সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইপিএলের প্রথম মরশুমে শ্রীসন্থকে সপাটে চড় কষিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন হরভজন সিং। সেই সময় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে খেলতেন তিনি। ঘটনার ১৮ বছর পর ‘স্ল্যাপগেট’ বিতর্কের না দেখা একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এনেছিলেন ললিত মোদি। এবার সেই চড়কাণ্ডের ‘নতুন’ ভিডিও নিয়ে পালটা ক্ষোভ উগরে দিলেন হরভজন সিং।
এটা ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে’ই করা হয়েছে বলে ললিত মোদির সমালোচনা করেন ভাজ্জি। একটি সংবাদমাধ্যমকে হরভজন বলেন, “যেভাবে ভিডিওটি ফাঁস হয়েছে, তার কোনও অর্থ নেই। এটা হওয়া উচিত ছিল না। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই এটা করা হয়েছে। ১৮ বছর আগের ঘটনা মানুষ ভুলে গিয়েছে। কিন্তু আচমকাই সেই সব পুরনো কথা মানুষকে মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”
মিস্টার টারবনেটরের সংযোজন, “যা ঘটেছে তার জন্য অনুশোচনা রয়েছে। এরজন্য লজ্জিত। কিন্তু ভিডিওটি যেভাবে ভাইরাল হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক। বহুবার বলেছি, আমি ভুল করেছি। মানুষ ভুল করে। আমিও ভুল করেছি। ভগবান গণেশের কাছে প্রার্থনা, যদি আবারও ভুল করে থাকি, তিনি যেন ক্ষমা করে দেন।”
বিয়ন্ড২৩ ক্রিকেট পডকাস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ললিত মোদি সেই ফুটেজটি শেয়ার করেন। যা এতদিন না দেখা ছিল। ফুটেজ দেখানোর আগে ললিত বলেন, “খেলা শেষ হয়ে গিয়েছিল। ক্যামেরাও বন্ধ ছিল। আমার একটি সিকিউরিটি ক্যামেরা চালু ছিল। সেখানেই শ্রীসন্থ আর ভাজ্জির ঘটনাটির ভিডিও রেকর্ড হয়। ভাজ্জি উলটো হাতে সপাটে চড় মারে শ্রীসন্থকে। এতদিন এই ভিডিও আমি প্রকাশ্যে আনিনি। ১৮ বছর পর এটা সমক্ষে আনলাম।” ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, হরভজনের হাতে চড় খেয়ে হতচকিত শ্রীসন্থ। আর ভাজ্জি তখন রীতিমতো উত্তেজিত। দুই ক্রিকেটারকেই সামলাতে দেখা যায় সতীর্থদের। কেবল হরভজন নয়, ঘটনার এত বছর পর চড়কাণ্ডের ‘নতুন’ ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন শ্রীসন্থের স্ত্রী ভুবনেশ্বরীও।
সর্বশেষ খবর
-
ব্রেকআপ নয়, খুন! এমন মানসিকতার নেপথ্যে কী কারণ? জানালেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ
-
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে যোগ দিচ্ছে ভারত, ইরান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী?
-
বিশ্বকাপে হরমন-স্মৃতিদের ম্যাচ উপভোগ বিরাট-অনুষ্কার, ভারত হারলেও লর্ডসে ‘হিট’ বিরুষ্কা মোমেন্ট
-
বসের আদেশে টাকা পাঠাতেই গায়েব ৩.৫ কোটি! কেমন করে নিজেকে বাঁচাবেন সাইবার প্রতারণার কবল থেকে?
-
খামেনেইয়ের রক্তচক্ষু উড়িয়ে মার্কিন ব্রিগেডের সঙ্গে হ্যান্ডশেক! বিশ্বকাপ বিদায়ের পর চর্চায় ‘শান্তিপ্রিয়’ ইরান