KKR

প্রথম জয়ের পর আবেগের বিস্ফোরণ, অঝোরে কান্না রিঙ্কুর, চোখের জলে ভাসল কেকেআর

টানা ব্যর্থতার পর একটা জয় যে কত আবেগ সৃষ্টি করতে পারে, সেটা কেকেআর ড্রেসিংরুমকে দেখলেই বোঝা যাবে।

Advertisement
আলাপন সাহা
আলাপন সাহা

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১৪:১৩

options
link
প্রথম জয়ের পর আবেগের বিস্ফোরণ, অঝোরে কান্না রিঙ্কুর, চোখের জলে ভাসল কেকেআর
রবিবার সেই রিঙ্কুই জেতালেন। আবেগে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। ছবি: সংগৃহীত।

টানা ব্যর্থতার পর একটা জয় যে কত আবেগ সৃষ্টি করতে পারে, সেটা কেকেআর ড্রেসিংরুমকে দেখলেই বোঝা যাবে। ছ’টা ম্যাচে পাঁচটায় হার। যে এক পয়েন্ট এসেছিল, সেটাও বৃষ্টির দৌলতে! সাত নম্বর ম্যাচে এসে অবশেষে জয়! যার পর কেকেআর ড্রেসিংরুমে অনেকেই কাঁদলেন। ২০২৪-এ ট্রফি জয়ের পরও টিম এতটা আবেগে ভেসে যায়নি, যতটা রবিবার ইডেনে জেতার পর ঘটল।

Advertisement

ম্যাচের পর রিঙ্কু সিং অঝোরে কাঁদলেন। আসলে ব্যর্থতার চাপটা তাঁর উপরও ছিল। রান পাচ্ছিলেন না। রবিবার সেই রিঙ্কুই জেতালেন। আবেগে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। ম্যাচের পর প্রেস কনফারেন্সে এসে বরুণ চক্রবর্তী সে’সব বলেও গেলেন। এই জয় শুধু কেকেআরকে স্বস্তি দিল না, স্বস্তি দিল বরুণকেও! গত দু’-আড়াই মাস ধরে যিনি চরম অফ ফর্মের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। রবিবার ইডেন দেখল সেই চেনা বরুণকে। যাঁর স্পিনের জালে আটকে গেল রাজস্থান রয়‍্যালস। বরুণ বলছিলেন, “এই জয়টা টিমের জন্য প্রচণ্ড গুরুত্বপূর্ণ। জেতার পর ড্রেসিংরুমে অনেকের চোখে জল দেখেছি। ২০২৪-এ আইপিএল জেতার পরও এতটা আবেগ ছিল না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বরুণ নিজে খারাপ ফর্মের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। যদিও ভারতীয় স্পিনার নিজে সেটা একেবারেই মানতে চাইলেন না। বলছিলেন, এর আগে যে সব উইকেটে খেলতে হয়েছে, সেখানে স্পিনারদের জন্য খুব একটা কিছু ছিল না। বরুণের কথায়, “দেখুন আজ তিন উইকেট নিয়েছি বলেই বেশি কিছু বলব, তেমনটা নয়। এটা ক্রিকেটের অঙ্গ। পরের ম্যাচে যদি পিচে কিছু না থাকে (অর্থাৎ পাটা উইকেট), তাহলে দেখবেন আবার স্পিনারদের কিছু করার থাকছে না।

Advertisement

রহস্য স্পিনারের কথায়, “শুরুর দিকের কথা যদি বলেন, তাহলে সব স্পিনারদের একইরকম সমস্যায় পড়তে হয়েছে। এখন উইকেট একটু স্লো হয়েছে। স্পিনাররা কার্যকর হচ্ছে। আর আমার পরিকল্পনা খুব পরিষ্কার। পিচ থেকে সাহায্য পেলে, নিজের স্ট্রেংথে ফিরে যাই। আমার শক্তিই হল স্টাম্প অ্যাটাক করে বোলিং করা। পিচে যখন একেবারে পাটা থাকে, তখন বোলাররাও বুঝতে পারে না কী করবে। এটা সবার ক্ষেত্রেই হয়। তাই একটা ম্যাচের ভালো পারফরম্যান্স কিংবা একটা ম্যাচের খারাপ পারফরম্যান্স দিয়ে কাউকে বিচার করা যায় না।” প্রসঙ্গত, নাইটদের পরের ম্যাচ আগামী রবিবার, লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.