স্টাফ রিপোর্টার: অবশেষে শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) পক্ষ থেকে চূড়ান্ত চুক্তির কপি পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে। এবার? সোমবার শ্রী সিমেন্টের চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের হাতে পৌঁছনোর পর এক লাল-হলুদ কর্তা বললেন, “ওদের থেকে চুক্তিপত্র আসতে তিন দিন লেগে গেল। ওরা চুক্তিপত্র পাঠানো মাত্র তা আমরা আইনজীবীর কাছে পাঠিয়েছি। তিনি কবে সব কিছু জানান দেখি। সেইমতো সিদ্ধান্ত নেব।” ফলে সোমবার শ্রী সিমেন্টের চুক্তিপত্র পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গে মঙ্গলবারই চুক্তিতে সই হয়ে যাবে, এরকম আশা খুবই ক্ষীণ। শেষ মুহূর্তে এসে শুধুমাত্র একটি পয়েন্টে আটকে আছে চুক্তিপত্রের সই। ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের অগ্রাধিকার।
ক্লাব (East Bengal) চাইছে, দু’পক্ষই ভাগ করে, ক্লাব তাঁবু ব্যবহার করবে। ইনভেস্টর চাইছে, চুক্তি অনুযায়ী, পুরোটাই তাদের দখলে থাকবে। সচিব কিংবা সভাপতির ঘর কোথায় হবে, সেটাও নতুন বোর্ড ঠিক করবে। এই ইস্যুতে ক্লাব কর্তারা এখনও পর্যন্ত একমত না হওয়াতেই চুক্তিপত্রে সই আটকে আছে। শেষ তিনদিন ধরে শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে চুক্তিপত্র না পাঠানোর কারণ ছিল, ক্লাবের তরফে ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের ক্ষমতায় শ্রী সিমেন্টের অধিকার সম্বলিত বিষয়ে লিখিত প্রতিশ্রুতি না আসা। ঠিক হয়েছিল, যতক্ষণ না ক্লাব লিখিতভাবে জানাচ্ছে, তারা রাজি, ততক্ষণ পর্যন্ত চুক্তিপত্র পাঠানো হবে না। তবে এদিন, ক্লাব থেকে কোনও লিখিত আশ্বাস না এলেও শ্রী সিমেন্ট সইয়ের জন্য চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠিয়ে দিল।
[আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটিশভূমে IFA শিল্ড UK চ্যাম্পিয়ন মেরিনার্স! উচ্ছ্বসিত সবুজ-মেরুন ভক্তরা]
এখন দেখার, লাল-হলুদ কর্তারা তাঁবু ব্যবহারের অধিকার ইনভেস্টরের হাতে ছেড়ে দেন কি না। ক্লাব ছাড়লে সই হবে। না ছাড়লে হবে না। শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে অবশ্য এদিনও বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী সই না করলে তারা নেই। যে পক্ষই নরম হোক না কেন। এই মরশুমে যে আইএসএলে (ISL) খেলার মতো দল গড়তে পারবে না, নিশ্চিত। কলকাতা লিগ খেলার দল গড়াও আর সম্ভব নয়।
সর্বশেষ খবর
-
একটা ভুলেই হাতছাড়া ভারতের জয়! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের আশা দেখছেন শুভমান?
-
পাকিস্তানের ‘যম’ সুদর্শন! ‘এস-৪০০-এর সন্ধানে ভারতে গুপ্তচর নামান মুনির’, দাবি প্রাক্তন এয়ার মার্শালের
-
স্ত্রীকে চাকরি, অর্থ সাহায্য, সুনীল সিংয়ের নিহত আপ্ত সহায়কের পরিবারের পাশে অর্জুন
-
‘সংখ্যাগরিষ্ঠ জেন জি আরএসএসে আছে’, দাবি বিজেপি নেতার
-
৭২ ঘণ্টায় ভাঙবে চিনের আরও এক হিমবাহ হ্রদ! ‘মৃত্যুপুরী’ নেপালে নয়া আতঙ্ক, ‘বন্ধুত্বে’র খেসারত দিচ্ছে কাঠমান্ডু?