ফুটবল বিশ্বকাপ যত কাছে আসছে, তত একের পর এক বিতর্কে বিদ্ধ হচ্ছে ফিফা। বিশ্বকাপের খেলার টিকিটের অগ্নিমূল্য, টুর্নামেন্ট চলাকালীন বাস-ট্রেনের আকাশছোঁয়া ভাড়া, সমস্ত কিছু তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ছে। আর সেই সমালোচনা-নামায় নবতম সংযোজন বিশেষভাবে সক্ষমদের ক্ষেত্রে ‘কেয়ারগিভার’-এর টিকিটের অভাব।
আরও পড়ুন:
শনিবারই ফিফাকে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম নিয়ে দুরমুশ করে ছেড়ে দিয়েছেন বরেণ্য কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা। ম্যাঞ্চেস্টার সিটি কোচ এ দিন ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, সমর্থকদের কথা ভাবা ছেড়ে দিয়েছে ফিফা। বলেছেন, ‘‘বহু বছর আগে বিশ্বকাপ ছিল ফুটবলকে উপভোগ করার মঞ্চ। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমর্থকরা আসতেন, নিজের প্রিয় দলকে সমর্থন করতে। কিন্তু আধুনিক যুগে ফুটবল বিত্তশালীদের খেলায় পরিণত হয়েছে। মনে রাখা উচিত, সমর্থকরা না থাকলে কিন্তু খেলাটাও থাকবে না। ফুটবলকে নিয়ে এ সমস্ত ব্যবসাপত্র কিছুই টিকবে না।’’
যা নিঃসন্দেহে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর অস্বস্তি শতগুণ বাড়াবে। তার উপর বিলেতের এক সংবাদপত্র বিস্তর অনুসন্ধান চালিয়ে ফিফার আয়োজনে একরাশ ভুলভ্রান্তি খুঁজে বার করেছে। যা পরপর নিচে তুলে দেওয়া হল:
- যাঁরা হুইলচেয়ারে করে খেলা দেখতে আসবেন, তাঁরা নিজেদের টিকিট কেটে ফেললেও, কেয়ারগিভারদের টিকিট কিনতে পারছেন না।
- কেয়ারগিভার কিংবা কম্প্যানিয়ন টিকিট বিশেষভাবে সক্ষম সমর্থকরা কিনলেও, তাঁরা যে পাশেই বসবেন, সেই ব্যাপারে কোনও রকম নিশ্চয়তা দিতে পারেনি ফিফা।
- হুইলচেয়ার এবং অ্যাকসেসেবল সিটিংয়ের টিকিটের দাম সাধারণ টিকিটের চেয়ে বহুগুণ বেশি।
গত বছরই ফিফার ‘অ্যাকসেসেবল টিকিট’ নীতি প্রবল বিষোদগারের মুখে পড়েছিল। কারণ, এর আগে বিশেষভাবে সক্ষম দর্শকদের কখনওই ‘কম্প্যানিয়ন টিকিট’ বা ‘কেয়ারগিভার টিকিট’ কিনতে হত না। সেটা তাঁরা বিনামূল্যে পেতেন। কিন্তু এবার সেই উপায় নেই। এবার বিশেষভাবে সক্ষম সমর্থকদের নিজেদের তো বটেই। কেয়ারগিভারদের টিকিটও চড়া দামে কিনতে হবে। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে বিশেষভাবে সক্ষম সমর্থকদের টিকিটের দাম ছিল দশ ডলার। এবার সেটা বেড়ে হয়েছে একশো চল্লিশ থেকে চারশো পঞ্চাশ ডলার! অর্থাৎ, চার বছর আগের চেয়ে প্রায় আটত্রিশগুণ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে তাঁদের।
পেপ গুয়ার্দিওয়লা কতটা ঠিক বলেছেন, এবার বোঝা যাচ্ছে?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের