মোহনবাগান- ৩ (নাওরেম, বাবা, তুরসুনভ)
নেরোকা এফসি- ০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডার্বি জয়ের রেশ ধরে রেখে পাহাড়েও বিজয় নিশান ওড়াল মোহনবাগান। নেরোকার ঘরের মাটিতে তাদের ৩-০ গোলে হারিয়ে সহজ জয় সবুজ-মেরুন শিবিরের। পরপর ম্যাচ জিতে মাঘ মাসেই বাগানে বসন্ত। এদিন দুই অর্ধ মিলিয়ে গোল করলেন নাওরেম ও নয়া বিদেশি পাপা বাবাকার দিওয়ারা ও তুরসুনভ। প্রথম দিকে গোল পাচ্ছিলেন না বলে সমালোচিত হলেও ডার্বি থেকে ফর্মে ফিরেছেন বাবা। যা স্বস্তি দিয়েছে সবুজ-মেরুন শিবিরকে। আর ইম্ফলে জয় পেয়ে স্বস্তি পেয়েছেন কোচ কিবু ভিকুনাও।
ইতিহাস বলছে, ডার্বির পরের ম্যাচটা ভীষণই কঠিন দুই প্রধানের জন্য। সেটা ডার্বি জিতলেও কঠিন। না জিতলেও কঠিন। ডার্বি ঘিরে যেহেতু যাবতীয় উদ্যম নিংড়ে দিতে হয়, তাই পরের ম্যাচে এর মারাত্মক প্রভাব পড়ে। তাই এই ম্যাচ ঘিরে সাবধানী ছিলেন কোচ। ডার্বি জয়ের কথা ভুলে এই ম্যাচ নিয়ে ফুটবলারদের ফোকাস থাকার কথা পইপই করে বলে দিয়েছিলেন। তার ফল হাতেনাতে পেলেন এদিন ভিকুনা। দাপট নিয়ে খেলে এদিন নেরোকা জয় করলেন মোহনবাগানের ফুটবলাররা।
[আরও পড়ুন: জল্পনা সত্যি করে ইস্টবেঙ্গলের নয়া কোচ হলেন মারিও রিভেরা]
মোহনবাগানের জন্য নেরোকা অ্যাওয়ে ম্যাচ হলেও দলের দুই ফুটবলার নাওরেম এবং ধনচন্দ্র সিংয়ের জন্য নেরোকা ম্যাচটা হোম ম্যাচের মতোই ছিল। দু’জনেই যে মণিপুরের স্থানীয় ফুটবলার। এদিন প্রথমার্ধের ২৭ মিনিটে নাওরেমের গোলেই এগিয়ে যায় বাগান। বিরতির পর ৫৩ মিনিটের মাথায় নাওরেমের ক্রস থেকেই গোল করেন বাবা। ডার্বি থেকে যিনি ফর্মে ফিরেছেন। তাঁর খেলা দেখে এবার বেশ আশ্বস্ত বাগান সমর্থকরাও। নেরোকার কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন আরেক নয়া বিদেশি তুরসুনভ। ইনজুরি টাইমে গোল করেন তিনি। ৯ ম্যাচ খেলে ২০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই থাকল মোহনবাগান। তাদের পরবর্তী ম্যাচ আগামী ৩১ জানুয়ারি চেন্নাই সিটির বিরুদ্ধে। এই খেলা ধরে রাখতে পারলে লিগ জয়ের সম্ভাবনা প্রবল এবার।
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! লজ্জার সিরিজ হার শ্রেয়সের ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক