ঘরোয়া ক্রিকেটে আজও তিনি ভরসার অন্য নাম। প্রতি ম্যাচে নিজেকে প্রমাণ করে চলেছেন। আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বোলিং বিভাগকে নেতৃত্ব দেবেন মহম্মদ শামি। কিন্তু জাতীয় দলে এখনও ব্রাত্য। তাহলে কি অবসরের কথা ভেবে ফেলেছেন তারকা পেসার? আইপিএল অভিযান শুরুর আগেই অবসর নিয়ে মুখ খুললেন শামি।
আরও পড়ুন:
সাদা বলের ক্রিকেটে গত এক দশকে বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার তিনি। বিশেষত ওয়ানডে ফরম্যাটে বড় মঞ্চে জ্বলে ওঠাটা যেন তাঁর কাছে জলভাত। বাংলাকেও বারবার বিপদ থেকে উদ্ধার করেছেন। জাতীয় নির্বাচকরা এখনও তাঁর দিকে মুখ তুলে তাকাতে নারাজ। তবে শামি হাল ছাড়ছেন না। অবসর জল্পনা উড়িয়ে এখনও মনের মধ্যে জাতীয় দলের ফেরার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে চান তিনি।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে বলেন, “যখন আমার ক্লান্ত লাগে, আমি ছুটি নিই। কিন্তু অবসর নিয়ে একদম ভাবি না। এই ধরনের ভাবনা তোমাকে পিছনে টেনে ধরে। যদি তোমার মনে এরকম ভাবনা আসে, তাহলে বুঝতে হবে তুমি ইতিমধ্যে ক্লান্ত। তার মানে তুমি হতাশ। আমি আগেও বলেছি, যেদিন আমি ঘুম থেকে ক্লান্ত বোধ করব, সেদিন আমি ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়াব। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমি ক্লান্ত নই। কিংবা আমি এখনও কুঁড়ে হইনি। আমি এখনও খেলা উপভোগ করছি। তার ফলাফল ভালোই আসছে।”
আপাতত কী লক্ষ্য ৩৫ বছর বয়সি বোলারের? শামি বলছেন, “আমি একশো শতাংশ দিতে তৈরি। আমি জানি আমার কী দায়িত্ব, আমার কাছে মানুষের কী প্রত্যাশা। কিন্তু ভাগ্য তো বদলাতে পারব না। লখনউ আমাকে ভরসা করেছে। আমি নিজের সবটা দেব। যখনই খেলি, আমার মূল লক্ষ্য থাকে উপভোগ করা। কত ম্যাচ খেলেছি, সেসব নিয়ে ভাবি না। ভাবি নিজের ছন্দে আছি কি না। সেটা যদি ঠিক থাকে, তবেই ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবি।” উল্লেখ্য, বছর খানেক আগে ভারতকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতাতেও বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। পুরো ফিট না হয়েও প্রতিযোগিতায় নেনে ৯ উইকেট। তবে তারপর থেকেই জাতীয় দলে ব্রাত্য শামি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক