T20 WC

বিশ্বকাপ থেকেই বাদ, বড় আর্থিক জরিমানা! ভারতে না এলে চাপে পড়বে বাংলাদেশই

মুস্তাফিজুর কাণ্ডে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েনের আঁচড় স্পষ্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৬:৩৬

options
link
বিশ্বকাপ থেকেই বাদ, বড় আর্থিক জরিমানা! ভারতে না এলে চাপে পড়বে বাংলাদেশই

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের নির্দেশ মেনে নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে দল পাঠাবে না বাংলাদেশ। রবিবার দুপুরে ১৭ জন বোর্ড পরিচালককে নিয়ে বিসিবি’র সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রশ্ন হল বাংলাদেশ যদি ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না আসে, তাহলে কী হবে? সহজ উত্তর, এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য আত্মঘাতী হতে পারে।

Advertisement

বিসিসিআইয়ের নির্দেশে এবছর আইপিএল খেলা হবে না মুস্তাফিজুর রহমানের। তারপর থেকে এই বিষয়ে সুর চড়া করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এমনকী ঘুরপথে ‘প্রতিহিংসা’ চরিতার্থ করার চেষ্টা শুরু করে তারা। মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার ‘বদলা’ হিসাবে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। এরপর কিছু প্রশ্ন উঠছে। প্রথমত, বিসিসিআইয়ের মতো শক্তিশালী বোর্ডের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে বাংলাদেশ। দুই, ভারতে খেলতে আসার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে আইসিসিতে চিঠি দিতে চলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এটা কি আদৌ ফলপ্রসূ হতে চলেছে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এখন আইসিসির চেয়ারম‍্যান ভারতের জয় শাহ। তিনি একই সঙ্গে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পুত্রও। ফলে বাংলাদেশ যদি আইসিসি’র দ্বারস্থ হয়, তাতেও কতটা লাভ হবে সংশয় থাকছে। উলটে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেলতে চাইলে তাঁদের বাদ দিয়েও বিশ্বকাপ করার পরিকল্পনা করা হতে পারে। কারণ, বাংলাদেশ আর যা-ই হোক পাকিস্তানের মতো প্রভাবশালী দল নয়। এক্ষেত্রে ভারতে না আসার সিদ্ধান্ত থেকে পাল্টি খাওয়ার নেপথ্যে আইসিসি’কে নিয়ে সুপ্ত ভয় থাকার কথা বিসিবি’র। প্রশ্ন হল, তাহলে কি বাংলাদেশের বিকল্প দল নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের ব্যাপারে সিলমোহর দেবে ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা? তা যদি হয়, বিরাট আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ।

Advertisement

আগামী মাসে বিশ্বকাপ। তার আগে মুস্তাফিজুর কাণ্ডে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েনের আঁচড় স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে ইতিমধ্যেই ভারতে আসতে অস্বীকার করেছে পদ্মাপাড়ের দেশ। পাকিস্তানের মতো তারাও এই একই পথে হেঁটে শ্রীলঙ্কায় খেলতে চাইছে। কিন্তু রাতারাতি বাংলাদেশের জন্য হাইব্রিড মডেলের ভাবনা সম্ভব নয়। সম্ভব নয় বিশ্বকাপের সূচি বদলও। মাত্র এক মাস পর বিশ্বকাপ। বাংলাদেশের এতগুলি ম্যাচ সরানো পদ্ধতিগতভাবে অসম্ভব। তাদের বিমান ভাড়া, হোটেল সব বুক হয়ে গিয়েছে। আরও একটা সমস্যা হল নতুন করে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ সরালে সম্প্রচারে একটা বড় সমস্যা হবে। তাছাড়াও বিশ্বকাপে না আসায় শাস্তি হিসাবে বড়সড় আর্থিক জরিমানার মুখেও পড়তে পারে বিসিবি। এক্ষেত্রে সম্প্রচার এবং স্পনসরশিপ চুক্তির মূল্যও হ্রাস পাবে।

উল্লেখ্য, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচের তিনটি খেলবে কলকাতায়। এর মধ্যে ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৯ ফেব্রুয়ারি ইটালি, ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড বিরুদ্ধে নামার কথা মুস্তাফিজুরদের। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিরুদ্ধে তাদের খেলা। এখন দেখার পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.