পরপর দুটো ম্যাচে হার। তার থেকেও বড় কথা হল, কেকেআরকে বড্ড দিশেহারা দেখাচ্ছে। ওয়াংখেড়েতে ২২০ রান তোলার পর হারতে হয়েছে। ইডেনে আবার ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ব্যাটাররা চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সোমবার ঘরের মাঠে সামনে পাঞ্জাব কিংস। গতবারের ফাইনালিস্ট। তাছাড়া টিমের ব্যালান্স অসম্ভব ভালো। অজিঙ্ক রাহানেরা খুব ভালো করেই জানেন, ম্যাচটা তাদের জন্য ঠিক কতটা কঠিন হতে চলেছে। দুটো ম্যাচের পরও কম্বিনেশন নিয়ে চূড়ান্ত ধাঁধায় কেকেআর ম্যানেজমেন্ট। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে, ক্যামেরন গ্রিনের বোলিং না করা। সেটাই টিমের ভারসাম্য একেবারে ঘেঁটে দিয়ে গিয়েছে। যার ফলে কেকেআরকে একজন বাড়তি বোলার খেলাতে হচ্ছে। সেটা করতে গিয়ে আবার ব্যাটিং গভীরতা অনেকটা কমে গিয়েছে।
রাহানে বলছেন, প্রথম দুটো-তিনটে ম্যাচে প্রায় সব টিমকেই কম্বিনেশন নিয়ে অসুবিধের মধ্যে পড়তে হয়। একইসঙ্গে তিনি এটাও স্বীকার করেছেন, গ্রিন যতক্ষণ না বোলিং শুরু করছেন, ততক্ষণ এই সমস্যা নিয়েই চলতে হবে। রাহানের কথায়, “গ্রিন বোলিং করতে শুরু করলেই দেখবেন কম্বিনেশন নিয়ে আর অসুবিধে হচ্ছে না। এখন আমাদের একজন বাড়তি বোলার খেলাতে হচ্ছে। কারণ তিনজন পেসার আর দু’জন স্পিনার নিয়ে নামাটা ঝুঁকির হয়ে যাবে। একজন কারও অফ | ফর্ম গেলে বিকল্প থাকবে না।”
প্রশ্নের সুনীল গাভাসকর আবার একটা পারমর্শ দিয়ে রাখছেন কেকেআরকে। গাভাসকর বলছেন, গ্রিন যদি বোলিং না করে, তাহলে কেকেআরের উচিত একজন স্পেশালিস্ট ব্যাটার খেলানো। ব্রডকাস্টার চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে গাভাসকর বলেন, “কেকেআরের উচিত নিজেদের কম্বিনেশন নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করা। যদি গ্রিন বোলিং না করে, তাহলে একজন স্পেশালিস্ট ব্যাটারকে খেলানোর কথা ওরা ভাবতে পারে।”
কেকেআর যে ভাবনা-চিন্তা করছে না, সেটা নয়। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারের পর কেকেআর অধিনায়কের কথা শুনে একটা ব্যাপার পরিষ্কার-তাঁরা কম্বিনেশন নিয়ে নতুন করে পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু মুশকিল হল, চোট-আঘাত সমস্যা কেকেআরকে এবার এতটাই ভোগাচ্ছে যে তারা বুঝতে পারছে না, কার জায়গায় কাকে খেলানো হবে। একটা বিকল্প থাকছে। জিম্বাবোয়ের পেসার মুজারবানির জায়গায় রভম্যান পাওয়েলকে খেলানো। সেটা করতে হলে পেস-অ্যাটাক আরও কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়বে। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মুজারাবানি খারাপ বোলিং করেননি। চারটে উইকেট নিয়েছিলেন। সমস্যা আরও আছে বরুণ চক্রবর্তী, যাঁকে স্পিন অ্যাটাকের বড় স্তম্ভ হিসেবে দেখা হচ্ছিল, তিনি চূড়ান্ত অফ ফর্মের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি এমন হয়েছে, ইডেনে তাঁকে দু’ওভারের বেশি বোলিং করানোর সাহস দেখাতে পারেননি রাহানে।
সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টের শুরুতেই হাজারো একটা সমস্যার মধ্যে টিম কেকেআর। রাহানেরা এখন এই পরিস্থিতি থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসে, সেটাই দেখার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে