Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
হিমালয়ে হাহাকার
Nepal Flash Flood

৭২ ঘণ্টায় ভাঙবে চিনের আরও এক হিমবাহ হ্রদ! ‘মৃত্যুপুরী’ নেপালে নয়া আতঙ্ক, ‘বন্ধুত্বে’র খেসারত দিচ্ছে কাঠমান্ডু?

নেপাল বিপর্যয়ে স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয়রা। বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত ২৮৮ জন ভারতীয় নিখোঁজ। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে মানুষ নেপাল গিয়েছিলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১৯:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১৯:৪৩

options
link
৭২ ঘণ্টায় ভাঙবে চিনের আরও এক হিমবাহ হ্রদ! ‘মৃত্যুপুরী’ নেপালে নয়া আতঙ্ক, ‘বন্ধুত্বে’র খেসারত দিচ্ছে কাঠমান্ডু? zoom
প্রকৃতির রুদ্র তাণ্ডবে তছনছ নেপাল। ছবি: সংগৃহীত।

প্রকৃতির রুদ্র তাণ্ডবে তছনছ নেপাল। লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ভয়ংকর এই দুর্যোগে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫৯ জন। নিখোঁজ প্রায় ১৬০০। মৃতের সংখ্যা ঠিক কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা নিয়ে সন্দিহান প্রত্যেকেই। এই পরিস্থিতিতে নেপালের আকাশে ফের ঘনাতে শুরু করেছে বিপদের কালো মেঘ। জানা যাচ্ছে, নেপাল-তিব্বত সীমান্তে সৃষ্টি আরও একটি হিমবাহ হ্রদ আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভেঙে যেতে পারে, যার ফলে ফের হুড়মুড়িয়ে নেমে আসতে পারে বিপুল জলরাশি। বলা বাহুল্য, নতুন এই বিপর্যয়ের ফলে আবার ভাসতে পারে নেপাল। ইতিমধ্যেই সে বিষয়ে কাঠমান্ডুকে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে বেজিং।

চিনের জলসম্পদ মন্ত্রক জানিয়েছে, ছোচেন খোলা ও পুরেপু সাংপো নদীর মিলনস্থলের কাছে হিমবাহ হ্রদ সৃষ্ট হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত এটিতে প্রায় ২০ লক্ষ ঘনমিটার জল জমেছে। শুধু তাই নয়, হ্রদের জল ইতিমধ্যেই উপচে পড়তে শুরু করেছে। আগামী তিন দিনে হ্রদটিতে আরও ৩০ লক্ষ ঘনমিটার জল জমতে পারে। ফলে অতিরিক্ত জলের চাপে ভেঙে পড়তে পারে হ্রদটি। যার জেরে পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হতে পারে। চিনা কর্তৃপক্ষ নতুন করে বন্যার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। অন্যদিকে, নেপাল সরকার ভোটেকোশী, ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। এদিকে নেপাল বিপর্যয়ের দায় ইতিমধ্যেই এড়িয়েছে বেজিং। তারা জানিয়ে দিয়েছে, কাঠমান্ডু যেভাবে চিনের দিকে আঙুল তুলেছে, তা ভিত্তিহীন। তাদের দাবিগুলি ভুয়ো। শি জিনপিঙের সরকারের সাফ কথা,  দোষারোপ করে লাভ নেই। সহযোগিতাই জীবন বাঁচায়। এই পরিস্থিতিতে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে বক্তব্য, বেজিঙের সঙ্গে ‘বন্ধুত্বে’রই কি খেসারত দিচ্ছে কাঠমান্ডু?

Advertisement

উল্লেখ্য, নেপাল বিপর্যয়ে স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয়রা। বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত ২৮৮ জন ভারতীয় নিখোঁজ। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে মানুষ নেপাল গিয়েছিলেন। সেখান থেকে নেওয়া তথ্য ও নেপালে কর্মরত মিলিয়ে মোট ২৮৮ জন ভারতীয় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তিব্বতে উদ্ধারের অপেক্ষায় রয়েছেন ২০০ জন। জয়সওয়াল এটাও জানান, যেটুকু যা তথ্য পাওয়া গিয়েছে তা প্রাথমিক। বাস্তবে সংখ্যাটা আরও বেশি হতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.