Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Lohagad Fort

‘সিয়ার ধাক্কায় কোথায় মরেছিল কেতন?’ হত্যাকাণ্ডের পরেই লোহাগড় কেল্লায় ৫০% পর্যটক বৃদ্ধি

কেল্লা রক্ষণাবেক্ষণকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ছুটির দিনে যেখানে গড়ে ১০০০ পর্যটক আসেন, হত্যাকাণ্ডের পর সেই সংখ্যাটা ১৫০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ২১:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ২১:৩১

options
link
‘সিয়ার ধাক্কায় কোথায় মরেছিল কেতন?’ হত্যাকাণ্ডের পরেই লোহাগড় কেল্লায় ৫০% পর্যটক বৃদ্ধি zoom
কেতনকে খুনের অভিযোগ বাগদত্তা সিয়ার বিরুদ্ধে।
Advertisement

দশম শতাব্দীর কেল্লা। কিংবদন্তি ছত্রপতি শিবাজীর স্মৃতিবিজড়িত। ইউনেস্কো-স্বীকৃত স্থান। স্থানীয় মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপরি পাওনা। ২-৩ ঘণ্টার সহজ ট্রেকিংয়ের জন্যও জনপ্রিয়। কিন্তু আচমকা মহারাষ্ট্রের সেই ঐতিহাসিক কেল্লায় পর্যটকের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে সম্প্রতি। কেন? আসলে সকলেই দেখতে চাইছেন— ঠিক কোন জায়গাটায় কেতন অগরওয়ালকে ধাক্কা দিয়ে খুন করেছে বাগদত্তা সিয়া গোয়েল ও প্রেমিক চেতন চৌধুরী!

লোহতমিয়া রাজবংশের আমলে তৈরি লোহাগড় কেল্লা। গত সপ্তাহে দেশজুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছিল সেখানে প্রি-ওয়েডিং শুটে খুনের ঘটনা। ওই কাণ্ডের পরেই ঐতিহাসিক কেল্লায় পর্যটকের সংখ্যা ৫০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে বলে একাধিক সূত্রে দাবি। কেল্লা রক্ষণাবেক্ষণকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ছুটির দিনে যেখানে গড়ে ১০০০ পর্যটক আসেন, হত্যাকাণ্ডের পর সেই সংখ্যাটা ১৫০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, কাজের দিনে গড়ে ৪০০ লোক আসেন, তা এখন ৬০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

Advertisement

লোহগড় কেল্লায় আসা পর্যটকদের অনেকেই জানাচ্ছেন, ঐতিহাসিক কেল্লা দেখতে এসেছি। কিন্তু ওই জায়গাটাও দেখতে চাই, যেখান ফেলে দেওয়া হয়েছে কেতনকে। এক পর্যটক বলেন, “আসলে আমাদের ভিসাপুর কেল্লায় ট্রেকিংয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু কেতন অগরওয়ালের মর্মান্তিক ঘটনা পুরো মহারাষ্ট্রজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তাই দেখতে চেয়েছিলাম, আসলে কী ঘটেছিল এবং কোথায় ঘটেছিল।” কেল্লা দেখতে আসা আরও এক যুবকের বক্তব্য, পুণেতে এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। ভাবলাম সম্প্রতি খবরে থাকা কেল্লাটাও একবার দেখে যাই।

উল্লেখ্য, লোনাভেলার সহ্যাদ্রি পাহাড়ের লোহাগড় কেল্লা আক্ষরিক অর্থেই ‘লোহার গড়’। বহু যুদ্ধের সাক্ষী। একসময় রাজা, মহারাজা এবং যোদ্ধার পা পড়েছে। দুর্গের চারটি দরজা। হনুমান, গণেশ, নারায়ণ এবং মহাদরজা। দেওয়ালে পাথরের সূক্ষ্ম কাজ। মারাঠি স্থাপত্যের চিহ্ন দরজায়। পুণে থেকে ৫২ কিলোমিটার দূরে টিকিট কাউন্টার। সেখান থেকেই শুরু হয় ট্রেকিং। যাত্রাপথ সুন্দর ও রোমাঞ্চকর। বর্ষায় দুর্গম। যেকোনও মুহূর্তে পা পিছলে খাদে পড়ার আশঙ্কা থাকে। কেতন অগরওয়ালের হত্যাকাণ্ডের পর এই কেল্লায় পর্যটকের সংখ্যা হুহু করে বাড়ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.