তও মারাদোনাই নিয়েছিলেন। লুকের কথায়, “ওঁকে হাসপাতালে রাখার প্রয়োজন ছিল না। তাই কোনও রিহ্যাব সেন্টারে রাখার কথা ভাবা হয়েছিল। তবে তার জন্য দিয়েগোর অনুমতি লাগত। কিন্তু তিনি নিজেই বাড়িতে থাকতে চেয়েছিলেন। কোনও কিছুই তাঁর অনুমতি না নিয়ে করা হয়নি। এই ধরনের মাদকাশক্ত রোগীদের হার্টের সমস্যা থেকেই যায়। তাও আমরা চেষ্টা করেছিলাম যতটা সম্ভব তা কমানোর। কিন্তু পুরোপুরি নির্মূল করা যায় না।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘‌বিরাট–রোহিত বিতর্ক পরে, আগে সরানো হোক শাস্ত্রীকে’‌, ওয়ানডে সিরিজ হারের পর সরব নেটিজেনরা]

পাশাপাশি তিনি এও জানান, আর্জেন্টাইন সোসাইটি অফ নিউরোলজির চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শের পরই তাঁর অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। লুকে বলেন, “অস্ত্রোপচারের পর সবচেয়ে ভাল হত তিনি যদি রিহ্যাব সেন্টারে থাকতে রাজি হতেন, তাহলে। কিন্তু তিনি বাড়ি যেতে চেয়েছিলেন। তাই নার্সের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এবং তার জন্য আমি গর্বিত। এতে লুকনোর কিছুই নেই।”

Advertisement

তবে নিজেদের মতো করে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। লুকের ক্লিনিক থেকে কিছু মেডিক্যাল রিপোর্ট, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে খবর। তদন্ত কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

[আরও পড়ুন: কীভাবে আয়োজিত হবে ঘরোয়া ক্রিকেট?‌ করোনা কালে নয়া পরিকল্পনার কথা জানাল বোর্ড]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.