সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের খেলার মাঠে কিশোরের (Teenager) মৃত্যু। উত্তর কলকাতার ফুটবল ক্যাম্পে (Kolkata Football Camp) প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে মৃত্যু হল কিশোরের। ওয়ার্ম আপের সময় মাঠে লুটিয়ে পড়ে সে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পরিবারের অভিযোগ, ফুটবল প্রশিক্ষণের মাঠে প্রাথমিক চিকিৎসার উপযুক্ত পরিকাঠামো ছিল না। যদিও পরিবারের সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্তারা।
শনিবার সকালে শ্যামবাজার এলাকার উত্তর প্রান্তিক ক্লাবের মাঠে ফুটবল খেলতে নেমেছিল সুখদেব সাহা। বয়স ১৪। উল্টোডাঙার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে খবর, সাড়ে আটটা নাগাদ ওয়ার্ম আপ করতে নেমেছিল সুখদেব। কিছুটা দৌড়নোর পরই আচমকা মাঠে লুটিয়ে পড়ে সে। অভিযোগ, ওই অবস্থায় মাঠেই বেশ কিছুক্ষণ পড়েছিল সুখদেব। সঙ্গে সঙ্গে তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পরে তাকে নিকটবর্তী আর জি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে সুখদেবকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।
[আরও পড়ুন: দিঘায় কাঁকড়া ভাজা খেয়ে বিপত্তি, প্রাণ গেল বেহালার পর্যটকের]
খবর পেয়ে ছুটে আসে সুখদেবের পরিবার সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে সুখদেবের। মাঠে অসুস্থ হয়ে পড়লেও দীর্ঘক্ষণ সেখানেই ফেলে রাখা হয়েছিল তাকে। পরে হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃত কিশোরের বাবা গৌতম সাহার দাবি, মাঠে চিকিৎসার উপযুক্ত পরিকাঠামোই ছিল না। তাই অকালে তাঁদের ছেলের মৃত্যু হল। তবে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল না।
এদিকে ক্লাবের তরফে পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, সুখদেব শারীরিকভাবে ‘ফিট’ ছিল না। এর আগেও কয়েকবার এমন ঘটনা ঘটেছে। এবারও সুখদেব পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার বাবাকে খবর দেওয়া হয়। হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল সঙ্গে সঙ্গে। কোনও গাফিলতি ছিল না।
[আরও পড়ুন: ভেস্তে গেল পাচারের ছক, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার ৩০১ কেজি গাঁজা , ধৃত চার]
এর আগে ফুটবলের অনুশীলন চলাকালীন একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। প্রাক্তন ফুটবলারদের কথায়, ফুটবল ক্যাম্পে অনেক সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। রাখতে হয় ‘লাইফ সেভিং’ কিটও। কিন্তু ছোট ছোট ক্লাবগুলিতে তা রাখা সম্ভব হয় না।
সর্বশেষ খবর
-
ব্রিকসে টানটান কূটনীতি! জিনপিংকে পাশে নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে বদলের ডাক মোদির, বার্তা নেপাল নিয়েও
-
সামান্থা-বিজয়-লক্ষ্মণ-মিতালি-সহ বহু তারকাকে এসআইআর নোটিস, থাকছে বিশেষ ‘ছাড়’ও!
-
‘হিন্দু বলে আমার মাকেও পালিয়ে আসতে হয়েছিল’, চিন্ময় প্রভুর চোখের জল দেখে অতীত স্মরণ শুভেন্দুর
-
ইংরেজি অনুবাদে রবীন্দ্রনাথকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বৃহত্তর পরিসরে, প্রয়াত কেতকী কুশারী ডাইসন
-
নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে রাজ-শুভশ্রীর জলকেলি, ছেলে যুবানের জন্মদিনে রোম্যান্টিক টুইস্ট!