সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খানাখন্দে ভরা রাস্তা৷ দুর্ঘটনা যেন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার৷ কিন্তু সারাইয়ের কোনও ব্যবস্থা নেই৷ কোনও উদ্যোগও নেই৷ যেন এটাই নিয়তি৷ আর সেটাকেই মেনে নিয়ে রাস্তার গর্তকেই পুজো করলেন বেঙ্গালুরুর একদল পথচারী৷
দক্ষিণ-পূর্ব বেঙ্গালুরুর ‘এইচএসআর লে আউট’ এলাকায় রাস্তার বেহাল দশা দীর্ঘদিন মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অধিবাসীদের৷ রোজই কোনও না কোনও দুর্ঘটনার খবর আসতে থাকে৷ অনেক চেষ্টা করেও রাস্তা সারাইয়ের কোনও ব্যবস্থা করতে পারেননি৷ সব চেষ্টা বিফল হলে, শেষমেশ রাস্তার খানাখন্দের কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না৷ বেঙ্গালুরুর এই এলাকার অধিবাসীরা তাই করেছেন৷ রথ(পড়ুন গাড়িঘোড়া) গেলে পথ যদি নিজেকে দেব ভাবে, তবে পথের দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে সেই পথ-দেবতার পুজোই সই৷ তাই খানাখন্দকেই রীতিমতো ফুলমালায় পুজো করেছেন অধিবাসীরা৷
শ্লেষাত্মক এই কাজের অবশ্য একটি বিশেষ উদ্দেশ্যও আছে৷ এই ছবি অধিবাসীরা পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে এ খবর৷ এখন তাঁদের আশা, এরপর যদি প্রশাসনের টনক নড়ে তবে রক্ষে৷ ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে বার্তা পৌঁছেছে৷ রাস্তার বেহাল দশা সারাতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে৷ অধিবাসীরা বলছেন, নিজেরা বাঁচতেই পথ-দেবতার পুজো করা হয়েছিল৷ দেখা যাচ্ছে, দেবতা তুষ্টই হয়েছেন৷ এতদিনে যে ব্যবস্থা করা যায়নি, এরপর অন্তত সেই সিস্টেমের অচলায়তনের ঘুম ভেঙেছে৷
বিদ্রোহ, বিক্ষোভ ছেড়ে বেঙ্গালুরুর অধিবাসীদের এই প্রতিবাদ নিঃসন্দেহে উৎসাহিত করবে দেশের বাকি অংশের জনসাধারণকেও৷ পথের দাবি আদায়ে অন্তত এভাবে সচেষ্ট হতে পারেন তাঁরাও৷
সর্বশেষ খবর
-
কাঁথির শান্তিকুঞ্জে শিশির সাক্ষাতে জুন, কী কথা হল দু’জনের?
-
দলের সঙ্গে বিদেশ সফরে যাননি, কেরিয়ার নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন শচীন-পুত্র অর্জুন
-
২০০০ বছর আগে ব্যবহৃত হত গর্ভনিরোধক হিসেবে, খোঁজ মিলল বিলুপ্ত জাদুকরী গাছের!
-
যাতায়াতে ৬ ঘণ্টা, সামান্য বেতনে চলে না সংসার! যুবকের হাহাকারে চোখে জল নেটপাড়ার
-
রগরগে যৌনদৃশ্যেই ‘পোয়া বারো’, নিমেষে শেষ ৮৫ হাজার ‘টক্সিক’ টিকিট, ওপেনিংয়ে বক্স অফিস বিস্ফোরণ!