টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
Kirti Azad

‘একটা ধর্মের ভিকট্রি ল্যাপ’, বিশ্বকাপ নিয়ে মন্দিরে যাওয়া গম্ভীরদের তুলোধোনা বিশ্বজয়ী তৃণমূল সাংসদের

টি-২০ বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে মন্দিরে গিয়েছিলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং হেডকোচ গৌতম গম্ভীর। সঙ্গে ছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহও। বজরংবলির পুজো করতে দেখা যায় তাঁদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৯:৪৭

options
link
‘একটা ধর্মের ভিকট্রি ল্যাপ’, বিশ্বকাপ নিয়ে মন্দিরে যাওয়া গম্ভীরদের তুলোধোনা বিশ্বজয়ী তৃণমূল সাংসদের
ফাইল ছবি।

টি-২০ বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে মন্দিরে গিয়েছিলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং হেডকোচ গৌতম গম্ভীর। সঙ্গে ছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহও। বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে এহেন ধর্মীয় আচরণ ঘিরে প্রশ্ন তুললেন ১৯৮৩র বিশ্বজয়ী কীর্তি আজাদ। তাঁর প্রশ্ন, এই ট্রফি ভারতের সমস্ত ধর্মাবলম্বী মানুষের। সেই ট্রফি কেন নির্দিষ্ট একটি ধর্মের উপাসনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে? বিশ্বকাপ জেতার নেপথ্যে সঞ্জু স্যামসন এবং মহম্মদ সিরাজের মতো সংখ্যালঘু ক্রিকেটারদের অবদানের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন অধুনা তৃণমূল সাংসদ কীর্তি।

Advertisement

এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ উগরে দিয়ে কীর্তি লিখেছেন, ‘ভারতীয় দলের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। ১৯৮৩ সালে আমরা কপিল দেবের নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জিতেছিলাম। সেই দলে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান সব ধর্মের ক্রিকেটার ছিলেন। আমরা ট্রফি এনেছিলাম আমাদের সকলের জন্মভূমি ভারতে। কিন্তু আজ বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে একটা নির্দিষ্ট ধর্মের ভিকট্রি ল্যাপ হচ্ছে! কেন ক্রিকেটের ট্রফি নিয়ে এহেন কাণ্ডকারখানা চলছে? এটা ভারতের ট্রফি। সূর্যকুমার যাদব বা জয় শাহর পরিবারের সম্পত্তি নয়।’

Advertisement

গম্ভীর জমানায় ভারতীয় দলের ‘টেম্পল রান’ সংস্কৃতি খুবই জনপ্রিয়। ভারতের বিভিন্ন শহরে যেসব জাগ্রত মন্দির বা দেবালয় রয়েছে, গম্ভীর নিয়ম করে সেখানে যান। পুজো-আচ্চা দেন। ক্রিকেটাররাও অনেক সময়ে সঙ্গী হন।

আহমেদাবাদে বিশ্বজয়ী ভারতীয় দলের সংখ্যালঘু সদস্যদের কথা মনে করিয়ে দিয়ে কীর্তি আরও লেখেন, ‘মসজিদ, গির্জা বা গুরুদ্বারে কেন ট্রফি নিয়ে যাওয়া হল না? সিরাজ তো ট্রফি নিয়ে মসজিদে গেল না। সঞ্জু বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার, সে তো গির্জায় ট্রফি নিয়ে গেল না। এই ট্রফি গোটা ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের, সকল ধর্মাবলম্বী মানুষের। কোনও একটা ধর্মের ভিকট্রি ল্যাপের জন্য নয়। ভারতীয় দলের লজ্জা হওয়া উচিত।’ যদিও কীর্তির এই মন্তব্যের জবাবে ভারতীয় দল বা সূর্য-গম্ভীরদের তরফে কিছু বলা হয়নি।

Advertisement

রবিবার বিশ্বকাপ জিতেছে ভারতীয় দল। সোমবার সকালেই দেখা যায়, আহমেদাবাদের হনুমান মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছেন গম্ভীর। সঙ্গে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে সূর্য এবং জয় শাহ। বজরংবলির পুজো করতে দেখা যায় তাঁদের। উল্লেখ্য, গম্ভীর জমানায় ভারতীয় দলের ‘টেম্পল রান’ সংস্কৃতি খুবই জনপ্রিয়। ভারতের বিভিন্ন শহরে যেসব জাগ্রত মন্দির বা দেবালয় রয়েছে, গম্ভীর নিয়ম করে সেখানে যান। পুজো-আচ্চা দেন। ক্রিকেটাররাও অনেক সময়ে সঙ্গী হন। কিন্তু বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে মন্দিরে গিয়ে পুজো দেওয়া, এমন দৃশ্য দেখেনি ভারতের ক্রিকেটমহল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.