প্রসূন বিশ্বাস: জল্পনাই সত্যি হল। মুম্বই সিটি এফসি থেকে সরে গেল সিটি গ্রুপ। সোশাল মিডিয়ায় সিটি গ্রুপ পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছে, আইএসএল নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরেই তাদের এই পদক্ষেপ। অন্যদিকে, এফসি গোয়া ছাড়ছেন তারকা মিডফিল্ডার বোরহা হেরেরা। সব মিলিয়ে বছর শেষে খারাপ খবরই সহ্য করতে হচ্ছে দেশের ফুটবল ভক্তদের।
ভারতীয় ফুটবলের বর্তমান যা টালমাটাল অবস্থা সেই অবস্থার সৌজন্যেই ভারতীয় লিগে দল রাখতে আগ্রহ হারিয়েছেন সিটি কর্তারা। আইএসএলে খেলা মুম্বই দলটির ৬৫ শতাংশ শেয়ার ছিল সিটি গ্রুপের হাতে। বাকি ৩৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে অভিনেতা রণবীর কাপুর ও বিমল পারেখের হাতে। ২০১৯ সাল থেকে সিটি গ্রুপ ৬৫ শতাংশ শেয়ার নিজেদের হাতে রেখেছে। সেই শেয়ারটি রণবীর কাপুর ও বিমল পারেখদেরই বেঁচে দেওয়া হচ্ছে। সিটি সরে দাঁড়ানোয় রণবীর কাপুর ও বিমল পারেখ দল চালাবেন।
আইএসএলে অন্যতম সফল মুম্বইয়ের এই দলটি। দুবার আইএসএল কাপ ও লিগ শিল্ড জিতেছে তাঁরা। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে সিটি গ্রুপের মালিকানায় ক্লাব রয়েছে। ইংল্যান্ডে যেমন ম্যাঞ্চেস্টার সিটি বা অস্ট্রেলিয়ায় মেলবোর্ন সিটির মতো ক্লাব তাদের অধীনে। ভারতীয় ফুটবলের অনিশ্চয়তার মাঝে তারা লিখেছে, ‘সিটি গ্রুপ সব সময়ই শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পরিকল্পনামাফিক পদক্ষেপ নেয়। যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব থাকে। আইএসএলের দুরবস্থায় বাণিজ্যিক পরিস্থিতি আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
অন্যদিকে এফসি গোয়ার মিডফিল্ডার বোরহা হেরেরা ক্লাব ছাড়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন। সোশাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘এই পরিস্থিতি আমার এবং আমার পরিবারের জন্য অসহ্য হয়ে উঠেছে। আমার এই সিদ্ধান্তের দায় তাঁদের, যাঁরা অসংখ্য বৈঠকের পরও সত্যিকারের সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। দয়া করে এবার সব বোকামো বন্ধ করুন এবং ভারতীয় ফুটবলকে বাঁচানোর সিদ্ধান্ত নিন।’ যা ঘুরিয়ে ফেডারেশন কর্তাদের প্রতি তোপ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ ক্লাবের সঙ্গে ভালো সম্পর্কের কথাও তিনি জানিয়েছেন।
View this post on Instagram
সর্বশেষ খবর
-
ধর্মতলা চত্বরে সম্ভব নয় ২১ জুলাইয়ের সভা! ৬০ দিন জারি ১৬৩ ধারা, কী করবে কালীঘাট তৃণমূল?
-
জামিন মিলল না, হাজতে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন ও উজ্জ্বল বিশ্বাস!
-
পুলিশের কাজে বাধা! এবার অপরূপার বিরুদ্ধে মামলা, মঙ্গলেই যেতে হবে থানায়
-
‘এই ভূখণ্ড পাকিস্তানের নয়, ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করব’, শাহবাজের বুক কাঁপিয়ে হুঁশিয়ারি পিওকে-বাসীর
-
চুরিতে সাহায্য! রাম মন্দির কাণ্ডে এবার নজরে ব্যাঙ্কও, কতটা গভীরে শিকড়?