Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Mumbai

যাতায়াতে ৬ ঘণ্টা, সামান্য বেতনে চলে না সংসার! যুবকের হাহাকারে চোখে জল নেটপাড়ার

জীবিকা নির্বাহের এই করুণ কাহিনির পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে। কমেন্ট বক্স ভরে গিয়েছে নানা রকম প্রতিক্রিয়ায়। অধিকাংশ মানুষ ওই যুবকের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৯:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৯:১৯

options
link
যাতায়াতে ৬ ঘণ্টা, সামান্য বেতনে চলে না সংসার! যুবকের হাহাকারে চোখে জল নেটপাড়ার zoom
ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

মুম্বই শহরে মাসে ৩৫ হাজার বেতন সামান্যই। তার উপর সপ্তাহে ছ’দিনের চাকরি। এখানেই শেষ নয়। যুবক কার্যত চাকরি করেন সকাল ৬টা থেকে রাত ১১টা অবধি। তাই বলে দিনে সাতেরো ঘণ্টা ডিউটি? না, ব্যাপারটা তা নয়। আসলে বদলাপুর থেকে গোরেগাঁওয়ের অফিসে পৌঁছতে সময় লাগে তিন ঘণ্টা, ফিরতেও একই সময় লাগে। সোশাল মিডিয়ায় এই বেদনার কাহিনি শেয়ার করেছেন যুবক। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

সমাজমাধ্যমে যুবক লিখেছেন, “যাতায়াত করতে করতে আমি ক্লান্ত। ভোর ৫টায় ঘুম থেকে উঠি। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাড়ি থেকে বের হই। সোয়া ৭টায় বদলাপুর স্টেশন থেকে লোকাল ট্রেনে চড়ি। দাদরে পৌঁছে ওয়েস্টার্ন লাইনের ট্রেন ধরি, গোরেগাঁও স্টেশনে নামি এবং সেখান থেকে প্রতিদিন ৩০ মিনিট শেয়ার রিকশার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর অবশেষে অফিসে পৌঁছাই।” আরও জানিয়েছেন, “আমি সকাল ১০টা নাগাদ অফিসে পৌঁছাই। সন্ধ্যা ৭টায় অফিস থেকে বেরিয়ে বদলাপুরে নিজের বাড়িতে পৌঁছাই রাত ১১টায়। এটাই আমার প্রতিদিনের রুটিন। রবিবারটাই একমাত্র ছুটির দিন।”

Advertisement

যুবক আরও জানিয়েছেন, অফিসের আশপাশে পিজিতে থাকার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু কম বেতনের কারণে পেরে উঠিনি। তিনি জানিয়েছেন, “অফিসের কাছাকাছি পিজি খোঁজার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সেগুলোর বেশিরভাগই বেশ ব্যয়বহুল। যেগুলি সস্তা সেগুলির পরিবেশ খুবই অস্বাস্থ্যকর। আমার মাসিক বেতন মাত্র ৩৫,০০০ টাকা। তাই আলাদা করে বাড়ি ভাড়া নেওয়া আমার সাধ্যের অতীত। একবার ভাবুন তো, প্রতিদিন যাতায়াতেই ৬ ঘণ্টা সময় চলে যায়! রাতে শুধু ঘুমানোর জন্যই বাড়ি।”

জীবিকা নির্বাহের এই করুণ কাহিনির পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে। কমেন্ট বক্স ভরে গিয়েছে নানা রকম প্রতিক্রিয়ায়। অধিকাংশ মানুষ ওই যুবকের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ সমস্যা সমাধানে বেশ কিছু পরামর্শও দিয়েছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, “ওরে বাবা, যাতায়াতের কথা ভাবলেই তো ক্লান্তি লাগে। সম্ভব হলে শহরের কাছে কোথাও থেকে কাজ করুন।” এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, “ভাই, আপনি তো দিনে ৬ ঘণ্টা নয়, বরং সাড়ে ৭ ঘণ্টা যাতায়াত করেন।” আরেকজনের পরামর্শ, “আপনি কর্মস্থল থেকে এক ঘণ্টা দূরত্বের কোনও এলাকায় থাকলে তুলনায় কম মূল্যের বাসস্থান পেতে পারেন। অফিস থেকে ৪০ থেকে ৬০ মিনিটের দূরত্বের মধ্যে ভাড়া বাড়ির খোঁজ করুন।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.