ইতিহাস সাত্ত্বিকের, দ্রুততম স্ম্যাশ মেরে গিনেস বুকে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা

রেসিং কারের চেয়েও দ্রুত স্ম্যাশ মেরেছেন সাত্ত্বিকসাইরাজ রনকিরেড্ডি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৩, ১৬:২৭

options
link
ইতিহাস সাত্ত্বিকের, দ্রুততম স্ম্যাশ মেরে গিনেস বুকে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গিনেস বুকে নাম তুললেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা সাত্ত্বিকসাইরাজ রণকিরেড্ডি (Satwiksairaj Rankireddy)। খেলার ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত গতির ব্যাডমিন্টন স্ম্যাশ মেরেছেন তিনি। ঘণ্টায় ৫৬৫ কিলোমিটার গতিতে কোর্টে আছড়ে পড়ে তাঁর স্ম্যাশ। এই শট মেরেই খেলার ইতিহাসে নিজের নাম অমর করে তুললেন ভারতীয় শাটলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, রেসিং গাড়ির চেয়েও দ্রুত গতিতে এই স্ম্যাশ মেরেছেন সাত্ত্বিকসাইরাজ। ভেঙেছেন ১০ বছরের পুরনো রেকর্ড।

Advertisement

জাপানের (Japan) একটি জিমন্যাসিয়ামে দ্রুততম স্ম্যাশ মারার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা-সহ অনেকেই। গিনেস বুকের আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই শুরু হয় স্ম্যাশ মারার প্রতিযোগিতা। সেখানেই ৫৬৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে স্ম্যাশ মারেন সাত্ত্বিকসাইরাজ। এই গতিকে টপকে যেতে পারেননি কেউই। মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে স্ম্যাশ মারার রেকর্ড গড়েন মালেয়েশিয়ার পার্লি ট্যান। ৪৩৮ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে শট মারেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: তৃণমূল নেতাদের শাস্তি দেওয়ায় বিচারকের এজলাস বয়কট, কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ হাই কোর্টের]

বিশেষজ্ঞদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফর্মুলা ওয়ানে অংশগ্রহণকারী গাড়ির চেয়েও বেশি গতি ছিল সাত্ত্বিকে স্ম্যাশে। আজ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি গতির রেসিং কারের গতিবেগ ছিল ৩৯৭.৪৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা। এছাড়াও টেনিস খেলার সবচেয়ে দ্রুততম সার্ভ ২৬৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। তবে সাত্ত্বিকের সামনে ম্লান হয়ে গিয়েছে সমস্ত রেকর্ডই। গিনেস বুকে নাম তোলার পরে কোর্টে নেমেও দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন ভারতীয় তারকা। কোরিয়া ওপেনের প্রথম রাউন্ডে জিতে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন তিনি। চিরাগ শেট্টির সঙ্গে জুটি বেঁধে মেনস ডাবলস খেতাব জয়ের স্বপ্ন দেখছেন সাত্ত্বিক।

Advertisement

[আরও পড়ুন: উত্তরাখণ্ডে ভয়ংকর ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণ, মৃত্যু অন্তত ১৫ জনের, আহত বহু]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.