Ranji Trophy

নকআউট এলেই কাগুজে বাঘ! রনজি থেকে বিদায়ের মুখে বাংলা, ব্যাটিং বিপর্যয়ের দায় নেবে কে?

বারবার অভিযোগ ওঠে, জাতীয় দলে বঞ্চনার শিকার বঙ্গ অধিনায়ক অভিমন্যু। কিন্তু ক্রিকেটমহল মনে করতে পারছে না, নকআউট ম্যাচে শেষ কবে কার্যকরী ইনিংস খেলেছেন তিনি।

Advertisement
রাজর্ষি গঙ্গোপাধ্যায়
রাজর্ষি গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৭:১২

options
link
নকআউট এলেই কাগুজে বাঘ! রনজি থেকে বিদায়ের মুখে বাংলা, ব্যাটিং বিপর্যয়ের দায় নেবে কে?
জম্মু-কাশ্মীরের কাছে হেরে রনজি থেকে বিদায় বাংলার। ছবি: অমিত মৌলিক

গ্রুপ পর্বে দুরন্ত পারফরম্যান্স। কিন্তু নকআউটে গেলেই কাগুজে বাঘ। গত কয়েকবছর ধরে ঘরোয়া ক্রিকেটে এটাই বাংলার ছবি। রনজি, বিজয় হাজারে, সৈয়দ মুস্তাক আলি-সমস্ত টুর্নামেন্টের শুরুতেই ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে আশা জাগায় বাংলা। কিন্তু নকআউট পর্বে স্বপ্নের সলিল সমাধি। এবার জম্মু-কাশ্মীরের কাছে হেরে রনজি থেকে বিদায়ের মুখে দাঁড়িয়ে বাংলা। প্রশ্ন উঠছে, আর কতদিন এইভাবে খেলা চালিয়ে যাবেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা?

Advertisement

এবছর বাংলার জার্সিতে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছেন জাতীয় দলের তিন পেসার। মহম্মদ শামি, মুকেশ কুমার, আকাশ দীপদের দাপটে বিপক্ষকে গতির আগুনে সেঁকে ফেলা যাচ্ছিল। এবারের রনজিতে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পেয়েছে বাংলা। দাপট দেখিয়ে ঘরের মাঠে নকআউটের ম্যাচগুলো খেলেছে। কিন্তু জাতীয় দলের পেস ত্রয়ীও ব্যর্থ কাশ্মীরের আকিব নবির কাছে। গোটা ম্যাচে কাশ্মীরি পেসার নিজে তুললেন ৯ উইকেট। সেখানে আকাশ-মুকেশরা পাঁচটা করেও উইকেট তুলতে পারেননি। লড়লেন একা শামি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রনজিতে স্বপ্নভঙ্গ হলে তার দায় ব্যাটারদেরও। বারবার অভিযোগ ওঠে, জাতীয় দলে বঞ্চনার শিকার বঙ্গ অধিনায়ক অভিমন্যু। কিন্তু ক্রিকেটমহল মনে করতে পারছে না, নকআউট ম্যাচে শেষ কবে কার্যকরী ইনিংস খেলেছেন তিনি। পরিসংখ্যান বলছে, গত সাত বছরে নকআউটে ১১টি ইনিংস খেলেছেন অভিমন্যু। একবারও পঞ্চাশ রানের গণ্ডি ছুঁতে পারেননি। তাঁর যাবতীয় রান লিগ পর্বে। ঘরোয়া ক্রিকেটে মধ্যমানের পেসারকে সামলাতে না পারলে দেশের জার্সিতে খেলবেন কী করে? ক্রিকেটমহল বলছে, অভিমন্যুর একটা হাফসেঞ্চুরি থাকলেই এবারের সেমিফাইনাল জিতে যায়। কিন্তু এদিন তিনি মাত্র ৫ রানে আউট।

Advertisement

কেবল অভিমন্যু নয়, দায় বর্তায় সুদীপ চট্টোপাধ্যায়দের উপরেও। যে দলটা কোয়ার্টার ফাইনালে ৬০০ রান তোলে, সেমির প্রথম ইনিংসে ৩২৮ রান করে, তারা দ্বিতীয় ইনিংসে একশোর গণ্ডিও পেরবে না কেন? লাল বলের ক্রিকেটে দ্বিতীয় ইনিংসের গুরুত্ব অসীম। ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয় এই ইনিংস। সেখানে কেন বঙ্গ ব্যাটাররা রান করতে পারবেন না? বিশ্বাস করতে পারছেন না ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। জম্মু-কাশ্মীরের মতো দলের বিরুদ্ধে ব্যাটিং বিপর্যয়, মানতে পারছেন না তাঁরা।

তৃতীয় দিনের শেষে স্কোরবোর্ড বলছে, ইতিহাস গড়া থেকে মাত্র ৮৩ রান দূরে দাঁড়িয়ে আবদুল সামাদরা। হাতে আট উইকেট। প্রথমবার রনজি ফাইনালে খেলার হাতছানি তাদের সামনে। যদিও ক্রিকেট মহা অনিশ্চয়তার খেলা। শেষ দিনে ফলাফল পালটে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু তাতেও কি বাংলা দলের কঙ্কালসার দশাটা ঢাকা পড়বে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.