Bengal Election 2026

‘ভোটের সময় ১৫ দিন বাংলায় থাকব’, ইচ্ছাপ্রকাশ শাহের, কুণালের পালটা, ‘দম থাকলে…’

ভোটের সময় বিজেপি শীর্ষনেতৃত্বের বিরুদ্ধে বারবার 'ডেইলি প্যাসেঞ্জারি'র অভিযোগ আগেও তুলেছে তৃণমূল।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৬, ১৪:৪২

options
link
‘ভোটের সময় ১৫ দিন বাংলায় থাকব’, ইচ্ছাপ্রকাশ শাহের, কুণালের পালটা, ‘দম থাকলে…’
১৫ দিন বাংলায় থাকার ইচ্ছা অমিত শাহের, পালটা জবাব কুণাল ঘোষের। ফাইল ছবি

ভোটের (Bengal Election 2026) সময় বিজেপি শীর্ষনেতৃত্বের বিরুদ্ধে বারবার ‘ডেইলি প্যাসেঞ্জারি’র অভিযোগ আগেও তুলেছে তৃণমূল। ছাব্বিশের নির্বাচনেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ভোটপ্রচারে ইতিমধ্যেই বাংলায় এসেছেন মোদি-শাহরা। ভোটের সময় ১৫ দিন বাংলার থাকার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। পালটা তাঁকে জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

Advertisement
West Bengal Assembly Election: Amit Shah set target for wining
ভবানীপুরে রোড শো অমিত শাহের। ছবি: কৌশিক দত্ত

অমিত শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের ভোটে ১৫ দিন আমি এ রাজ্যেই থাকব। আপনাদের সঙ্গে কথা বলার অনেক সুযোগ পাব। আজ আমাদের প্রার্থীদের, বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নের জন্য আমি এসেছি।”

অমিত শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের ভোটে ১৫ দিন আমি এই রাজ্যেই থাকব। আপনাদের সঙ্গে কথা বলার অনেক সুযোগ পাব। আজ আমাদের প্রার্থীদের, বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নের জন্য আমি এসেছি।” পালটা কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বলেন, “ভোটের আগে যতদিন ইচ্ছে থাকুন। তবে দম থাকলে বলুন ভোটের ফল বেরনোর পর একটা দিন বাংলায় থাকব।”

Advertisement

বলে রাখা ভালো, গত কয়েকটি নির্বাচনে মোটেও ভালো ফল করেনি বিজেপি। একে তো ঘরোয়া কোন্দল। তার উপর আবার দক্ষ সংগঠকের অভাব। তার ফলে দিন দিন বঙ্গ বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি যেন তলানিতে ঢেকেছে। এই পরিস্থিতিতে সামনেই বিধানসভা নির্বাচন (Bengal Election 2026)। ছাব্বিশের ভোট যেন বিজেপির কাছে ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচের মতো। প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তার ফলে বিজেপির ভিতরকার ‘অন্তঃসার শূন্যতা’ই যেন প্রকাশ্যে এসেছে। রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বঙ্গ বিজেপি নেতাদের উপর সম্ভবত ভরসা রাখতে পারছে না শীর্ষ নেতৃত্ব। সে কারণে বারবার বাংলায় আসতে হয় মোদি, শাহ, নীতিন নবীনের মতো শীর্ষ নেতৃত্বের। আর তা নিয়ে শাসক শিবির বারবার কটাক্ষ করে বিজেপিকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.