স্টাফ রিপোর্টার: এক রাজ্য, এক খেলা। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেণ রিজিজুর (Kiren Rijiju) এই অভিমতের সঙ্গে সহমত নন বাংলার ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। মঙ্গলবার এক ভিডিও কনফারেন্সে বিভিন্ন রাজ্যের ৩৬ জন ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী। সেখানেই ‘এক রাজ্য এক খেলা’র কথা বলেন তিনি। সেই প্রসঙ্গে এদিন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, “কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর এই প্রস্তাব অবাস্তব। এই রাজ্যে প্রচুর খেলাধুলো রয়েছে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর প্রস্তাব মানলে রাজ্য জুড়ে এত বিভিন্ন ডিসিপ্নিনের খেলার কী হবে?” রিজিজুর প্রস্তাব ছিল, রাজ্য সরকারগুলিকে এবার থেকে যে কোনও একটা খেলা বেছে নিতে হবে। এবং তাতেই সবচেয়ে বেশি জোর দিতে হবে। অন্য খেলাধুলো পাশাপাশি চললেও, ওই একটি খেলাতে বাড়তি নজর দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রীর এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী। বাংলা আপত্তি করলেও কেন্দ্রের এই প্রস্তাবে অন্য রাজ্যগুলি রাজি হয়েছে বলে দাবি ক্রীড়ামন্ত্রকের।
অরূপ বিশ্বাস বাংলার কথা বলতে গিয়ে বলেন,“জলপাইগুড়িতে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রজেক্ট ‘বিশ্ব বাংলা ক্রীড়াঙ্গন’ (Biswa Bangla Krirangan) গড়ে তুলেছিলাম আমরা। যা মউ চুক্তি করে সাইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই বিশ্ব বাংলা ক্রীড়াঙ্গনে এখন খেলাধুলোর বদলে গরু চড়ে বেড়ায়।”রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর কথা শুনে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী বিষয়টি দেখা হবে বলে জানান।
[আরও পড়ুন: অবৈধভাবে দামি কাঠ মজুতের অভিযোগ, বিতর্কে সোনাজয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন]
এদিন অরূপ বিশ্বাস (Arup Biswas) বলেন, “জলপাইগুড়ির বিশ্ব বাংলা ক্রীড়াঙ্গন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক স্বপ্ন নিয়ে তৈরি করেছেন। ২৭.০৬ একরের উপর গড়ে তোলা হয়েছে এই ক্রীড়াঙ্গন। যা করতে আমাদের খরচ হয়েছিল প্রায় ৫০ কোটি টাকা। যেখানে ইন্ডোরে রয়েছে তিনটে ব্যাডমিন্টন কোর্ট, বাস্কেটবল কোর্ট, টেবিল টেনিস হল, দু’টো স্কোয়াস কোর্ট। আউটডোরে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল মাঠ। ৪০০ মিটার আন্তর্জাতিক মানের ট্র্যাক। আর্চারি মাঠ, ভলিবল মাঠ, সুইমিংপুল। ছেলেদের জন্য রয়েছে ১০০ বেডের হোস্টেল। মেয়েদের জন্য ২৫ বেডের। এত ভাল ক্রীড়াঙ্গন থেকে আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টসম্যান তৈরির জন্য ২০১৬’র ডিসেম্বরে এক মউ চুক্তির মাধ্যমে আমরা সাইয়ের হাতে পুরো প্রজেক্টটা তুলে দিই। কিন্তু দুর্ভাগ্যর বিষয় তারপর থেকে সেখানে খেলাধুলো আর এগোয়নি।”
সর্বশেষ খবর
-
উপনির্বাচনের আগেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে হুমায়ুন? রেজিনগরে নয়া সমীকরণ!
-
গান্ধীজয়ন্তীতে মহাচমক! বাপুকে স্মরণ করে ‘জাতির জনক’ অবতারে এলেন মনোজ বাজপেয়ী
-
সোশাল মিডিয়ায় জাত তুলে গালি, তফসিলি জাতি-উপজাতি আইনে বিচার হবে, রায় কলকাতা হাই কোর্টের
-
১৯৬৭-তে চন্দননগরে আসেন সন্ন্যাসী সুভাষচন্দ্র! কেউ জানত না?
-
অবশেষে খুলল পাক আকাশসীমা, মধ্যরাতেই ঢাকা পৌঁছবে রুশ পরমাণু জ্বালানি