ফের বিতর্কে উসমান তারিক (Usman Tariq)। পাকিস্তানের স্পিনার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় তাঁর অদ্ভুত বোলিং অ্যাকশনের জন্য বিতর্ক জড়িয়েছিলেন। এবার পাকিস্তান সুপার লিগেও ফের তারিককে নিয়ে চর্চা। তাঁর অদ্ভুত বোলিং অ্যাকশনের সামনে ব্যাট করতে নারাজ ড্যারিল মিচেল। পাক স্পিনার বল করতে আসতেই ক্রিজ থেকে সরে গেলেন কিউয়ি ব্যাটার।
আরও পড়ুন:
তারিকের রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তাঁর বোলিং অ্যাকশনে। অন্যদের মতো সরাসরি কাঁধের উপর থেকে হাত ঘুরিয়ে বল করেন না তিনি। বরং কিছুটা সাইড আর্ম ডেলিভারি করেন। আর বল ছাড়ার আগে যেন একটু থমকে যান। বিশ্বকাপের সময় তাঁর এই বোলিং অ্যাকশনের জন্য অনেক ব্যাটার বিপাকে পড়েছিলেন। আবার অনেকের মতে তারিকের এই বোলিক অ্যাকশন ‘অবৈধ’।
ফের সেই বিতর্ক বাঁধল পাকিস্তান সুপার লিগে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স ও রাওয়ালপিণ্ডির ম্যাচে। রান তাড়া করতে নেমে পিণ্ডিজকে জেতানোর চেষ্টা করছিলেন মিচেল। সেই সময় তারিক বল করতে এলে হঠাৎ ক্রিজ থেকে সরে যান কিউয়ি ব্যাটার। তারিক বল করতে এসে মাঝপথে থেমে যাওয়ায় বিরক্ত হন মিচেল। আম্পায়ারকে তিনি জানিয়ে দেন, ব্যাট করার জন্য তৈরি নন। এটা একবার নয়। ওই ওভারে আরও একবার সরে দাঁড়ান মিচেল।
Daryl Mitchell twice pulls out of facing Usman Tariq 😂🤣😭 pic.twitter.com/HlDgOWMlPs
— Taimoor Zaman (@taimoor_ze) April 10, 2026
এই বিষয়ে মিচেলের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর বক্তব্য, “বিষয়টা আম্পায়ারদের হাতে। যদি বোলার অনিয়মিত ভাবে থামে, তাহলে ব্যাটারের পূর্ণ অধিকার আছে সরে যাওয়ার। অধিনায়ক ও প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের উচিত এই বিষয়টা ম্যাচ শুরুর আগে আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারিদের জানানো। দারুণ করেছ মিচেল।” তবে বিশ্বকাপের সময় তারিকের পাশে ছিলেন অশ্বিন। তাঁর বক্তব্য ছিল, “ব্যাটাররা সুইচ হিট বা রিভার্স সুইপ মারতে পারেন। তাহলে বোলারদের ক্ষেত্রে কেন বাধা থাকবে? থেমে যাওয়ায় তো ভুল নেই।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
কোচবিহারের ৬০৬টি তপশিলি অধ্যুষিত গ্রাম পাবে ১০০ কোটি, আদর্শ গ্রাম প্রকল্পে বিরাট বরাদ্দ কেন্দ্রের
-
ফলো-অন বাঁচানোর যুদ্ধে শ্রীলঙ্কার ‘বন্ধু’ বৃষ্টি, দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের অ্যাডভান্টেজেও চিন্তা কোথায়?
-
বাড়িতে ঢুকে আলো নিভিয়ে বিজেপি নেতা ও পরিবারকে মারধর! দলের একাংশই জড়িয়ে? তদন্তে পুলিশ
-
‘ড্রাগনে’র গ্রাসে অরুণাচল! সীমান্ত বিবাদের মাঝেই ৪০০ প্রতিনিধি নিয়ে ভারতে আসছেন জিনপিং
-
৯ বছর সামলেছেন টাটার সাম্রাজ্য, এবার মোদি মন্ত্রিসভায় সেই ক্ষুরধার মস্তিষ্ক?