ঠিক হয়েছে, আইএসএল চালানোর জন্য ২৫ জনের গভর্নিং কাউন্সিল হবে। এই ২৫ জনের মধ্যে ১৪টি ক্লাবের ১৪ জন প্রতিনিধি। ফেডারেশনের তরফে থাকবেন তিনজন। বাকি অন্যান্য সদস্যরা। এই পর্যন্ত সবই ঠিক ছিল। কিন্তু আইএসএল চালানোর জন্য গভর্নিং কাউন্সিল গঠন করতে গিয়ে শোনা যাচ্ছে, ফেডারেশনের পক্ষে দু’জনের ভেটো থাকবে। আর তাতেই ক্লাবগুলি অসন্তুষ্ট।
আরও পড়ুন:
কারণ, গভর্নিং কাউন্সিলে প্রতিটি ক্লাবের প্রতিনিধি থাকলেও সব কিছু করার শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ থাকবে সেই ফেডারেশন কর্তাদের হাতেই। ফলে গভর্নিং কাউন্সিল গঠন নিয়ে শেষ মুহূর্তে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। কারণ, গভর্নিং কাউন্সিলে ক্লাবরা সব কিছু আলোচনা করলেও শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন কিন্তু ফেডারেশনের তিন কর্তাই। ফলে ক্লাবগুলি এই সিদ্ধান্তে কিছুটা অখুশি। ঠিক ছিল, বুধবার আইএসএলের ক্রীড়াসূচি প্রকাশ হতে পারে। কিন্তু গভর্নিং কাউন্সিল গঠনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সামান্য দ্বিধায় পড়ে গিয়েছে ক্লাবরা।
এদিকে, আইএসএলের ফরম্যাট নিয়ে ইতিমধ্যেই স্লট চেয়ে এএফসি’র কাছে চিঠি পাঠিয়েছে ফেডারেশন। আইএসএল চালানো নিয়ে ক্লাবগুলির সঙ্গে ফেডারেশনের যা কথা হয়েছে, তাতে ঠিক হয়েছে, গভর্নিং কাউন্সিল গঠন করেই তিন-চার দিনের মধ্যে একটা টেন্ডার ডাকা হবে, এই মরশুমে শর্ট টার্ম কমার্শিয়াল পার্টনার ঠিক করার জন্য। আর ২০ বছরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কমার্শিয়াল পার্টনার ঠিক করতে ফেব্রুয়ারিতে ফের টেন্ডার ডাকা হবে। এই মরশুমের শর্ট টার্ম কমার্শিয়াল পার্টনার পেতে টেন্ডার ডাকার পাশাপাশি এই মরশুমের আইএসএলের জন্য ব্রডকাস্ট পার্টনার পেতেও টেন্ডার ডাকা হবে একই সঙ্গে। তবে আইএসএল নিয়ে দীর্ঘ চুক্তির জন্য ব্রডকাস্ট পার্টনার পেতে টেন্ডার ডাকা হবে সেই ফেব্রুয়ারিতেই। কিন্তু একটা ব্যাপার স্পষ্ট করে দিয়েছে ফেডারেশন। শীর্ষ লিগে চ্যাম্পিয়নশিপ-রেলিগেশন নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে, সেখান থেকে কোনওমতেই সরে আসা হবে না। সুপ্রিম কোর্ট তার রায়ে অনেক আগেই বলেছে, দেশের শীর্ষ লিগের অবনমন-চ্যাম্পিয়নশিপ দুই থাকবে।
ফেডারেশন কর্তারা তাই ঠিক করেছেন, ফেডারেশনের সংবিধান নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যা রায় দিয়েছে, তা পরিবর্তনের জন্য কিছুতেই সুপ্রিম কোর্টের কাছে ফের আবেদন করা হবে না। কিন্তু ক্লাবগুলি চাইছে, এই মরশুমের পরিস্থিতির কথা ভেবে অন্তত এই মরশুমটায় আইএসএলের অবনমন বন্ধ রাখতে। কারণ, সময়ের অভাবে এই মরশুমে বেশিরভাগ দলই ঠিকভাবে ফুটবলার দলে নিতে পারেনি। নাহলে ভালো বিদেশিদের ছেড়ে দিতে হয়েছে। কিন্তু ফেডারেশন এই ইস্যুতে কোনওভাবেই নাক গলাবে না। পুরো ব্যাপারটা ছেড়ে রাখা হয়েছে ক্লাবের উপর। এই মরশুমের অবনমন আটকাতে হলে ক্লাবগুলিকেই সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করতে হবে। কারণ, এর আগে সুপ্রিম কোর্ট ফেডারেশন জানিয়েছিল, সংবিধান নিয়ে যে রায় দেওয়া হয়েছে, তাতে রাজি আছে। ফলে এখন আর নতুন করে সুপ্রিং কোর্টে আবেদন করা সম্ভব নয়। এবার ক্লাবরা আবেদন করলে আইএসএলের অবনমন নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যা বলবে, ফেডারেশন সেটাই মেনে চলবে। সব মিটে গিয়েও যেন ছোটখাট জট সেই লেগেই আছে। সবাই তাকিয়ে আছেন, তাড়াতাড়ি জট খুলে আইএসএল শুরুর দিকে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের