Sweden vs Tunisia

ক্রিকেটের পর এবার ফুটবলেও স্নিকো, ৮ বছর বিশ্বকাপে নেমে ‘পাঁচতারা’ পারফরম্যান্স সুইডেনের

জোড়া গোল করলেন সুইডেনের ইয়াসিন আয়ারি। তাঁর গোলকে অনেকেই এখনও পর্যন্ত এবারের বিশ্বকাপের সেরা গোল বলছেন।

Advertisement ad
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৬, ১৫:১৮

options
link
ক্রিকেটের পর এবার ফুটবলেও স্নিকো, ৮ বছর বিশ্বকাপে নেমে ‘পাঁচতারা’ পারফরম্যান্স সুইডেনের zoom
টিউনিসিয়াকে পাঁচ গোলের মালা সুইডেনের। ছবি সংগৃহীত।

আট বছর পর ফিরে দাপটের সঙ্গে বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) অভিযান শুরু করল সুইডেন। গ্রুপ এফ-এর ম্যাচে টিউনিসিয়াকে (Sweden vs Tunisia) ৫-১ গোলে পরাস্ত করল গ্রাহাম পটারের দল। জোড়া গোল করলেন ইয়াসিন আয়ারি। তাঁর গোলকে অনেকেই এখনও পর্যন্ত এবারের বিশ্বকাপের সেরা গোল বলছেন। গোলের মার্কশিটে নাম তুলেছেন আলেকজান্ডার ইসাক ও ভিক্টর গিয়োকেরেস, মাটিয়াস সভানবার্গও। এই ম্যাচে দেখা গেল স্নিকোর ব্যবহারও।

ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই দুর্দান্ত এক দূরপাল্লার শটে সুইডেনকে এগিয়ে দেন আয়ারি। টিউনিসিয়ান বংশোদ্ভূত এই মিডফিল্ডার গোল করার পর সেলিব্রেশন না করে বাবার দেশকে সম্মান জানান। ৩০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইসাক। ৪৩ মিনিটে ওমর রেকিকের হেডে ব্যবধান কমায় টিউনিসিয়া। তবে বিরতির পর আর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি আফ্রিকার দলটি। দ্বিতীয়ার্ধের শেষের দিকে দেখা যায় স্নিকোর ব্যবহার। ২০২৪-র ইউরোতে স্নিকো ব্যবহার হয়েছিল। এর আগে ২০২২-এর বিশ্বকাপে এই প্রযুক্তি ব্যবহার হয় ‘কানেক্টেড বল’ নামে। বিশ্বকাপে প্রথম স্নিকো নাম দিয়ে ব্যবহৃত হল এই প্রযুক্তি।

Sweden vs Tunisia: Yasin Ayari scores with a long-range, powerful shot
দূরপাল্লার দুরন্ত শটে গোল ইয়াসিন আয়ারির। ছবি সংগৃহীত।

ক্রিকেটে ডিআরএসে ব্যবহৃত স্নিকো প্রযুক্তি এবার দেখা গেল ফুটবল বিশ্বকাপেও। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে মাটিয়াস সভানবার্গ গোল করলেও প্রথমে সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল করা হয়েছিল। পরে ‘ভার’-এ স্নিকো দেখে বোঝা যায়, বলটি সভানবার্গের কাছে যাওয়ার আগে আলেকসান্দার ইসাকের বুটে সামান্য লেগেছিল। খালি চোখে বিষয়টি ধরা না পড়লেও প্রযুক্তির সহায়তায় তা পরিষ্কার বোঝা যায়। গোলটিও বৈধ ঘোষণা হয়।

ওই গোলের কিছুক্ষণ আগেই বদলি হিসাবে মাঠে নামেন সুইডেনের মিডফিল্ডার সভানবার্গ। মাঠে নেমেই তিনি ইতিহাস গড়েন। বিবিসি লাইভের তথ্য অনুযায়ী, বদলি হিসাবে নামার মাত্র ১২ সেকেন্ডের মধ্যে গোল করে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসে বদলি খেলোয়াড়দের দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়েছেন। তবে সময় নিয়ে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। ফুটবল পরিসংখ্যান সংস্থা অপটা জানিয়েছে, সভানবার্গ গোল করেছেন ১৮ সেকেন্ডে, এই হিসাবে বিশ্বকাপে বদলি খেলোয়াড়দের দ্বিতীয় দ্রুততম গোল। ২০০২ বিশ্বকাপে সেনেগালের বিপক্ষে উরুগুয়ের রিচার্ড মোরালেস ১৬ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন। অন্যদিকে, ইএসপিএন বলছে, সভানবার্গের গোলটি এসেছে মাঠে নামার ১৬ সেকেন্ডের মাথায়।

Use of Snicko in Sweden vs Tunisia match
ফুটবলেও স্নিকোর ব্যবহার।

দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে (৯০+৬) আয়ারি নিজের দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচে টিউনিসিয়ার কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন। তাঁর দুই গোলই ইতিমধ্যেই চলতি বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা। এক বছর আগে ক্লাব ফুটবলে নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে থাকা ইসাক এই ম্যাচে গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেন। অন্যদিকে, বিশ্বকাপে সুইডেনকে তুলতে প্লে-অফে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়া গিয়োকেরেসও গোল করে নিজের গুরুত্ব আরও একবার প্রমাণ করলেন। এই জয়ের ফলে গ্রুপ এফ-এর শীর্ষে উঠে এসেছে সুইডেন। একই গ্রুপে জাপান বনাম নেদারল্যান্ডস ম্যাচ ২-২ ড্র হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন