কমনওয়েলথ গেমসে জুডোয় সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন ত্রিপুরার অস্মিতা দে। তার পুরস্কার পেলেন প্রথম ভারতীয় খেলোয়াড় হিসাবে সোনা জিতে নজির গড়া বাঙালি কন্যা। এবার কর্মজীবনেও বড় সাফল্য পেলেন। সাব-ইনস্পেক্টর অস্মিতাকে ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট অফ পুলিশ (ডিএসপি) পদে উন্নীত করতে চলেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।
আরও পড়ুন:
কমনওয়েলথ গেমসের জুডোর ফাইনালে কানাডার হেইডি কুয়াচকে হারিয়ে সোনা জেতেন অস্মিতা। তিনিই প্রথম ভারতীয় খেলোয়াড়, যিনি কমনওয়েলথে জুডোয় সোনা জয়ের নজির গড়েন। তাঁর পরেই সোনা জেতেন হর্ষ সিং। তবে প্রথম ভারতীয় হিসাবে সোনা জয়ের কৃতিত্ব থেকে যায় অস্মিতার। এক ওয়েবসাইটকে অস্মিতা বলেন, “আমাকে বলা হয়েছে ডিএসপি করা হবে। একটা চিঠিও পেয়েছি। সেখানেই লেখা ছিল। এখন আমি সাব-ইনস্পেক্টর।”
তাঁর সাফল্যের নেপথ্যে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। অস্মিতার কথায়, “উত্তরপ্রদেশ পুলিশ আমাকে সবসময় অনেক সাহায্য করেছে। কমনওয়েলথে যাওয়ার আগেও তারা আমাকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছে। এর জন্য আমি খুবই কৃতজ্ঞ। তাদের এই সাহায্য আমি কখনও ভুলব না। আমাকে ও আমার পরিবারকে বিভিন্নভাবে সাহায্য করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।” তবে এই আনন্দের মুহূর্তেও বাবাকে মনে পড়ছে অস্মিতার। গত ডিসেম্বরে বাবাকে হারিয়েছেন তিনি। কমনওয়েলথে সোনা জয়ের পরও বাবার কথা বলেছিলেন।
পদোন্নতির খবর পেয়ে আবেগাপ্লুত অস্মিতা বলেন, “আজ বাবা বেঁচে থাকলে খুব খুশি হতেন। এই পদোন্নতি আমি বাবাকে উৎসর্গ করছি। বাবার সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। তিনিই আমার সবচেয়ে বড় সমর্থক ছিলেন।” উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এক কর্তার কথায়, “অস্মিতাকে ডিএসপি পদমর্যাদায় উন্নীত করা হচ্ছে। চিঠি তৈরি করা হচ্ছে। এবার পুরো প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার অপেক্ষা। মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে। উনি সই করলেই আনুষ্ঠানিক ভাবে অস্মিতা ডিএসপি পদে যোগ দেবেন।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রেড কার্পেটে ধুন্ধুমার! সেলফির অজুহাতে নিকিতাকে ঠোঁটঠাসা চুম্বন মহিলা ভক্তের, ভাইরাল ভিডিও
-
স্বস্তি ভারতীয় শিবিরে, অনুশীলনে ফিরলেন গিল, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে খেলবেন?
-
প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, ‘নেশাগ্রস্ত’ পাইলটেই বিপর্যয়! এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
-
রাজ্যজুড়ে অভয়া দিবস পালন, স্বরচিত কবিতা পাঠ অগ্নিমিত্রার
-
তিন শর্ত মানলেই সমর্থন! বার্তা কেন্দ্রকে, ডিলিমিটেশন নিয়ে ডিএমকের দোনামনা অব্যাহত