ভারতীয় ক্রিকেটে নির্বাচক কমিটিতে বদলের হাওয়া। একদিকে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরের বিদায় নিয়ে জল্পনা। অন্যদিকে, জুনিয়র দলের নির্বাচক কমিটিকেও নতুন করে সাজানোর পথে বিসিসিআই। সব ঠিক থাকলে রমেশ পওয়ারকে (Ramesh Powar) ভারতের পরবর্তী প্রধান জুনিয়র নির্বাচক হিসাবে দেখা যেতে পারে। তবে তার আগে অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের স্পিনার কোচ হিসাবে দায়িত্ব নিলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
কিছুদিনের জন্য দায়িত্ব নিয়েছেন প্রাক্তন অফস্পিনার। রবিবার রাজকোটের নিরঞ্জন শাহ স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার যুব দলের অনুশীলনে হাজিরও ছিলেন তিনি। অজি দলের তরুণ স্পিনারদের পরামর্শও দেন পওয়ার। শনিবার অস্ট্রেলিয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। বুধবার ভারতের বিরুদ্ধে শেষ যুব ওয়ানডে পর্যন্ত দলের সঙ্গে থাকবেন। শুক্রবার সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারত ৭ রানে জিতেছে। পরের দু’টি ম্যাচ সোমবার ও বুধবার।
রবিবার রাজকোটের নিরঞ্জন শাহ স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার যুব দলের অনুশীলনে হাজিরও ছিলেন তিনি। অজি দলের তরুণ স্পিনারদের পরামর্শও দেন পওয়ার।
নতুন দায়িত্ব পেয়ে তিনি বলেন, “কয়েক মাস আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া আমাকে তরুণ স্পিনারদের সঙ্গে কয়েক দিন কাজ করার প্রস্তাব দেয়। সেখানে ওদের পরামর্শ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। এর আগেও আমি অস্ট্রেলিয়ার স্পিনারদের কোচিং করিয়েছি। তাই তরুণ স্পিনারদের কীভাবে সাহায্য করতে পারি, সেটা ওরা জানে।”
অন্যদিকে, বিসিসিআইয়ের জুনিয়র নির্বাচক পদেও আবেদন করেছেন পওয়ার। তবে এখনও তাঁর সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়নি। শুক্রবার বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভার পরে সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছিলেন, প্রার্থীদের প্রাথমিক ভাবে বাছাই করা হচ্ছে। তার পরে ক্রিকেট অ্যাডভাইজারি কমিটি সাক্ষাৎকার নিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষ করবে। ভারতীয় মহিলা দলের প্রাক্তন কোচ পওয়ার গত তিন মরশুম গুজরাটের কোচ ছিলেন। ২০২১ সালের মার্চে তাঁর কোচিংয়েই বিজয় হাজারে ট্রফি জিতেছিল মুম্বই।
ভারতীয় মহিলা দলের প্রাক্তন কোচ পওয়ার গত তিন মরশুম গুজরাটের কোচ ছিলেন। ২০২১ সালের মার্চে তাঁর কোচিংয়েই বিজয় হাজারে ট্রফি জিতেছিল মুম্বই।
নতুন জুনিয়র নির্বাচক কমিটিতে পাঁচটি পদ পূরণের জন্য আবেদন চেয়েছে বোর্ড। কোচিং শিবির থেকে শুরু করে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট– সব ক্ষেত্রেই বয়সভিত্তিক ভারতীয় দল বেছে নেওয়ার দায়িত্ব থাকবে নির্বাচকদের। পাশাপাশি প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের নিয়ে শক্তিশালী ‘পুল’ তৈরি করাও তাঁদের অন্যতম কাজ। বোর্ডের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখে ক্রিকেটারদের চিহ্নিত করবেন নির্বাচকেরা। কোন ক্রিকেটারকে কীভাবে কোচিং শিবির, ঘরোয়া দল কিংবা আন্তর্জাতিক দলে সুযোগ দেওয়া যায়, তা নিয়েও বিশ্লেষণ করতে হবে তাঁদের। শুধু দল নির্বাচন নয়, জুনিয়র ক্রিকেটারদের জন্য প্রতিযোগিতা আয়োজন থেকে শুরু করে বিদেশ সফরের ব্যবস্থাও থাকবে দায়িত্বের মধ্যে।
এই দায়িত্বে পওয়ারের অভিজ্ঞতাই তাঁকে এগিয়ে রাখছে বলে খবর। গত বছর গুজরাটের কোচ ছিলেন তিনি। তার আগে দু’দফায় ভারতীয় মহিলা দলের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। দ্বিতীয় দফায় তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে বোলিং কোচ হিসাবে কাজ করেন পওয়ার। ভিভিএস লক্ষ্মণের অধীনেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। ভারতীয় দলের হয়ে দু’টি টেস্ট এবং ৩১টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জিমন্যাস্টিক্সে ফাইনালে প্রণতি নায়েক, অব্যবস্থার শিকার, একার লড়াইয়েও চমক বঙ্গকন্যার
-
সাংসদ যেন কৃষক! নিজের বাড়িতে করম পুজোয় মাতলেন জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো
-
‘বন্ধুত্বে’র প্রতিদান! মুকুন্দপুরে মমতাপন্থীদের ‘আক্রান্ত’ হওয়ার প্রতিবাদ কংগ্রেসের, সুগম জোটের পথ?
-
চৈতন্য ও সুলক্ষণা, ২ হস্তিশাবকের নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন এই নাম? জানালেন নিজেই
-
এবিভিপি-টিএমসিপি সংঘর্ষের জের! ১ মাস বন্ধ বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল! বেরিয়ে গেলেন ছাত্ররা