সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বারস্থ আগেই হয়েছে দুই প্রধান-সহ আই লিগ খেলা ছ’টি দল। এবার সরাসরি বাংলার ভারতীয় জনতা পার্টির পরিদর্শক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে কথা বললেন মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা। শুক্রবার মোহনবাগানের পক্ষ থেকে ছিলেন দেবাশিস দত্ত ও সৃঞ্জয় বোস। ইস্টবেঙ্গলের তরফে হাজির হয়েছিলেন দেবব্রত সরকার এবং ডঃ শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্ত। এই বৈঠকের নেপথ্যে ছিলেন প্রাক্তন ফুটবলার তথা এবার কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে। এদিনের এই বৈঠকে দুই দলের কর্তাদেরই সব কথা শোনেন কৈলাস। তিনি জানিয়েছেন, দিল্লি ফিরে এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে সবিস্তারে জানাবেন। আসলে আই লিগ ক্লাব জোটদের চিঠি পেয়ে প্রধানমন্ত্রীও চাইছেন, সমস্যার সমাধান করতে।
[আরও পড়ুন: ‘অপমানজনক বিদায়ই প্রাপ্য ধোনির’, পাক মন্ত্রীর টুইটে বিতর্কের ঝড়]
আই লিগকে সর্বোচ্চ লিগের স্বীকৃতি দিতে রাজি নন ফেডারেশন কর্তারা। ইতিমধ্যেই আইএসএলকে শীর্ষ লিগ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে অহি-নকুল সম্পর্ক দুই প্রধানের। মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের বক্তব্য, তাঁরা আইএসএল খেলতে চান। কিন্তু ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি দিয়ে দেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যশালী এই দুই দল আইএসএল খেলতে নারাজ। ১৫ কোটি টাকার বিনিময়ে তাঁরা এই লিগের অংশ হবেন না বলেই দাবি। ফুটবলের জগতে এই দুই দলের যে অবদান রয়েছে তা বিবেচনা করে দলকে যোগ্য সম্মান দেওয়া হোক বলে দাবি দুই প্রধানের কর্তাদের। একইসঙ্গে তাঁদের দাবি, আই লিগের গরিমাও যেন কোনওভাবেই খর্ব না হয়।

বৈঠক শেষে কৈলাস বলেন, “কল্যাণ জানিয়েছিল দুই ক্লাবের কর্তারা আমার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিল। সেই মতোই আজ দেখা করলাম। আমার মনে হয়েছে, বর্তমানে ক্লাবগুলির লোকসান হচ্ছে। তার মানে ফুটবলেরও ক্ষতি হচ্ছে। যা ঠিক নয়। ফুটবল ও ফুটবলারদের কথা ভাবতে হবে। ইতিমধ্যেই আমার কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে কথাও হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছেও ক্লাবকর্তারা চিঠি পাঠিয়েছেন। তাই এই জট কাটাতে যতদূর যেতে হবে, যাব।” কল্যাণ জানান, একজন প্রাক্তন ফুটবলার হিসেবে তিনি যদি এ সমস্যার সমাধানে সামান্য ভূমিকাও নিতে পারেন, তবে তাঁর ভাল লাগবে।
দেবাশিস দত্ত বলেন, “কল্যাণ (চৌবে) নিজের উদ্যোগেই কৈলাসজির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিষয়টি নিয়ে ওঁ নিজে এগিয়ে আসার জন্য কল্যাণকে ধন্যবাদ। আমরা সব কাগজপত্র নিয়েই আজ বসেছিলাম। আমাদের বক্তব্য ছিল আমাদের যোগ্য সম্মান দিতে হবে। তবেই আইএসএল খেলব। কৈলাসজি আশ্বাস দিয়েছেন, যথাযোগ্য চেষ্টা করবেন।” বৈঠক শেষে আশাবাদী ডঃ শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্তও। তিনি বলেন, কৈলাস বিজয়বর্গীয় জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। তাই সমস্যা মিটতেও পারে। এবার দেখার, আই লিগ-আইএসএল দ্বন্দ্বের জল কোন দিকে গড়ায়।
[আরও পড়ুন: ধোনিকে আগে নামালে ম্যাচ আরও আগে হেরে যেতাম: রবি শাস্ত্রী]
সর্বশেষ খবর
-
কোচবিহারের ৬০৬টি তপশিলি অধ্যুষিত গ্রাম পাবে ১০০ কোটি, আদর্শ গ্রাম প্রকল্পে বিরাট বরাদ্দ কেন্দ্রের
-
ফলো-অন বাঁচানোর যুদ্ধে শ্রীলঙ্কার ‘বন্ধু’ বৃষ্টি, দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের অ্যাডভান্টেজেও চিন্তা কোথায়?
-
বাড়িতে ঢুকে আলো নিভিয়ে বিজেপি নেতা ও পরিবারকে মারধর! দলের একাংশই জড়িয়ে? তদন্তে পুলিশ
-
‘ড্রাগনে’র গ্রাসে অরুণাচল! সীমান্ত বিবাদের মাঝেই ৪০০ প্রতিনিধি নিয়ে ভারতে আসছেন জিনপিং
-
৯ বছর সামলেছেন টাটার সাম্রাজ্য, এবার মোদি মন্ত্রিসভায় সেই ক্ষুরধার মস্তিষ্ক?