Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ভোট শহরে! ঘুঁটি সাজাচ্ছে লালবাজার

এখনও পর্যন্ত কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ১০৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওই বাহিনী প্রত্যেকদিন সকাল ও সন্ধ্যায় সারা শহর জুড়েই রুট মার্চ করছে। কলকাতার ছোট ছোট অঞ্চলে শুরু হয়েছে 'কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার' বা সিবিএম।

Advertisement
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১৫:৪৫

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১৫:৪৫

options
link
২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ভোট শহরে! ঘুঁটি সাজাচ্ছে লালবাজার zoom
ফাইল ছবি।

ভোট (West Bengal Assembly Election) সামলাতে কলকাতায় এসে পৌঁছতে পারে প্রায় দুশো কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনই ধারণা লালবাজারের। শহরের স্কুল ছাড়াও ওই বিপুল ভোট সামলাতে সংখ্যক বাহিনীকে কোন কোন কমিউনিটি হলে রাখা হবে, তা নিয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা করছে লালবাজার।

এখনও পর্যন্ত কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ১০৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওই বাহিনী প্রত্যেকদিন সকাল ও সন্ধ্যায় সারা শহর জুড়েই রুট মার্চ করছে। কলকাতার ছোট ছোট অঞ্চলে শুরু হয়েছে ‘কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার’ বা সিবিএম। ভোটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় ঘুরছেন পুলিশকর্তারা। তাঁদের সঙ্গেও থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। টাকা উদ্ধার থেকে শুরু করে কোনও গোলমাল হলে পুলিশের সঙ্গে সেই
ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা নিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আবার শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরছে সিআরপিএফের বুলেটপ্রুফ সাঁজোয়া গাড়িও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৫২ কেন্দ্রে নির্বাচন। তাই এই ১০৫ কোম্পানির মধ্যে বেশিরভাগ কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই কলকাতা থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জেলাগুলিতে। তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করছে জেলা প্রশাসন। ২৯ এপ্রিল কলকাতায় ভোট। ২৩ এপ্রিলের পর থেকেই কলকাতায় ফিরে আসবে এখান থেকে জেলায় যাওয়া কেন্দ্রীয় বাহিনী। এ ছাড়াও আরও বাহিনী এসে পৌঁছবে কলকাতায়। লালবাজারের কর্তাদের মতে, অন্তত দুশো কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বা আধাসেনা কলকাতায় আসতে পারে। এমনকী, নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন বোধ করলে আড়াইশো কোম্পানি পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীও আসতে পারে।

লালবাজারের কর্তাদের মতে, অন্তত দুশো কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বা আধাসেনা কলকাতায় আসতে পারে। এমনকী, নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন বোধ করলে আড়াইশো কোম্পানি পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীও আসতে পারে।

লালবাজারের এক কর্তা জানান, এই বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনীকে শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে মোতায়েন করার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। তার জন্য যেমন শহরের স্কুলগুলিকে বেছে নেওয়া হচ্ছে, তেমনই বেছে নেওয়া হচ্ছে শহরের কমিউনিটি হল, এমনকী, বিয়েবাড়িও। তার আগে প্রত্যেক থানার আধিকারিকরা নিজেদের এলাকার স্কুল, কমিউনিটি হলগুলিতে গিয়ে খতিয়ে দেখছেন, সেখানে বাথরুম, জল, বিদ্যুতের কী কী সুবিধা রয়েছে। এ ছাড়াও বাহিনীর রান্নার জন্য যাতে পর্যাপ্ত জায়গা ও জল থাকে, তা দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে দু’টি ঘর কন্ট্রোল রুম ও অস্ত্রাগার হিসাবে ব্যবহার করা হবে। এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর পদস্থ কর্তাদেরও থাকতে হচ্ছে বাহিনীর জওয়ান ও অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গেই। কোম্পানির দায়িত্বে থাকা অ্যাসিস্ট্যান্ট কম্যান্ডান্ট, ডেপুটি কম্যান্ডান্টদের থাকার জন্য আলাদা কয়েকটি ঘরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেই ঘরগুলিতে আলাদা বিছানা ও অন্যান্য সুবিধার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। ২৩ এপ্রিলের পর থেকে শহরের প্রত্যেকটি অলিগলিতেও যাতে রুট মার্চ হয়, সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.