আইপিএলের মাঝেই ভারতীয় ক্রিকেটে আচমকাই তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য। ডোপ টেস্ট সংক্রান্ত নিয়মভঙ্গের অভিযোগে ন্যাশনাল অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি দুই ভারতীয় ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়াল এবং শেফালি বর্মাকে নোটিস পাঠিয়েছে। জানা গিয়েছে, দু’জনকেই আপাতত ‘ফার্স্ট মিসড টেস্ট নোটিস’ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
নাডা সূত্রে খবর, নির্ধারিত সময়ে ডোপ টেস্টের জন্য আধিকারিকরা পৌঁছলেও ক্রিকেটাররা অনুপস্থিত ছিলেন। এর জেরেই দু’জনের বিরুদ্ধে ‘হোয়ারঅ্যাবাউটস ফেলিওর’ বা অবস্থান সংক্রান্ত নিয়মভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। যশস্বী ও শেফালি দু’জনেই নাডার ‘রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুল’ (আরটিপি)-এর অন্তর্ভুক্ত। এই তালিকায় থাকা অ্যাথলিটদের প্রতি তিন মাস অন্তর নিজেদের অবস্থান, উপস্থিতি এবং সময় সম্পর্কে তথ্য জানাতে হয়। পাশাপাশি প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট এক ঘণ্টার সময়সীমা জানিয়ে রাখতে হয়, যাতে যে কোনও মুহূর্তে ডোপ পরীক্ষার জন্য পৌঁছে যেতে পারেন ডোপিং কন্ট্রোল অফিসার (ডিসিও)।
নাডা সূত্রে খবর, নির্ধারিত সময়ে ডোপ টেস্টের জন্য আধিকারিকরা পৌঁছলেও ক্রিকেটাররা অনুপস্থিত ছিলেন। এর জেরেই দু’জনের বিরুদ্ধে ‘হোয়ারঅ্যাবাউটস ফেলিওর’ বা অবস্থান সংক্রান্ত নিয়মভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে।
নাডার নিয়ম অনুযায়ী, ১২ মাসের মধ্যে তিনবার ‘হোয়ারঅ্যাবাউটস ফেলিওর’ হলে তা ডোপিং-বিরোধী নিয়ম লঙ্ঘন হিসাবে গণ্য হতে পারে। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অ্যাথলিটের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দু’বছরের নির্বাসনের মতো কড়া শাস্তিও হতে পারে। তবে যশস্বী ও শেফালির ক্ষেত্রে এটি প্রথম নোটিস হওয়ায় আপাতত কোনও নির্বাসন বা সাময়িক সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ইতিমধ্যেই দুই ক্রিকেটারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেন নির্ধারিত সময়ে তাঁরা উপস্থিত ছিলেন না, সেই বিষয়ে জবাব দেওয়ার সুযোগ পাবেন দু’জনেই। সন্তোষজনক উত্তর মিললে বিষয়টি সেখানেই মিটে যেতে পারে। তবে ভবিষ্যতে একই ধরনের ভুল হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
কেন নির্ধারিত সময়ে তাঁরা উপস্থিত ছিলেন না, সেই বিষয়ে জবাব দেওয়ার সুযোগ পাবেন দু’জনেই। সন্তোষজনক উত্তর মিললে বিষয়টি সেখানেই মিটে যেতে পারে।
বর্তমানে ভারতীয় দলের অন্যতম ভরসাযোগ্য ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি – তিন ফরম্যাটেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন তিনি। বর্তমানে আইপিএলের ব্যস্ত সূচির মধ্যে রয়েছেন যশস্বী। অন্যদিকে, ভারতীয় মহিলা দলের ব্যাটিংয়ের অন্যতম মুখ শেফালি বর্মা। পিটিআই-সহ একাধিক প্রতিবেদন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের ৭ নভেম্বর ডিসিও-রা নমুনা সংগ্রহ করতে গেলে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না শেফালি। ১৭ ডিসেম্বর যশস্বীকেও নির্ধারিত স্থানে দেখা যায়নি। এমনকী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যখন তাঁদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল, তখনও কারওর কাছে কোনও জবাব পাওয়া যায়নি। এবার নতুন করে তাঁদের কড়া নোটিস পাঠাল নাডা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বেতনের নথি সইয়ে অনীহা প্রশাসকদের! পরিচালন সমিতি ভাঙায় সমস্যায় স্কুলের পার্শ্বশিক্ষকরা
-
রাম মন্দির দর্শনে বাধা কংগ্রেস নেতা অজয় রাইকে! অযোধ্যায় ‘গৃহবন্দি’ করল যোগীর পুলিশ
-
ছুটছেন এমবাপে-ডেম্বেলেরা, সুইডেনের বিরুদ্ধে নামার আগে দেশঁর মাথাব্যথা নিজের দলই!
-
‘একেবারে মেরুদণ্ডহীন-চটিচাটা’, মোদির প্রশংসা করতেই কেন কটাক্ষের শিকার মাধবন?
-
এখনও জ্বলছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যাল, বন্ধ ট্রেন চলাচল, ক্ষোভে ফুঁসছেন শ্রমিকরা