বাংলা-৫ দমন ও দাদরা-০
(রবি-২,নরহরি-২, সৌভিক)
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুদ্দাড়িয়ে সন্তোষ ট্রফি (Santosh Trophy) অভিযান শুরু করেছে বাংলা। প্রথম ম্যাচে হরিয়ানাকে দাঁড়াতেই দেয়নি বাংলা (Bengal)। সোমবার সন্তোষ ট্রফির দ্বিতীয় ম্যাচে দমন ও দাদরার (Daman and Dadra) বিরুদ্ধে আগাগোড়া প্রাধান্য দেখাল বাংলা। পাঁচ-পাঁচটি গোল করলেন বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যর ছেলেরা। গোল করেছেন রবি হাঁদসা (২টি), নরহরি শ্রেষ্ঠ (২) এবং সৌভিক কর। স্কোরলাইন দেখেই বোঝা যাচ্ছে ম্যাচে বাংলার দাপট কতটা ছিল।
সব অর্থেই গ্রুপের সব চেয়ে সহজ প্রতিপক্ষ এই দমন ও দাদরা। ফলে তাদের বিরুদ্ধে গোলপার্থক্য বাড়িয়ে নেওয়াই ছিল বাংলার উদ্দেশ্য। আর সেই উদ্দেশে দারুণ সফল নরহরি শ্রেষ্ঠরা। বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য অবশ্য ম্যাচের আগে জানিয়েছিলেন, প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই সন্তোষ ট্রফি খেলতে এসেছে বাংলা। প্রতিপক্ষ দুর্বল বলে তাদের গুরুত্ব দেওয়া হবে না, এমন মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামে না বঙ্গশিবির।
[আরও পড়ুন: ধরাছোঁয়ার বাইরে স্কালোনি, রেকর্ড পয়েন্ট পেয়ে বর্ষসেরা আর্জেন্টাইন কোচ]
দমন ও দাদরা প্রতিপক্ষ হিসেবে দুর্বল হলেও বঙ্গশিবির বেশ সতর্ক হয়েই খেলতে নেমেছিল। কিন্তু ম্যাচ যত এগোতে থাকে বাংলার দাপট বাড়তে থাকে। ক্রমে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যেতে থাকে দমন ও দাদরা।
এ যাবৎ দমন ও দাদরার ভাল যায়নি সন্তোষ ট্রফি। প্রথম ম্যাচে ছত্তিশগড়ের কাছে তারা হার মানে ২-০ গোলে। এদিন বাংলার কাছে বিধ্বস্ত হতে হল। ক্রমে পিছিয়ে পড়ছে দমন ও দাদরা। চলতি মাসের ১১ তারিখ বাংলার পরবর্তী ম্যাচ মধ্যপ্রদেশের সঙ্গে। খেলাটি হবে সকাল সাড়ে আটটায়। একটি মাঠেই খেলাগুলো দেওয়া হচ্ছে। দিনের তিনটি বিভিন্ন সময়ে খেলা হচ্ছে। সকাল সাড়ে আটটা, সাড়ে এগারোটা ও দুপুর সাড়ে তিনটে। এদিন দুপুরে খেলে উঠেই ১১ তারিখ সকাল সাকল নামবে বাংলা।
[আরও পড়ুন: বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেও মেসিকে অভিনন্দন জানাননি তেভেজ! পিছনে কি পুরনো শত্রুতা?]
সর্বশেষ খবর
-
ওবিসি জটেই ঝুলে! ৩১ আগস্টের মধ্যে হচ্ছে না ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ, জানিয়ে দিল এসএসসি
-
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার, অভিষেকের ক্রিকেট কেরিয়ার কি শেষ? কী ভাবছে দিল্লি ক্যাপিটালস, সিএবি?
-
দাড়িভিটে নিহত ছাত্রদের সম্মান জানাতে উদ্যোগী এবিভিপি, ২০ সেপ্টেম্বর ভাষা দিবস পালনের ডাক
-
নিউটাউনের পর পূর্বস্থলী! ঘরে তরুণীর দেহ, জেরায় অসঙ্গতি থাকায় আটক লিভ-ইন সঙ্গী
-
FCRA বিল নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়, দরকারে ‘ঠান্ডা ঘরে’ পাঠাতে রাজি সরকার! দাবি সূত্রের