Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Manasa Puja 2026

রাত পোহালেই ঘরে ঘরে মা মনসার আরাধনা, দেবীর কৃপা পেতে ভোগে রাখুন এই বিশেষ পদ

আগামিকাল ঘরে ঘরে পুজো হবে মা মনসার। ভক্তি আর নিষ্ঠাই এই পূজার মূল কথা। তবে দেবীকে তুষ্ট করতে অর্পণ করা হয় কিছু বিশেষ সাত্ত্বিক ভোগ। লৌকিক প্রথা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু প্রসাদেই সর্বাপেক্ষা প্রসন্ন হন নাগদেবী। কী ভোগ দেবেন জেনে নিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১৮:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১৮:৪৭

options
link
রাত পোহালেই ঘরে ঘরে মা মনসার আরাধনা, দেবীর কৃপা পেতে ভোগে রাখুন এই বিশেষ পদ zoom
কোন বিশেষ ভোগে সন্তুষ্ট হন নাগদেবী?
Advertisement

বর্ষার ধারা ঝরতেই গ্রামবাংলায় শুরু হয় বিষহরি মা মনসার আরাধনা। সাপের প্রকোপ থেকে পরিবারকে বাঁচাতে এবং সংসারের কল্যাণ কামনায় দেবী পদ্মাবতীর পূজা অত্যন্ত প্রাচীন এক লোকায়ত ঐতিহ্য। উদয়া তিথি অনুযায়ী, নাগপঞ্চমী ১৭ আগস্ট পালিত হলেও, আগামিকাল ঘরে ঘরে পুজো হবে মা মনসার। ভক্তি আর নিষ্ঠাই এই পূজার মূল কথা। তবে দেবীকে তুষ্ট করতে অর্পণ করা হয় কিছু বিশেষ সাত্ত্বিক ভোগ। লৌকিক প্রথা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু প্রসাদেই সর্বাপেক্ষা প্রসন্ন হন নাগদেবী। কী ভোগ দেবেন জেনে নিন।

ফাইল ছবি

দুধ-কলায় সর্পভয় দূর
মনসা পূজার সবচেয়ে আবশ্যিক উপাদান হল দুধ ও পাকা কাঁঠালি কলা। সর্পকুলের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হওয়ায় দুধ-কলা নিবেদন করাকে অতিশয় শুভ মনে করা হয়। খাঁটি দুধ, পাকা কাঁঠালি কলা ও বাতাসা মাটির বা কাঁসার পাত্রে অর্পণ করলে দেবী সন্তুষ্ট হন। ভক্তদের বিশ্বাস, এতে গৃহ সর্পভয় মুক্ত থাকে।

Advertisement

শীতল পান্তা ও অরন্ধনের ভোগ
অনেক পরিবারে মনসা পূজা বা অরন্ধনের দিন উনুন জ্বালানোর নিয়ম নেই। তাই আগের রাতে রান্না করা ভাত জলে ভিজিয়ে ‘পান্তা ভাত’ তৈরি করা হয়। শান্ত ও শীতল প্রকৃতি পছন্দ করেন দেবী। ফলে এই শীতল পান্তা ভাতের সঙ্গে আগের দিনের রান্না করা কচু শাক ও নানা নিরামিষ পদ ভোগ হিসেবে দেওয়া হয় দেবীকে।

শাপলা ও কচুর বিশেষ পদ
বর্ষাকালীন জলজ ফুল শাপলা এবং কচু গাছ নাগদেবীর অত্যন্ত প্রিয়। পদ্মের পাশাপাশি শাপলা ফুলে সেজে ওঠেন দেবী। এছাড়া ভোগে থাকে মানকচু ও কচু শাকের বিশেষ নিরামিষ ব্যঞ্জন। লোকবিশ্বাস, এই ভোগ নিবেদনে সংসারে শ্রী বৃদ্ধি ঘটে।

চাল-কলা মাখা ও পঞ্চব্যঞ্জন
কোনও কোনও অঞ্চলে দেবীকে খিচুড়ি ও পাঁচ রকমের ভাজা নিবেদন করা হয়। আবার অনেক জায়গায় ভেজানো আতপ চাল, মুগ ডাল, নারকেল কোরা, শসা, কাঁঠালি কলা ও গুড় দিয়ে তৈরি ‘চাল-কলা মাখা’ ভোগ দেওয়া হয়। আড়ম্বরের চেয়ে ভক্তিই এখানে প্রধান। অহংকার ত্যাগ করে এই সাত্ত্বিক ভোগ অর্পণ করলেই মনস্কামনা পূরণ করেন দেবী।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.