Kibu Vicuna

‘বাকি কোচদের ম্যাচ রিডিং দেখাচ্ছেন কিবু’, ডায়মন্ডহারবার কোচের ছক বিশ্লেষণে মনোরঞ্জন

ফাইনালেও কিবুর মগজাস্ত্রের ম্যাজিক দেখতে চান মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ১৫:৫৪

options
link
‘বাকি কোচদের ম্যাচ রিডিং দেখাচ্ছেন কিবু’, ডায়মন্ডহারবার কোচের ছক বিশ্লেষণে মনোরঞ্জন
ফাইল চিত্র

মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য: ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ ফাইনালে উঠে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে ডায়মন্ডহারবার এফসি। এই জয় কখনওই ফ্লুক নয়। ম্যাচের আগে ভেবেছিলাম ইস্টবেঙ্গলই জিতবে। কিন্তু অসামান্য খেলল ডায়মন্ডহারবারের ফুটবলাররা। একটা দলের সাফল্য যেমন ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে, তেমনই নির্ভর করে কোচের দল পরিচালনার ক্ষেত্রেও। কিবু ভিকুনাকে যত দেখেছি তত ভালো লাগছে। বুধবার অস্কার ব্রুজোর থেকে ওঁর দল পরিচালনা আমার বেশি ভালো লেগেছে।

Advertisement

দলটার সঙ্গে কয়েক বছর রয়েছেন কিবু। ভালো মন্দ সব কিছু নখদর্পণে। চার বছর কম কথা নয়। বিশেষ করে কলকাতা ফুটবলে। তিন প্রধানের দিকে তাকান, সাম্প্রতিক সময়ে চার বছর টানা কোচ খুব কম থেকেছে। শুধু নিজের দল নিয়ে নয়, কলকাতা ফুটবলকেও জেনেছেন নিজের মতো করে। ভারতীয় ফুটবলে ফুটবলারদের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি হয়। কোচেদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি খুব একটা দেখা যায় না। ভিকুনার ক্ষেত্রেও ঘটেছে। মোহনবাগানকে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন করলেও পরের বার ওই দলের কোচ হিসাবে ওঁকে দেখা যায়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মোহনবাগানকে সেবার আই লিগ দেওয়ার পর কিবু চলে গিয়েছিলেন কেরালা ব্লাস্টার্সে। আইএসএলে তেমন সাফল্য পাননি। সেখান থেকে কলকাতায় ফিরলেন। হাল ধরলেন ডায়মন্ডহারবারের। অতীতের সাফল্যের কথা খুব একটা মাথায় রাখেননি কিবু। না হলে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েও কলকাতা লিগের প্রথম ডিভিশনে কোচিং করানোর জন্য রাজি হতেন না। এটাই পেশাদারিত্ব। অতীতের সাফল্য মাথা থেকে সরিয়ে বর্তমানের কথা চিন্তা করেছেন উনি। দলকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা তাকিয়ে ডায়মন্ডহারবারের আইএসএল খেলার দিকে। কিবুর আইএসএলে যেহেতু কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাই ডায়মন্ডহারবার আইএসএলে উঠলে সুবিধা হবে।

Advertisement

কিবুর ম্যাচ রিডিং কতটা ভালো, সেটা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে। ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে বেশ কয়েকটা মারাত্মক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন উনি। প্রথমত, দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকোসকে ফ্রি খেলতে দেননি। দ্বিতীয়ত, কাউন্টার অ্যাটাকে গিয়েছে তাঁর দল। উইং থেকে আক্রমণ আটকানোর চেষ্টা করেছে। তাতেই বাজিমাত। আর একটা ম্যাচ বাকি। নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে জিতলে, ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ভারতীয় ফুটবলেও নিজেদের প্রতিষ্ঠা করে ফেলবে ডায়মন্ডহারবার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.