CJP Protest

সাম্প্রদায়িক অশান্তির চক্রান্ত! ছাত্রদের সমর্থন করেও ‘ককরোচ’দের নিয়ে সাবধানবাণী লক্ষ্মীর

'ছাত্রছাত্রীদের পাশে আছি। কিন্তু যারা ধর্মের রাজনীতি করে, সেই বেইমানদের পাশে নেই,' বলছেন লক্ষ্মী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২৬, ১৬:৫৮

options
link
সাম্প্রদায়িক অশান্তির চক্রান্ত! ছাত্রদের সমর্থন করেও ‘ককরোচ’দের নিয়ে সাবধানবাণী লক্ষ্মীর
ককরোচদের আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা।

নিট প্রশ্নফাঁসে কেন্দ্রীয় শিক্ষমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলনে (CJP protest) শোরগোল দেশে। অনেকের মতে, ছাত্রদের প্রতিবাদের মঞ্চ এখন রাজনৈতিক আন্দোলনের মঞ্চ হয়ে গিয়েছে। এবার সেই নিয়ে মুখ খুললেন বাংলা ক্রিকেট দলের কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা। তাঁর সাফ বক্তব্য, পড়ুয়াদের দাবিদাওয়ার পাশে আছেন। কিন্তু মানুষ যেন ককরোচদের ফাঁদে যেন পা দেন। লক্ষ্মীর মতে, ককরোচের আন্দোলনে ভগবান রামকে অপমান করা হয়েছে। যাঁরা দেশে সাম্প্রদায়িক অশান্তি বাঁধানোর পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের থেকে সাবধান থাকা উচিত।

Advertisement

সোশাল মিডিয়ায় ভিডিওবার্তায় লক্ষ্মী কমেডিয়ান কুণাল কামরার একটি বক্তব্য শেয়ার করেন। যেখানে ককরোচ জনতা পার্টির মঞ্চ থেকে কুণাল ‘সীতার পতি’র মতো শব্দ ব্যবহার করেন। সেটার প্রতিবাদ করে বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেন, “নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস খুব খারাপ ঘটনা। অন্যায় সবসময় অন্যায়ই হয়। যারা করেছে, তাদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। আমরা সেটাই চাই। কিন্তু এই মঞ্চ ছাত্রদের প্রতিবাদের জন্য বানানো হয়েছিল। রাজনীতির জন্য নয়। ওখানে আপনারা ‘সীতার পতি’র মতো বক্তব্য রাখা হচ্ছে। আপনাদের কি মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে? আপনাদের মাথা কি নর্দমার মতো নোংরা হয়ে গিয়েছে?”

Advertisement

তারপরই লক্ষ্মীর তোপ, “আপনারাই দেশে ঝামেলা বাঁধানোর মুখপাত্র। আপনারা হিন্দু-মুসলিম-শিখদের মধ্যে লড়াই বাঁধাচ্ছেন। এটা অন্যায়। আমি ভারত সরকারের কাছে আবেদন করছি, এঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এটা ভারত। এখানে সবাই একসঙ্গে থাকে। আপনারা এখানে নোংরামি করবেন না। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, এঁদের বাড়তে দেবেন না। আমরা হয়তো দিল্লি যেতে পারছি না। তবে আমরা ছাত্রছাত্রীদের পাশে আছি। কিন্তু যারা ধর্মের রাজনীতি করে, সেই বেইমানদের পাশে নেই।”

Advertisement

এর সঙ্গে ওই ভিডিওর ক্যাপশনে লক্ষ্মী লিখেছেন, ‘আমরা ছাত্রদের সমর্থন করছি। কিন্তু আরশোলাদের থেকে দূরে থাকুন। কারণ তাঁরা মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।’ উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে ‘আরশোলা’দের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনায় বসেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। গোটা রাত অবস্থান বিক্ষোভ চালানো হবে জানিয়ে ছিলেন তিনি। এরপরই দিল্লি পুলিশ আটক করে কংগ্রেস নেতাকে। বেশ কয়েক ঘণ্টা পর ছত্রসাল স্টেডিয়াম থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কাকে আটক করে মন্দির মার্গ থানায় রাখা হয়েছিল। তাঁকেও মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সোমবার পুলিশ-সিজেপি সমর্থকদের খণ্ডযুদ্ধের পর আটক করা আরও ৭০ জন মঙ্গলবার ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.