Mohun Bagan

খেতাব জয়ের আশা অথৈ জলে! জামশেদপুরের কাছেও আটকে গেল মোহনবাগান

শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে আইএসএলের পয়েন্ট টেবিলে তিন নম্বরে নেমে গেল সবুজ-মেরুন। এই ড্রয়ের ফলে খেতাব জয়ের রাস্তায় আবারও বড়সড় হোঁচট খেল গোষ্ঠ পাল সরণির ক্লাব।  

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ২০:৩৪

options
link
খেতাব জয়ের আশা অথৈ জলে! জামশেদপুরের কাছেও আটকে গেল মোহনবাগান
জামশেদপুরের বিরুদ্ধে ড্র করে ফিরছে ্ন আপুইয়ারা। ছবি মোহনবাগান সোশাল মিডিয়া।

মোহনবাগান ১ (লিস্টন)
জামশেদপুর এফসি (ঋত্বিক)

Advertisement

মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে হার। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে ড্র। বিপক্ষের ডেরায় এগিয়ে গিয়েও ১-১ ফলাফলে সন্তুষ্ট থাকতে হল মোহনবাগানকে। শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে আইএসএলের পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে থাকল সবুজ-মেরুন। ফলে খেতাব জয়ের রাস্তায় আবারও বড়সড় হোঁচট খেল গোষ্ঠ পাল সরণির ক্লাব।  

Advertisement

বিকেল পাঁচটায় জেআরডি টাটা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ম্যাচ। সেখানকার গরমও চিন্তার কারণ ছিল সবুজ-মেরুন কোচের কাছে। এই আবহাওয়ায় খেলা কঠিন হলেও কোনওরকম অজুহাত দেওয়ার জায়গায় নেই তাঁদের সামনে। যদিও আগ্রাসী শুরু করে মেসি বাউলি সমৃদ্ধ জামশেদপুর। তবে সুযোগ পেয়েই আগুন ঝরালেন লিস্টন কোলাসো। ১৫ মিনিটে তাঁর দুর্দান্ত গোলেই এগিয়ে গেল মোহনবাগান। জামশেদপুর বক্সে একের পর এক আক্রমণে চাপ বাড়াচ্ছিল সবুজ-মেরুনও। তখনই বল পেয়ে বক্সের বাইরে খানিকটা ফাঁকা জায়গা খুঁজে পান লিস্টন। সুযোগ বুঝে ডান পায়ে জোরাল শট নেন তিনি। বলটি ডিফেন্স লাইনের উপর দিয়ে লুপ করে উঠে ক্রসবারের নিচে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। গোলকিপারের কিছুই করার ছিল না। দর্শকরাও সাক্ষী থাকলেন অবিস্মরণীয় এই গোলের।

Advertisement

এরপর বেশ কয়েকবার সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল জামশেদপুরও। সবুজ-মেরুন ডিফেন্স এবং গোলকিপার বিশাল কাইথ সজাগ থাকায় বিপদ হয়নি। ৩৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সোনালি সুযোগ নষ্ট মোহনবাগানের। লিস্টনের বুদ্ধি করে বল বাড়ান রবসনকে। ব্রাজিলীয় তারকা বাঁদিক দিয়ে বক্সে দৌড়ে ঢোকেন। বাঁ-পায়ের শট নেন তিনি। ম্যাকলারেন স্লাইড করে পৌঁছে গেলেও ঠিক মতো পায়ে লাগাতে পারলেন না। ফলে অল্পের জন্য বাঁ-দিকের পোস্টের বাইরে চলে যায় বল। অল্পের জন্য ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ হাতছাড়া হয় মোহনবাগানের। প্রথমার্ধে ১ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় সবুজ-মেরুন।

প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়েও দলের পারফরম্যান্সে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হওয়ার সুযোগ পাননি লোবেরা। ঘরের মাঠে বারবার প্রতিপক্ষের আক্রমণে রক্ষণভাগ নড়বড়ে হয়ে পড়ায় উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে মেরিনার্স শিবিরে। জামশেদপুর এফসির হয়ে উইং দিয়ে সানান ও ভিন্সি ব্যারেটো শুরু থেকেই চনমনে ফুটবল উপহার দিলেও শেষ মুহূর্তে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেললেন দ্বিতীয়ার্ধেও। ম্যাচের শেষভাগে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় জামশেদপুর।

৮৫ মিনিটে আক্রমণের ধার বাড়াতে ডান দিক দিয়ে বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন সানান। গোললাইনের একেবারে কাছে গিয়ে ঠান্ডা মাথায় কাটব্যাক পাস বাড়ান রিয়াতার উদ্দেশে। বদলি হিসাবে নামা রিয়াতা শট নেন। তবে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে অনেকটাই উপর দিয়ে চলে যায়। নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় হতাশায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তবে এক গোলের ব্যবধান যে কতটা বিপজ্জনক হতে পারে, তা বোঝা গেল আবার। শেষ মুহূর্তে (৯০+৫) মিনিটে ঋত্বিক দাসের গোলে সমতায় ফেরে জামশেদপুর। ড্রয়ের পর তিন নম্বরে তারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.