West Bengal Assembly Election

‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নাকি, শাঁখা-পলা’, রামনবমীর অনুষ্ঠানে ধর্মীয় মেরুকরণ অগ্নিমিত্রার! তুঙ্গে বিতর্ক

অনুষ্ঠানে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পাশাপাশি রামনবমীর মিছিলে অগ্নিমিত্রাকে অস্ত্র হাতে হাঁটতেও দেখা গিয়েছে। তলোয়ার নিয়ে খেলা দেখাতে দেখা যায় বিজেপি প্রার্থীকে।

Advertisement
শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ২১:৩৭

options
link
‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নাকি, শাঁখা-পলা’, রামনবমীর অনুষ্ঠানে ধর্মীয় মেরুকরণ অগ্নিমিত্রার! তুঙ্গে বিতর্ক

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চান? নাকি মা-বোনেদের শাখা পলা বাঁচাতে চান? হিন্দুত্বের অস্তিত্ব রক্ষা করতে বিজেপি সরকার গঠন করতে হবে। রামনবমীতে বির্তকিত মন্তব্য আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পলের। শুক্রবার আসানসোল দক্ষিণের রাধানগর রোড এলাকার ৮ নম্বর বস্তি যুব সংঘ ক্লাবে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন বিদায়ী বিধায়ক অগ্নিমিত্রা। সেখানে বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, ধর্মীয় আবেগকে উসকে ভোটারদের মধ্যে মেরুকরণের রাজনীতি করছেন অগ্নিমিত্রা।

Advertisement

অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ভোটারদের উদ্দেশ্যে অগ্নিমিত্রা পল প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, “আপনারা ঠিক করুন কী চান। দেড় হাজার টাকার লক্ষ্মী ভাণ্ডার নাকি মা-বোনেরা নিজেদের শাঁখা-পলা?” তিনি আরও বলেন, “এবারের ভোটে ছোট ছোট চাওয়া-পাওয়া ছেড়ে দিন। সব ভুলে হিন্দুদের বাঁচাতে বাংলায় বিজেপি সরকার নিয়ে আসুন।” তাঁর এই বক্তব্যের পরই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি মেরুকরণের রাজনীতি করছেন বলে অভিযোগ তুলেছে বিরোধী শিবির। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের অবস্থানেই অনড় থেকেছেন বিজেপির বিদায়ী বিধায়ক। তিনি সাফ জানান, “আমি কোনও ভুল কথা বলিনি। রাজ্যে হিন্দুদের অস্তিত্ব সংকটে। তাই শাঁখা-পলা বাঁচানোর কথা বলেছি। লক্ষ্মী ভাণ্ডারের কয়েকটা টাকা সুরক্ষার বিকল্প হতে পারে না।”

Advertisement

অনুষ্ঠানে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পাশাপাশি রামনবমীর মিছিলে অগ্নিমিত্রাকে অস্ত্র হাতে হাঁটতেও দেখা গিয়েছে। তলোয়ার নিয়ে খেলা দেখাতে দেখা যায় বিজেপি প্রার্থীকে। যদিও তাঁর দাবি, ধাতব বা ধারালো তলোয়ার ছিল না। কাঠের তলোয়ার ছিল। অন্যদিকে আসানসোল দক্ষিণের ফতেপুরে রাম নবমীর শোভাযাত্রায় ত্রিশূল হাতে দেখা যায় অগ্নিমিত্রাকে। এই নিয়েও বির্তক তৈরি হয়েছে। অগ্নিমিত্রার অস্ত্রহাতে ‘দাপাদাপি’ নিয়ে মুখ খুলেছেন কুলটির তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ ঘটক। তিনি বলেন, “একজন বিধায়কের কাজ হচ্ছে আইন তৈরি করা। তিনি যদি আইন ভাঙেন তাহলে কী করে হবে। প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.