Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
DInhata

চাষের আড়ালে পাকিস্তানের চরবৃত্তি! এবার দিনহাটা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার যুবক, ‘স্লিপার সেলে’র জাল কত দূর?

পাক চর সন্দেহে ফের বড় সাফল্য বেঙ্গল এসটিএফের। কোচবিহারের দিনহাটা থেকে আইএসআই চর সন্দেহে গ্রেপ্তার আরও এক যুবক। ধৃতের নাম মিঠু রহমান। আইএসআই জঙ্গি সংগঠনের হয়ে এই ধৃত দীর্ঘদিন ধরে কাজকর্ম করছিল বলে খবর।

বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১৮:১৫

link
বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১৮:১৫

options
link
চাষের আড়ালে পাকিস্তানের চরবৃত্তি! এবার দিনহাটা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার যুবক, ‘স্লিপার সেলে’র জাল কত দূর? zoom
চাষের আড়ালে পাকিস্তানের চরবৃত্তি! ছবি-এআই
Advertisement

পাক চর সন্দেহে ফের বড় সাফল্য বেঙ্গল এসটিএফের। কোচবিহারের দিনহাটা থেকে আইএসআই চর সন্দেহে গ্রেপ্তার আরও এক যুবক। ধৃতের নাম মিঠু রহমান। আইএসআই জঙ্গি সংগঠনের হয়ে এই ধৃত দীর্ঘদিন ধরে কাজকর্ম করছিল বলে খবর। ভারতীয় সিমকার্ড এপার থেকে বাংলাদেশ হয়ে পাকিস্তানে পাচারের সঙ্গে মিঠু জড়িত বলে প্রাথমিক অনুমান। স্বাধীনতা দিবসের দিনই উত্তরবঙ্গে ৩ পাক চর গ্রেপ্তার হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে ধৃতরা এই মুহূর্তে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ওই তিনজনকে জেরা করেই এই যুবকের সন্ধান মিলেছে। প্রাথমিকভাবে এই কথাই জানা গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠু রহমানের বাড়ি দিনহাটা দুই ব্লকের নাজিরহাটের দিঘলটারি এলাকা। ওই এলাকা একদম ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া। গতকাল, রবিবার রাতে পুলিশ ও এসটিএফ হানা দেয় ওই এলাকায়। বাড়ি থেকেই ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। দিনহাটা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আজ, সোমবার ধৃতকে দিনহাটা আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। ধৃতকে পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই যুবক এলাকায় চাষাবাদের সঙ্গে যুক্ত। পরিবারের সঙ্গেই থাকেন। পাশাপাশি পাক চর হিসেবেও কাজ চালাচ্ছিলেন বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। সীমান্ত এলাকায় বাসের জন্য সিম পাচারের কাজও সহজ হত বলে অনুমান। নকল টাকা পাচারের কাজে সে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ। 

Advertisement
Another Pakistani spy arrested at the Dinhata border
আদালতে তোলা হয় ধৃতকে। নিজস্ব চিত্র

স্বাধীনতা দিবসে ৩ পাক চর গ্রেপ্তার হয়েছিল। আরও চারজন উত্তরবঙ্গে লুকিয়ে রয়েছে বলে জানা গিয়েছিল! মিঠু রহমান সেই তালিকায় ছিলেন না। মিঠু কি তাহলে ‘স্লিপার সেল’ হিসেবে কাজ করত? আর কতজন এভাবে পাক চর হিসেবে কাজ করছে? সেই চর্চা চলছে। পুলিশ হেফাজতে থাকা ধৃত আইএসআই চরদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। 

ঢাকার পাক দূতাবাসের মদতেই পাকিস্তানে ভারতীয় সিমকার্ড পাচার। কোচবিহারের দিনহাটায় সিমকার্ড পাকিস্তানে পাচার কাণ্ডে গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে এসেছে বাংলাদেশের দুই আইএসআই হ‌্যান্ডলার আকবর হোসেন ওরফে সম্রাট ও ওমরের নাম। আকবর ও ওমর দু’জনই ঢাকার পাক দূতাবাসের হয়ে কাজ করে। সম্প্রতি ভারতীয় সিমকার্ড পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে রাজ‌্য পুলিশের এসটিএফের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে তিন আইএসআই চর মহম্মদ শফিকুল ইসলাম, নুর নাসিরুদ্দিন আলি ও রশিদুল হক ওরফে রশিদুল ইসলাম। তাদের জেরা করে ও মোবাইলের সূত্র ধরে বাংলাদেশের রংপুরের আকবর ও ঢাকার ওমরের নামও উঠে এসেছে।

গোয়েন্দারা জেনেছেন, ঢাকার পাক দূতাবাসের কয়েকজন আধিকারিকের নির্দেশে ওই দুই মাস্টারমাইন্ড গত কয়েক মাসে অন্তত ১২টি ভারতীয় সিমকার্ড নেপালের দু’জন আইএসআইয়ের লিঙ্কম‌্যানের মাধ‌্যমে ইসলামাবাদে পাঠিয়েছে। আকবর ও ওমর এই রাজ্যে জাল নোট পাচারের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত। তাদের মদতেই গত ২০২৩ সাল থেকে রশিদুল নাজিরহাট এবং নয়ারহাট সীমান্ত এলাকায় দু বছরের মধ্যে প্রায় সাত লাখ টাকার জাল নোট পাচার করে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.