Nisith Pramanik

‘ক্রীড়াতেও পরিবর্তন দেখবে বাংলা’, খেলাকে রাজনীতিমুক্ত করার বার্তা দিয়ে আত্মবিশ্বাসী নিশীথ

রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক বলেন, "গত পনেরো বছর রাজ্যের ক্রীড়ায় নৈরাজ্য দেখা গিয়েছিল। বাংলার মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিলেন। এবার সেই পরিবর্তন এসেছে।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৬, ১৪:৫৮

options
link
‘ক্রীড়াতেও পরিবর্তন দেখবে বাংলা’, খেলাকে রাজনীতিমুক্ত করার বার্তা দিয়ে আত্মবিশ্বাসী নিশীথ
কলকাতায় বিশাল সাইকেল র‍্যালির সূচনা করেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।

বিশ্ব সাইকেল দিবস উপলক্ষ্যে কলকাতায় বিশাল সাইকেল র‍্যালির সূচনা করেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। এই উপলক্ষ্যে রবিবার উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শ্বারদ্বত মুখোপাধ্যায়, পূর্বাঞ্চলীয় সাই ডিরেক্টর শিবানন্দ মিশ্র, এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে সহ অন্যরা।

Advertisement

রবিবার ভোরবেলা সল্টলেক স্টেডিয়াম থেকে এই র‍্যালির সূচনা হয়। প্রায় পাঁচ হাজার সাইক্লিস্ট রবিবারের এই র‍্যালিতে অংশ নেন। শুধু কলকাতাতেই নয়, সারা দেশেই এই র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন এই সাইকেল র‍্যালির সূচনা করে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক বলেন, “গত পনেরো বছর রাজ্যের ক্রীড়ায় নৈরাজ্য দেখা গিয়েছিল। বাংলার মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিলেন। এবার সেই পরিবর্তন এসেছে। আমরা খেলাধূলার উন্নতির জন্য এখন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। সাই এবং রাজ্য ক্রীড়া দপ্তর সারা রাজ্য জুড়ে এই সাইক্লোথনের প্রচার ও প্রসারের উদ্যোগ নিয়েছে। আজ বহু তরুণ তরুণী এই সাইক্লিং ইভেন্টে অংশগ্রহন করে একটি সুস্থ রাজ্য গঠনে সাড়া দিচ্ছে।”

Advertisement

শুধু কলকাতায় নয়, জেলাতেও নানা জেলাতেও এই র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেও এই সাইকেল র‍্যালি নিয়ে যথেষ্টই সাড়া মিলেছে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী ডাঃ মনসুখ মাণ্ডব্যের নেতৃত্বে দেশজুড়ে অন্তত ৪ লক্ষ মানুষ বাইসাইকেল র‍্যালিতে অংশ নিয়েছেন। বিক্রান্ত মাসে’র মতো সেলিব্রিটিদেরও দেখা গিয়েছে এই র‍্যালিতে। বাংলাতেও ছবিটা একইরকম। সাইকেল র‍্যালির মঞ্চ থেকেই বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার বার্তা দিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী।

Advertisement

উল্লেখ্য, বাংলার ক্রীড়ামন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই নিশীথ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “বাংলার ক্রীড়াঙ্গনগুলো যাতে রাজনীতিমুক্ত হয়, সেটা আমাদের দেখতে হবে। এখানকার স্পোর্টস কমিটিগুলোতে পরিবারতন্ত্রের একটা ছায়া রয়েছে। স্পোর্টস সেক্টরগুলোকে সেই ছায়া থেকে মুক্ত করতে হবে। বাংলায় যে কোনও ক্রীড়াতেই প্রচুর প্রতিভা রয়েছে। আমাদের তাঁদের সঠিক প্ল্যাটফর্ম দিতে হবে। পরিকাঠামো দিতে হবে। তাঁদের সবরকম সুবিধা দিতে হবে। কেন্দ্র এবং রাজ্য হাতে হাত মিলিয়ে স্পোর্টস ডেভলপমেন্টের জন্য দ্রুততার সঙ্গে কাজ করব।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.