শিলাজিৎ সরকার: তাঁর নামের সঙ্গে প্রাক্তন শব্দটা যোগ হয়েছে। প্রাক্তন জাতীয় ফুটবলার। প্রাক্তন জাতীয় অধিনায়ক। কিন্তু জাতীয় দলের বৃত্ত থেকে এখনও বের হননি সুনীল ছেত্রী। যা খবর, তাতে ১১ জুন কাতারের বিরুদ্ধে ভারতের অ্যাওয়ে ম্যাচে তাঁকে গ্যালারি থেকে ‘টিম ইন্ডিয়া’-র জন্য গলা ফাটাতে দেখা যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার যুবভারতী ছাড়ার সময় সুনীলকে (Sunil Chhetri) বেশ আবেগীই দেখিয়েছে। রাতের দিকে টিম হোটেলে পৌঁছেও সেই আবেগ পুরোপুরি কাটেনি তাঁর। চোখে জল সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে প্রথমে বললেন, “কাঁদতে চাইছিলাম না। (কিছুক্ষণ নীরব থেকে) চোখে কিছু চলে গিয়েছিল।” তারপরই যোগ করলেন, “চেষ্টা করেছিলাম আবেগে ভেসে না যেতে। ম্যাচেও ঠিক ছিলাম। ম্যাচ শেষে হঠাৎ মনে হল, এর পরে কোনওদিন এই জার্সিটা পরতে পারব না। ভারতের (Indian Football Team) হয়ে খেলতে পারব না। জীবনে এরপর কী পাব আর পাব না জানি না। তবে কিছুর সঙ্গেই জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগের তুলনা হয় না। সেটাই আবেগী করে তুলেছিল।”
[আরও পড়ুন: ভারতের জার্সিতে খেলেছেন বিশ্বকাপ, পাকিস্তানকে হারিয়ে সুপারস্টার মার্কিন সৌরভ]
এদিন কুয়েতকে হারালে ’২৬ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের তৃতীয় রাউন্ডে প্রায় পৌঁছে যেত ভারত। এখন অবশ্য অঙ্কটা বেশ কঠিন ইগর স্টিমাচের ছাত্রদের জন্য। সেজন্য গ্রুপের শেষ ম্যাচ কাতারকে হারাতে হবে। ‘সদ্য প্রাক্তন’ সতীর্থরা সেকাজ করতে পারবেন বলেই মনে করছেন সুনীল। “আজকেই কাজটা শেষ হয়ে গেলে ভালো হত। তবে যা হওয়ার হয়েছে। একটা পয়েন্টও খারাপ ফল না। এখনও আমাদের সম্ভাবনা আছে। আশা করছি ছেলেরা কাতারে কাজটা সম্পূর্ণ করতে পারবে,” বলে গেলেন ‘ক্যাপ্টেন’। সূত্রের খবর, ১১ জুনের সেই ম্যাচ দেখতে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে সুনীলের। সেক্ষেত্রে দলের সঙ্গেই ৮ জুন দোহা যেতে পারেন তিনি।
[আরও পড়ুন: ‘গোটা দলটাই অবসর নিক’, ভারতীয় আমেরিকানদের কাছে হারতেই কটাক্ষের মুখে পাকিস্তান]
সর্বশেষ খবর
-
হাসপাতালে হিয়া, মঙ্গলেই হচ্ছে অস্ত্রোপচার, কী হল ‘পটলকুমার গানওয়ালা’র?
-
অরুণাচলের জমি গিলছে ড্রাগন! চিনা আগ্রাসনের অভিযোগে তদন্তে সরকার, কী বলছে সেনা?
-
বাজ পড়ে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, পাইপলাইনে আগুন লেগে ঝলসে গেলেন ৩৫জন
-
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশমাত্রই ‘অ্যাকশন’, হুমায়ুনের ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যের জেরে গ্রেপ্তার সভার আয়োজকরা
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির