টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
T20 World Cup

ভারতের মরণবাঁচন ম্যাচে বিশেষ উদ্যোগ চিপকে, আমেরিকা থেকে আসছে রাসায়নিক স্প্রে

এই ম্যাচেও পিচ তো বটেই, বড় ভূমিকা নিতে পারে শিশিরও। জানা যাচ্ছে, শিশিরের দাপট এড়াতে আমেরিকান রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করা হচ্ছে চেন্নাইয়ে চিপক স্টেডিয়ামে। যার পোশাকি নাম 'ডিউ কিউর'। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৩:১৫

options
link
ভারতের মরণবাঁচন ম্যাচে বিশেষ উদ্যোগ চিপকে, আমেরিকা থেকে আসছে রাসায়নিক স্প্রে
চিপকে অনুশীলনে টিম ইন্ডিয়া। প্রতীকী ছবি।

বিশ্বকাপে (T20 World Cup) পিচ যে এখনও পর্যন্ত গৌতম গম্ভীরের টিমের সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করছে, তা বলাই বাহুল্য। বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে সুপার এইটের ম্যাচে ভারতের প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে। চিপকের ম্যাচটি মরণবাঁচন। এই ম্যাচেও পিচ তো বটেই, বড় ভূমিকা নিতে পারে শিশিরও। জানা যাচ্ছে, শিশিরের দাপট এড়াতে আমেরিকান রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করা হচ্ছে চেন্নাইয়ে চিপক স্টেডিয়ামে। যার পোশাকি নাম ‘ডিউ কিউর’। 

Advertisement

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন আগে থেকেই এর ব্যবস্থা করে রেখেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিয়ে আসা হয়েছে বিশেষ এই পদ্ধতি। বিশ্বকাপ শুরুর আগে যখন নতুন করে আউটফিল্ড বসানোর কাজ চলছিল, সেই সময় ‘ডিউ কিউর’ নামে এক রাসায়নিক কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। যা রাসায়নিক ঘাসের উপর আর্দ্রতা জমতে দেয় না। মাঠও শুকনো থাকে। ফলে রাতের ম্যাচ গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বল ভিজে যাওয়ার যে সমস্যা থাকত, তা অনেকটাই কমে যায়। মেজর লিগ বেসবলেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে’র প্রতিবেদন অনুসারে, মঙ্গল ও বুধবার এই রাসায়নিক স্প্রে করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলেও এর পুনরাবৃত্তি হবে। গোটা কাজটিই করা হচ্ছে নির্দিষ্ট মাপ ও অনুপাতে। যাতে ঘাসের কোনও ক্ষতি না হয় এবং একই কার্যকারিতা বজায় থাকে, সেটা সবার আগে দেখা হচ্ছে। সন্ধ্যার পর শিশির সমস্যা এতে অনেকটা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। খেলার আর্দ্রতা ৮০ এবং ৯০ শতাংশের কাছাকাছি থাকার কথা। তাই ‘ডিউ কিউর’-এর ব্যবহার অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছে মাঠ কর্তৃপক্ষের কাছে।

Advertisement

মনে করা হচ্ছে, মাঠ শুকনো থাকলে বল হাত থেকে পিছলে যাবে না। এতে বোলার এবং ফিল্ডারদের সুবিধা হবে। জানা যাচ্ছে, এই ব্যবস্থাপনায় খুশি বেশ সন্তুষ্ট টিম ম্যানেজমেন্ট। কারণ অনুশীলনে শিশিরমুক্ত পরিবেশে বোলিং বা ব্যাটিং করতে পেরেছেন ক্রিকেটাররা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.