ভাঙড় বিস্ফোরণের ঘটনার মামলায় শওকত মোল্লা-সহ চারজনের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারা প্রয়োগের জন্য আদালতে আবেদন করল এনআইএ। শুক্রবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ এনআইএ আদালতে বিচারক অনুপম মাইতির এজলাসে ওই আবেদন করা হয়। এনআইএ তরফের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি দেবাশিস মল্লিক চৌধুরি পুট আপ পিটিশন দেন। তিনি জানান, ইউএপিএ ১৬ ও ১৮ ধারা প্রয়োগের জন্য আবেদন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরে ভাঙড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে এনআইএ এর তদন্ত করে। গ্রেপ্তার হন শওকত মোল্লা-সহ চারজন।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর ভাঙড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে শওকত মোল্লাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল এনআইএ। পরে সোনারপুরের কামালগাজি লাগোয়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিবার দাবি করেছিল, আত্মসমর্পণ করতে আসার সময়েই এনআইএ শওকত মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে। ৮৭ দিনের মাথায় আদালতে চার্জশিটও পেশ করে এনআইএ। চার্জশিটে ধৃত শওকত মোল্লাকেই বিস্ফোরণ কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করে তদন্তকারী সংস্থা।
আরও পড়ুন:
এনআইএর দাবি, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে আগে ভাঙড়ে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই বিস্ফোরণে বোমা তৈরিতে যুক্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুও হয়েছিল, গুরুতর আহত হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। ঘটনার তদন্তে নামতেই এনআইএ-র স্ক্যানারে উঠে আসে শওকত মোল্লার নাম। এনআইএ-র অভিযোগ, এই মামলার গ্রেপ্তার হওয়া চার অভিযুক্তের মধ্যে শওকত মোল্লাই ছিলেন মূল চক্রান্তকারী। তদন্তকারীদের দাবি, শওকতের নির্দেশেই বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। শুধু তাই নয়, ভাঙড়ে বিস্ফোরণের পরবর্তী সময় সামাল দিতে শওকত মোল্লার ফোন থেকে একাধিক নির্দেশ গিয়েছিল এলাকায়। তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর মোবাইল ফোন থেকে সেই সংক্রান্ত একাধিক বিস্ফোরক তথ্য পাওয়া গিয়েছে। এবার এই মামলাতেই জুড়ল ইউএপিএ ধারা। তার ফলে স্বাভাবিকভাবেই চাপ বাড়ছে শওকতের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাঁধ ভেঙে বানভাসি ১৫ গ্রাম, নৌকাতেই আতঙ্কের দিন-রাত্রি শয়ে শয়ে মানুষের!
-
মুড়ি-মুড়কির মতো ‘দানধ্যান’, অন্নপূর্ণা বিক্ষোভে তৃণমূলকেই দুষলেন দিলীপ
-
আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি ভোগাবে কলকাতাবাসীকে! রবিবার থেকে দুর্যোগের হলুদ সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে
-
নবভারত নির্মাণের রাস্তা দেখাতে পারে, অরোভিল হোক জেন জি-র প্রেরণা!
-
২৫ কোটির চুক্তি না পেলে টিভিতে সম্প্রচার নয়, কোথায় আইএসএল দেখাতে চায় ক্লাবগুলি?