BCCI

৯৭ কেজির ক্রিকেটারকে ‘ফিট’ সার্টিফিকেট, সুবিধা সিনিয়রদেরও! প্রশ্নের মুখে বোর্ডের মেডিক্যাল টিম

আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সিরিজের বিপর্যয়ের পর ভারতীয় ক্রিকেটের সবস্তরের ভূমিকাই খতিয়ে দেখছে বোর্ড। তাতেই প্রশ্নের মুখে নির্বাচক বা টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে মেডিক্যাল টিমের সমন্বয়ের অভাব।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২৬, ১৪:১৯

options
link
৯৭ কেজির ক্রিকেটারকে ‘ফিট’ সার্টিফিকেট, সুবিধা সিনিয়রদেরও! প্রশ্নের মুখে বোর্ডের মেডিক্যাল টিম
ফাইল ছবি।

ফিট ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শ্রীলঙ্কা সফর থেকে জশপ্রীত বুমরাহর ছিটকে যাওয়া। ফিট ঘোষণার পর মাঠে নেমেই ফের চোট হর্ষিত রানার। ওয়াশিংটন সুন্দর, নীতীশকুমার রেড্ডিরা যতটা সময় ফিট থাকেন, তার চেয়ে বেশি সময় যেন কাটাতে হয় মাঠের বাইরেই। কোনও ক্রিকেটার একবার চোট পেলে, সুস্থ হতে মাসের পর মাস সময় লেগে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে ভারতীয় বোর্ডের মেডিক্যাল টিম রীতিমতো প্রশ্নের মুখে।

Advertisement

আসলে আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সিরিজের বিপর্যয়ের পর ভারতীয় ক্রিকেটের সবস্তরের ভূমিকাই খতিয়ে দেখছে বোর্ড। তাতেই প্রশ্নের মুখে নির্বাচক বা টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে মেডিক্যাল টিমের সমন্বয়ের অভাব। বোর্ডের সূত্র বলছে, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে জাতীয় নির্বাচকদের সঙ্গে বিসিসিআইয়ের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের মেডিক্যাল টিম সমন্বয় সাধন করে কাজ করতে পারেনি। বিশেষ করে ভারতীয় দলের স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচের পদে সোহম দেশাইয়ের বদলে অ্যাড্রিয়ান ডে লক্সকে আনার পর সমস্যা আরও বেড়েছে।

Advertisement

বিসিসিআই সূত্রের খবর, ইয়ো ইয়ো টেস্ট সরিয়ে ব্রঙ্কো টেস্ট চালু হওয়ার পর থেকেই বেনিয়ম বেড়েছে। ব্রঙ্কো টেস্টের ক্ষেত্রে বিসিসিআইয়ের মেডিক্যাল টিম ৫.১৫-৫.২০ মিনিটে সবকটি টাস্ক শেষ করার ডেডলাইন ঠিক করেছিল। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেটার বেনিয়ম হয়েছে। বোর্ড সূত্র বলছে, “ভারতীয় ক্রিকেটাররা ব্রঙ্কো টেস্টে অভ্যস্ত নন। তা সত্ত্বেও গত এক বছরে বিসিসিআইয়ের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে আলাদা আলাদা ক্রিকেটারের জন্য আলাদা আলাদা টার্গেট বেঞ্চমার্ক ঠিক করা হয়েছে। বহু সিনিয়র ক্রিকেটারকে অনেক সহজ টার্গেট দেওয়া হয়েছে। এমনকী ভারতীয় দলের নিয়মিত ক্রিকেটারদের কাছেও ব্রঙ্কো টেস্ট নিয়ে সবসময় সঠিক তথ্য থাকেনি। উদাহরণ হিসাবে তুলে দেওয়া হয়েছে মহম্মদ সিরাজের প্রসঙ্গ। শ্রীলঙ্কা সফরের আগে নাকি তাঁকে হঠাত করে ব্রঙ্কো টেস্ট দিতে হয়েছে।

Advertisement

আরও বিস্ফোরক অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই নাকি টিম ম্যানেজমেন্টের চাহিদা অনুযায়ী ফিটনেস টেস্টের শর্ত শিথিল করা হয়েছে। উদাহরণ হিসাবে বোর্ড সূত্র বলছে, আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের আগে হর্ষিত রানার ওজন ছিল ৯৭ কেজি। অথচ বোর্ডের বেঁধে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী তাঁর ওজন ৯৬ কেজির বেশি হওয়ার কথা নয়। অতিরিক্ত ওজন হওয়া সত্ত্বেও সদ্য চোট সারানো হর্ষিতকে ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। তাঁর পুনরায় চোট পাওয়ার সেটাও অন্যতম কারণ। অবশ্য পরে হর্ষিতের ওজন আরও কমেছে। আপাতত তাঁর ওজন ৯৪ কেজি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.