PSG

পিএসজি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততেই অগ্নিগর্ভ প্যারিস, পুলিশের সঙ্গে ‘মল্লযুদ্ধ’ সমর্থকদের, গ্রেপ্তার শতাধিক

দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে নিয়েছে ফরাসি ক্লাব। কিন্তু ট্রফিজয়ের পর সমর্থকদের একাংশ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। যা নিয়ে চূড়ান্ত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৬, ১৩:২৫

options
link
পিএসজি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততেই অগ্নিগর্ভ প্যারিস, পুলিশের সঙ্গে ‘মল্লযুদ্ধ’ সমর্থকদের, গ্রেপ্তার শতাধিক
অশান্তিতে ম্লান হয়ে গেল পিএসজি'র জয়ের রাত। ছবি রয়টার্স।

আনন্দ মুহূর্তেই বদলে গেল অশান্তিতে! ইউরোপে পিএসজি’র আধিপত্য ততক্ষণে প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। বুদাপেস্টে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে আর্সেনালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে নিয়েছে ফরাসি ক্লাব। কিন্তু ট্রফিজয়ের পর সমর্থকদের একাংশ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। যা নিয়ে চূড়ান্ত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

Advertisement

ঠিক কী হয়েছে? ফাইনাল উপলক্ষে পার্ক দে প্রাঁস স্টেডিয়ামে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখার জন্য ৪০ হাজারেরও বেশি সমর্থক জমায়েত হয়েছিলেন। তাছাড়াও শঁজ এলিজে-সহ একাধিক এলাকায় জমায়েত হয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। ম্যাচ চলাকালীন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও জয়ের পরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। রাত ১১টা পর্যন্ত অন্তত ১৩০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জানিয়েছে প্রশাসন। ফলে উৎসবের আনন্দ দ্রুতই আতঙ্কে পরিণত হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসেও সেলিব্রেশন ঘিরে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, উত্তাল পিএসজি সমর্থকরা বিভিন্ন জায়গায় আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। রাস্তার গাড়ি বা সাইকেল, কিছুই বাদ যায়নি। কেউ কেউ আবার গাড়িতে লাথি মারছে, ভাঙচুর করছে, পাথর ছুড়েছে। বহু মানুষ প্রাণ হাতে নিয়ে দৌড়চ্ছেন। পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ করলেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি উন্মত্ত জনতা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত পুলিশকে কাঁদানে গ্যাসের শেল ব্যবহার করতে হয়। গভীর রাত পর্যন্ত সংঘর্ষ চলতে থাকে। পুলিশ জানিয়েছে, একাধিক গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি বেশ কিছু দোকানেও হামলা চালানো হয়। ঘটনার তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এদিকে কিছু মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে, এই অশান্তির পেছনে অভিবাসীদের ভূমিকা রয়েছে। তারাই হিংসা ছড়িয়েছে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

উল্লেখ্য, গত বছর প্রথমবার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পর পিএসজি সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এ বছর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোটা ফ্রান্সে ২২ হাজারের বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়। তবুও হিংসা রোখা গেল না। সেই কারণেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পাশাপাশি, এই অশান্তির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জোরাল হচ্ছে। সব মিলিয়ে বেমক্কা অশান্তিতে ম্লান হয়ে গেল পিএসজি’র জয়ের রাত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.