সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এশিয়া কাপে সুপার ফোরের মোকাবিলায় ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ১৭১ রান তুলেছে পাকিস্তান। জশপ্রীত বুমরাহর মতো বোলারকে অত্যন্ত সাদামাটা বানিয়ে ফেলেন সাহিবজাদা ফারহানরা। আর তার সঙ্গে আছে চার-চারটে ক্যাচ মিস। অভিষেক শর্মা, কুলদীপ যাদবরা সুযোগ হাতছাড়া না করলে পাকিস্তানকে অনেক আগেই গুটিয়ে ফেলা যেত। কিন্তু এই ক্যাচ মিসের নেপথ্যে কি দুবাই স্টেডিয়ামের ‘রিং অফ ফায়ার’?
প্রথম ক্যাচটা মিস করেন অভিষেক শর্মা। বাউন্ডারি লাইন থেকে অনেকটা ছুটে এসে শরীর ঝাঁপিয়েও বল ধরতে পারেননি তিনি। সেই সাহিবজাদা হাফসেঞ্চুরি করে যান। তবু হয়তো এই চেষ্টাটা ক্ষমা করে দেওয়া যায়, কিন্তু কুলদীপ যাদব বা শুভমান গিলদের ক্যাচ মিস ক্ষমার যোগ্য নয়। সাইম আয়ুবের ব্যাটের মাথায় লেগে সোজা কুলদীপ যাদবের হাতে চলে যায়। কিন্তু সেটা হাতছাড়া করেন তিনি।
তারপর অষ্টম ওভার। ফের সাহিবজাদার শট। বাউন্ডারি লাইনে হাত বাড়িয়ে চেষ্টা করেছিলেন অভিষেক। কিন্তু এবারও সেই এক অবস্থা। দুটো ক্যাচ মিস হওয়ায় অনেকেই অভিষেকের একাগ্রতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। আবার ১৮.৫ ওভারে ‘লোপ্পা’ ক্যাচ ছাড়েন শুভমান গিল। ভারতের ক্যাচ মিস নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছে।
তবে অনেকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন ‘রিং অফ ফায়ারে’র কথা। বিশেষ করে, যে চারটি ক্যাচ মিস হয়েছে, প্রত্যেকটিই উঁচু থেকে এসেছে। সাধারণত স্টেডিয়ামে আলোর জন্য টাওয়ার বসানো হয়। কিন্তু দুবাই স্টেডিয়াম অন্যরকম। এর ছাদ জুড়ে ৩৫০টি আলো বসানো আছে। আর উঁচু ক্যাচের ক্ষেত্রে সেটা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। যে কারণে এই স্টেডিয়ামকে ‘রিং অফ ফায়ার’ বা ‘আগুনের আংটি’ বলা হয়। এমনকী ম্যাচের আগের দিন ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপও এই নিয়ে সতর্ক করেন। তবে যাই হোক না কেন, ভারতের ক্যাচ মিস নিয়ে চিন্তা থেকেই যাচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
মাত্র .০৯ মিটারের জন্য দ্বিতীয়, এশিয়াডের আগে আত্মবিশ্বাসী নীরজ বলছেন, ‘আমি ফিরছি’
-
ক্রমশ চাপ বাড়ছে শওকতের, এবার ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় জুড়ল ইউএপিএ ধারাও
-
অসুস্থ হয়ে দিল্লি এইমসে ভর্তি বিমান বসু, কী জানাল বামফ্রন্ট রাজ্য নেতৃত্ব?
-
হাওড়ায় বাড়ির সামনে জমা জলে উদ্ধার ব্যক্তির দেহ, তদন্তকারী দল পাঠালেন মন্ত্রী, আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস
-
আচমকা অসুস্থ বুদ্ধদেবজায়া মীরা ভট্টাচার্য, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন