West Bengal Assembly Election

বিজেপির প্রচারে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে’র ফর্ম পূরণ! ৩ হাজারের প্রলোভনের অভিযোগে তপ্ত চুঁচুড়া থেকে কৃষ্ণনগর

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বিজেপির 'সংকল্পপত্রে' থাকা মহিলাদের ৩ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ১৯:৩৮

options
link
বিজেপির প্রচারে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে’র ফর্ম পূরণ! ৩ হাজারের প্রলোভনের অভিযোগে তপ্ত চুঁচুড়া থেকে কৃষ্ণনগর
ফাইল ছবি

প্রচারের সময় ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে’র ফর্ম বিলি করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা! ভোটার ও আধার কার্ড সংগ্রহ করে ৩ হাজার টাকার প্রলোভন দেখানোর অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। উত্তপ্ত হুগলি চুঁচুড়া থেকে নদিয়ার কৃষ্ণনগর।

Advertisement

বিষয়টি নজরে আসতেই কোথাও স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, মারমুখী হয়ে ওঠেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। কোথাও তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে বিজেপির ‘সংকল্পপত্রে’ থাকা মহিলাদের ৩ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।

Advertisement

হুগলি চুঁচুড়ার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগের হয়ে প্রচারে বেরন বিজেপি কর্মীরা। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝানো ও আর্থিক প্রলোভন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হুগলি জেলা সংশোধনাগার সংলগ্ন এলাকার মহিলা বাসিন্দাদের থেকে আধার ও ভোটার কার্ডের তথ্য সংগ্রহ করছিলেন বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি,  মহিলাদের আশ্বাস দেওয়া হয়, বিজেপিকে ভোট দিলে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্পের আওতায় ৩০০০ টাকা দেওয়া হবে। বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ জানান। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, প্রতিবাদের জেরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশ মারমুখী হয়ে ওঠেন। স্থানীয়দের দিকে তেড়ে যান বলেও অভিযোগ।

Advertisement

অন্যদিকে, নদিয়ার কৃষ্ণনগর উত্তরের প্রার্থী তারক দাসের হয়ে শনিবার রাতে প্রচারে বেরিয়েছিলেন কর্মীরা। অভিযোগ, দলীয় ইস্তেহার বিলির পাশাপাশি তাঁরা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্মও বিলি করছিলেন। সেই খবর পেয়ে তৃণমূলের কর্মীরা মহিলা বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয় বলেও অভিযোগ। বিজেপি ফর্ম বিলির কথা স্বীকার করে দাবি করেছেন, কোনও আধার বা ভোটার কার্ড নেওয়া হয়নি। তাদের প্রচারে বাধা দিয়ে তৃণমূল হামলা চালিয়েছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি প্রার্থী তারক দাস। তিনি বলেন, “শুনলাম এলাকার তৃণমূলের যুব সভাপতি-সহ নেতৃত্বরা হামলা করেছে। ওদের পায়ের নিচের মাটি সরে গিয়েছে। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে আমরা নির্বাচন কমিশনের দারস্থ হব।” যদিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল প্রার্থী সোমনাথ দত্ত। তিনি বলেন, “তৃণমূল দুস্কৃতীদের নিয়ে চলে না। বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.