স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন দল মুক্তিযোদ্ধাকে যেদিন ৪-২ গোলে হারাল, সেদিন মাঠে বসে মালয়েশিয়ার চ্যাম্পিয়ন দল তেরেঙ্গানুর খেলা দেখেছিলেন মোহনবাগানের হেড কোচ কিবু ভিকুনা এবং তাঁর সহকারী রঞ্জন চৌধুরি। সেই ম্যাচের পর স্বাভাবিকভাবেই কিবু ভিকুনার কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছিল। একজনকে রিজার্ভে বসিয়ে রেখে বাকি পাঁচজন বিদেশিকে প্রথম একাদশে খেলিয়েছিলেন তেরেঙ্গানুর কোচ। সেদিন গ্যালারিতে বসা ভিকুনার ডায়েরিতে যে তথ্য লেখা হয়েছিল, তাতে প্রত্যেক বিদেশিই দারুণ। বিশেষ করে দলের জাপানি স্ট্রাইকার ও ব্রিটিশ মিডফিল্ডার। জাপানি স্ট্রাইকার আবার দলের অধিনায়ক। মোহনবাগান কোচের তথ্য বলছে, এই দুই বিদেশির দক্ষতাই যে কোনও ম্যাচের ফল পরিবর্তন করে দিতে পারে।
মঙ্গলবার তেরেঙ্গানুর বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল ম্যাচ খেলতে নামার আগে এদিন মোহনবাগান দল প্র্যাকটিস করার সময় পেল বাংলাদেশ সময় বিকেল চারটে। তবে মূল স্টেডিয়ামে নয়। চট্টগ্রাম বন্দর মাঠে। প্র্যাকটিস মাঠ থেকেই দেখা যাচ্ছে বঙ্গোপসাগর দিয়ে বয়ে যাওয়া বড় বড় জাহাজ। ঘণ্টাখানেক প্র্যাকটিস করে হোটেলে ফেরার পরই ফুটবলারদের যে যার ঘরে বসে টিভিতে গোকুলাম-আবাহনী ম্যাচ দেখার নির্দেশ দেন কোচ। শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপের ফাইনালে গেলে এদেরই কারও বিরুদ্ধে ম্যাচটা খেলতে হবে। ম্যাচ শেষেই ডিনার টেবিলে যাওয়ার সময় ফুটবলারদের জানিয়ে দেওয়া হল, ডিনার শেষে মিটিং। মঙ্গলবারের তেরেঙ্গানু ম্যাচ নিয়ে ক্লাস নেবেন ভিকুনা।
[আরও পড়ুন: “দ্রুত আসছে ইনভেস্টর এবং স্পনসর”, মোহনবাগান সমর্থকদের আশ্বাস টুটু বোসের ]
ক্লাসে প্রথমেই যেটা উঠে এল তা মালয়েশিয়ার ক্লাবটির জাপানি স্ট্রাইকার নিয়ে। সঙ্গে ব্রিটিশ মিডফিল্ডারকে নিষ্প্রভ রাখার কথাও বললেন ভিকুনা। বললেন, “ম্যাচটা আমাদের জন্য খুব সহজ হবে না। তবে এতদূর যখন উঠে এসেছি, তখন আর পিছনের দিকে তাকানোর অর্থ হয় না। মাঠে একশো শতাংশ দিতে হবে।”
[আরও পড়ুন: পিছিয়ে গেল শেখ কামাল কাপের সেমিফাইনাল, মঙ্গলবার নামছে মোহনবাগান]
মঙ্গলবার কোন একাদশ মাঠে নামাবেন, এদিন মিটিংয়ে তার কোনও আভাসই দেননি মোহনবাগান কোচ। জানিয়েছেন, ম্যাচের দিন সকালে যাবতীয় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর চূড়ান্ত একাদশ ঠিক করবেন। তবে চট্টগ্রামে মোহনবাগান শিবিরে খবর নিয়ে যা জানা গেল, তাতে গ্রুপের শেষ ম্যাচে আবাহনীর বিরুদ্ধে ভিকুনা যে দল খেলিয়েছিলেন, সেই দলটাকেই অপরিবর্তিত রাখতে চাইছেন। সেক্ষেত্রে সালভা চামোরোকে হয়তো শুরুতে বেঞ্চেই বসতে হবে। আর ফ্রান গঞ্জালেজের দায়িত্ব পড়ছে জাপানি স্ট্রাইকারকে মার্ক করা।
ঘরের মাঠে ডুরান্ডের ফাইনালে হারাটাকে এখনও মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না মোহনবাগান কোচ। ডুরান্ডটা জেতা থাকলে অন্তত ক্যাবিনেটে একটা ভারতীয় ট্রফি থাকত ভিকুনার। এদিন ফুটবলারদের তাই বারবার করে তিনি বুঝিয়েছেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে ট্রফি জিতে ফিরতে পারলে, আই লিগের আগে পুরো দলটা উজ্জীবিত থাকবে। তবে সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষ যতই শক্তিশালী হোক, আশার আলো এই যে পুরো দলটাই ফাইনালে ওঠার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে বেইতিয়া বললেন, “ফুটবলারদের বডি ল্যাঙ্গোয়েজ বলছে, সেমিফাইনালে দারুণ একটা পারফরম্যান্স উপহার দেবে সবাই। আমাদের ফাইনালে যেতেই হবে।’’
সর্বশেষ খবর
-
দার্জিলিঙে রোপওয়ে, সুন্দরবনে প্রমোদতরী! পর্যটনকে ঢেলে সাজাতে মাস্টার প্ল্যান রাজ্যের
-
আচমকা মস্কোয় অবতরণ করল মার্কিন সেনার বিমান! ঘনাচ্ছে রহস্য, কী বলল ক্রেমলিন?
-
নজরে মহিলা ও যুবসমাজ, মোদির জন্মদিন উপলক্ষে একমাসের মেগা জনসংযোগ কর্মসূচি বঙ্গ বিজেপির
-
‘দুর্নীতিমুক্ত’ পুজোয় কোপ বাজেটে, উত্তর থেকে দক্ষিণ, ‘ছোট’ হচ্ছে কলকাতার কোন বড় পুজো?
-
এসআইআরে সেরা বিএলও, এবার ৭ দিনেই জনগণনার কাজ শেষ করলেন কালনার শিক্ষক