Asia Cup 2025

‘হাত মেলালে কী ক্ষতি হত?’, এশিয়া কাপে ভারত-পাক করমর্দন বিতর্কে ‘ভিন্ন সুর’ আজহারের

'হয় প্রতিবাদ করো, নয়তো খেলো', বক্তব্য আজহারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫, ১৭:৪১

options
link
‘হাত মেলালে কী ক্ষতি হত?’, এশিয়া কাপে ভারত-পাক করমর্দন বিতর্কে ‘ভিন্ন সুর’ আজহারের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হ্যান্ডশেক বিতর্কে উত্তাল ক্রিকেট দুনিয়া। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে করমর্দন বিতর্কের পর সুপার ফোরের ম্যাচেও উত্তাপ ছড়াতে পারে। সেখানে যে সূর্যরা পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলাবেন না, তা একপ্রকার স্পষ্ট। কিন্তু কেন করমর্দন করবে না? হাত মেলানোয় ভুল কী আছে? কিছুটা ‘উলটো সুরে’ কথা বলছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন।

Advertisement

তাঁর সাফ কথা, “আমার মতে, করমর্দন করার মধ্যে কোনও ভুল নেই। যখন তুমি ম্যাচ খেলবে, তখন সব কিছু মেনেই খেলা উচিত। হাত মেলানোয় তার মধ্যে অন্যতম। আমি এর মধ্যে কোনও সমস্যা দেখি না। আমার মনে হয় না (হাত মেলানোয়) কোনও সমস্যা আছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আজহারের সংযোজন, “যখন তুমি প্রতিবাদের জন্য খেলো, তাহলে তো না খেললেও চলত। প্রতিবাদ করে খেলার কোনও মানে হয় না। একবার খেলতে রাজি হয়ে গেলে, সেটা আইসিসি ইভেন্ট হোক বা এশিয়া কাপ, তারপর তোমাকে সবটা দিয়ে খেলতে হবে। নাহলে খেলার কোনও প্রয়োজন নেই।”

Advertisement

উল্লেখ্য, এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে করমর্দন বিতর্কের সূত্রপাত। প্রথমে টসের সময় সূর্যকুমার পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘার সঙ্গে হাত মেলাননি। এমনকী ম্যাচের পরও কোনও পাক ক্রিকেটারের সঙ্গে করমর্দন করেনি ভারতের ক্রিকেটাররা। তাতে বেজায় খাপ্পা পাকিস্তান একের পর এক নাটক করে। কখনও ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটকে নিশানা করে, কখনও বা ম্যাচ বয়কটের হুমকি দেয়। এমনকী সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ম্যাচে তো প্রায় একঘণ্টা পরে মাঠে নামে। কিন্তু এত কিছুর পরও রবিবার ভারত-পাক দ্বৈরথের আগে আইসিসি অ্যান্ডি পাইক্রফটকেই ম্যাচ রেফারি নির্বাচিত করেছে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.