Jharkhand

ন্যাশনাল গেমসে সোনা জিতেছিলেন, অর্থের অভাবে সেই অ্যাথলিটই এখন দিনমজুর

রাজ্য সরকারের কাছ থেকে শুধু সাহায্যের প্রতিশ্রুতি মিলেছে, অর্থ নয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২০, ২৩:৩১

options
link
ন্যাশনাল গেমসে সোনা জিতেছিলেন, অর্থের অভাবে সেই অ্যাথলিটই এখন দিনমজুর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ লন বল (‌Lawn Bowl)‌ খেলায় দু’‌বার ন্যাশনাল গেমসে (National games)‌ সোনা। শুধু তাই নয়, আন্তর্জাতিক স্তরেও একাধিকবার দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। আর সেই খেলোয়াড়ই এখন রয়েছেন চরম আর্থিক সংকটে। সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। আর তাই সংসার টানতে কখনও চায়ের দোকান চালানো, তো কখনও দিনমজুরের কাজ করা– এটাই এখন ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) সরিতা তিরকের রোজনামচা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পর্বত শৃঙ্গ নয়, এবার করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ের লক্ষ্যে নামলেন সত্যরূপ সিদ্ধান্ত]

জানা গিয়েছে, দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা সরিতা ২০০৭ সাল থেকে জাতীয় গেমসে অংশগ্রহণ করছেন। ওই বছর তিনি ঝাড়খণ্ডের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন। এরপর ২০১১ সালে বিহারের হয়ে খেলে সোনা জেতেন সরিতা। এরপর ২০১৫ সালে ফের ঝাড়খণ্ডের হয়ে খেলেন তিনি। এবারেও জাতীয় গেমসে চ্যাম্পিয়ন হন সরিতা। এছাড়া ২০১৫ এবং ২০১৭ সালে ন্যাশনাল লন বল চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জেতেন তিনি। ২০১৮ সালে জিতেছিলেন রুপো। এছাড়া গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া–প্যাসিফিক চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ (Bronze) জিতে দেশবাসীকে গর্বিত করেন সরিতা। তা সত্ত্বেও এই দিনটিই দেখতে হল তাঁকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বিকিনি পরে নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট করো না’, নেটিজেনদের তীব্র কটাক্ষের মুখে টেনিসতারকা]

সরিতা জানিয়েছেন, এর আগে একাধিকবার রাজ্য সরকারের কাছ থেকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি মিললেও, তা আদতে মেলেনি। ঝাড়খণ্ড সরকারের কাছে সব মিলিয়ে ৩.‌৭১ লক্ষ টাকা পাওয়ার কথা সরিতার (Sarita Tirkey)। কিন্তু সেই আর্থিক সাহায্য এখনও মেলেনি। এই অবস্থায় অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টেও নামতে পারতেন না তিনি, যদি না অন্যান্য খেলোয়াড়রা এগিয়ে আসতেন। তাঁরাই সরিতার যাওয়ার জন্য টাকার বন্দোবস্ত করে দেন। এমনকী টুর্নামেন্টে নামার জন্য জুতোও কিনে দেন তাঁর কোচ মধুকান্ত পাঠক। তবে এই সব ভুলে এখন সরকারি সহায়তার জন্য অপেক্ষা করে রয়েছেন সরিতা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.