গত বছরের শেষের দিকে ভারতের মাটিতেই ভারতকে টেস্ট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজ জয়ের পর ভারতকে নিয়ে রীতিমতো অসম্মানজনক মন্তব্য করেন প্রোটিয়া কোচ শুকরি কনরাড। টি-২০ বিশ্বকাপে সুপার এইটে নামার আগে ফের ভারতকে একপ্রকার হুমকি দিলেন শুকরি। তাঁর সাফ কথা, রবিবার বেশি চাপে থাকবে ভারতই। টিম ইন্ডিয়ার সব দুর্বলতা প্রকাশ করে দেবে দক্ষিণ আফ্রিকা।
এই বিষয়ে আরও খবর
শুকরি মানছেন, যে ভারত টুর্নামেন্টের ফেভারিট। কিন্তু ভারতীয় দলে একাধিক দুর্বলতা রয়েছে। তাঁর কথায়, “আমরা জানি ভারত এই গ্রুপে সেমিফাইনালে যাব, পরে ফাইনাল খেলবে সেটাই প্রত্যাশিত। তাই ওদের উপর পাহাড়প্রমাণ চাপ থাকবে। এই চাপটাকেই আমরা কাজে লাগাব। আমরা ওদের দুর্বলতা প্রকাশ করে দেব। চাপের মুখে ওদের ভুল করতে বাধ্য করব।”
গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার পর চলতি টুর্নামেন্টের ফেভারিট হিসাবে যে দুই দলকে বেছে নেওয়া যায় সেই দুই দলই রবিবার মুখোমুখি হচ্ছে। ফলে চাপ দুই দলের উপরই রয়েছে। যদিও শুকরি স্পষ্ট বলে দিচ্ছেন, চাপটা ভারতের উপর বেশি। আর সেই সুযোগে বাজিমাত করে নিতে চায় তাঁর দল। তিনি বলছেন, “বড় দলের বিরুদ্ধে খেলাটা চাপের এটা সবাই জানে। কিন্তু সেই বড় দলটা যে কী পরিমাণ চাপে থাকে, সেটা বোধহয় অনেক সময় লক্ষ্য করা হয় না।” আসলে চাপের মুখে গম্ভীরের ভারত যে মুখ থুবড়ে পড়তে পারে, সেটা ভালোই জানেন প্রোটিয়া কোচ। অতীতে টেস্ট সিরিজে ভারতকে চাপে ফেলে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। সেই নীলনকশাতেই রবিবার হাঁটতে চান।
অবশ্য ভারত নিয়ে বরাবরই কড়া কথা বলতে পছন্দ করেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ। তিনি গত বছর টেস্ট সিরিজ চলাকালীন প্রকাশ্যে বলে দেন, “ভারতীয় পায়ের তলায় রাখতে চেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।” এই কথাটি বলতে গিয়ে তিনি ব্যবহার করেছেন ইংরাজির ‘গ্রোভেল’ শব্দটি। যা বর্ণবিদ্বেষের প্রতীক। দক্ষিণ আফ্রিকায় এক সময় এই শব্দটি ব্যবহার করা হত কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের অপমান করার জন্য। সেই মন্তব্য নিয়ে রীতিমতো লেখালেখি হয় ক্রিকেট বিশ্বে।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
‘পাঠানদের বলো চৌহান আসছে’, অজয় দেবগনের গর্জনে খেপে লাল ক্ষত্রিয় পরিষদ! বিতর্ক চরমে
-
সব হারিয়ে ভাঙল ঘুম! অত্যাচারে ঘরছাড়াদের আইনি সহায়তা দিতে শুরু ‘এক ডাকে অভিষেক’
-
বারবার নোটিসেও হয়নি কাজ! শালিমার স্টেশনের বাইরের বসতিতে বুলডোজার, এলাকায় বিক্ষোভ
-
সেদ্ধ করতে গিয়ে চিড় ধরছে ডিমের খোলায়, সমাধান করবে একটিমাত্র পাতিলেবু!
-
অ্যান্টিবায়োটিক আর আগের মতো কাজ করছে না! সাধারণ সংক্রমণও কেন হয়ে উঠছে ভয়ংকর?



